মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়ি-পাতিল তৈরি

ভাঙারি অ্যালুমিনিয়াম গলিয়ে বা শিট কিনে স্পিনিং মেশিনে হাঁড়ি, পাতিল ও কড়াই বানানো। বিএসটিআই-এর ৩১৫টি বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় সাধারণ হাঁড়ি-পাতিল নেই, কিন্তু প্রেশার কুকার আছে (BDS 1752:2006)।

  • শেষ পর্যালোচনা: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়ি-পাতিল তৈরি

অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়ি-পাতিল তৈরি

শুরুর পুঁজি
৳১,৫০,০০০ – ৳২০,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
৩ – ২৫ জন
প্রথম বিক্রি
৪৫ – ১২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৫ – ১০ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

কাজটা দেখতে সহজ, কিন্তু পুরোটাই ধাতু আর আগুনের। শুরু হয় ভাঙারির স্তূপ থেকে — পুরোনো হাঁড়ি, জানালার ফ্রেম, ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ। কেউ সেই স্ক্র্যাপ নিজেই গলিয়ে শিট বানান, কেউ তৈরি শিট কিনে আনেন। বগুড়ার বিসিক শিল্পনগরীর কারখানায় দেখা যায় ধাতব স্ক্র্যাপের স্তূপ, গরম পানিতে শিট ধুয়ে ময়লা তোলা, রোলার মেশিনে মাপে আনা, তারপর স্পিনিং মেশিনের ঘূর্ণায়মান ছাঁচে চেপে হাঁড়ির আকার দেওয়া। চট্টগ্রামের ছোট কারখানাগুলোতেও একই ঘূর্ণায়মান ছাঁচে কাজ হয়। সেখানকার ছবিতে যা ধরা পড়ে তা হলো এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় সত্য — শিশুশ্রমিক কাজ করেন, আর অনেকে চশমা, দস্তানা বা মুখোশ ছাড়াই ঘূর্ণায়মান ধাতুর সামনে দাঁড়ান। নিয়মের দিকটা যাচাই করে দেখা গেছে: বিএসটিআই-এর ৩১৫টি বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্র নেই, তাই সাধারণ হাঁড়ি-পাতিল বানাতে সিএম লাইসেন্স লাগে না। কিন্তু ঠিক পাশের পণ্যগুলো তালিকায় আছে — ক্রমিক ২০০-তে ঘরোয়া প্রেশার কুকার (BDS 1752:2006), ক্রমিক ২০৭-এ অ্যালুমিনিয়ামের এক্সট্রুডেড প্রোফাইল (BDS 1879:2014), ক্রমিক ২৩৩-এ খাদ্যের সংস্পর্শে ব্যবহারের অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল। অর্থাৎ হাঁড়ি থেকে প্রেশার কুকারে এক ধাপ এগোলেই আপনি বাধ্যতামূলক সনদের আওতায় ঢুকে যাবেন, আর সনদ ছাড়া সেটি বিক্রি করা যাবে না। এই ধাপটা আগে থেকে না জেনে অনেক কারখানা মাল বানিয়ে ফেলে বসে থাকে।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳২,০০,০০০ – ৳২৫,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৩৪৫ – ৳৪৪৫ / কেজিসম্পাদকীয় অনুমান
পরিবর্তনশীল খরচ৳২৮৩ – ৳৩০৩ / কেজিসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার১২% – ৩৬%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৪৫ – ১২০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৫ – ১০ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র২০ – ৯০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৩% – ১০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৪০ – ৪০০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • স্পিনিং মেশিন বা লেদ ও তার কাঠ-ইস্পাতের ছাঁচ, রোলার মেশিন, প্রান্ত কাটার যন্ত্র, বাফিং ও পলিশিং মেশিন; ধাতু গলালে ক্রুসিবল চুল্লি ও ছাঁচ। দাম এই অনুসন্ধানে যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
  • ভাঙারি অ্যালুমিনিয়াম বা তৈরি অ্যালুমিনিয়াম শিট। দুটোর কোনোটিরই প্রকাশিত কেজি দর এই অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি — শুরু করার আগে স্থানীয় ভাঙারি আড়তে ও শিট বিক্রেতার কাছে নিজে দর নিয়ে হিসাব বসাতে হবে।শুরুর মাল
  • বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স — সাধারণ অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়ি-পাতিলের জন্য লাগে না, কারণ ৩১৫টি বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় এটি নেই। কিন্তু ঘরোয়া প্রেশার কুকার (ক্রমিক ২০০, BDS 1752:2006), অ্যালুমিনিয়ামের এক্সট্রুডেড প্রোফাইল (ক্রমিক ২০৭, BDS 1879:2014) ও খাদ্যের সংস্পর্শে ব্যবহারের অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল (ক্রমিক ২৩৩, BDS ASTM B479:2021) তালিকাভুক্ত — এসব বানালে সনদ বাধ্যতামূলক।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০, ইস্যু ৩–৫ কর্মদিবসে, প্রতি বছর নবায়ন।লাইসেন্স
  • ঘূর্ণায়মান ছাঁচে হাতের চাপে সমান পুরুত্ব রাখা — এটাই মূল দক্ষতা, আর শেখা হয় কারখানায় দাঁড়িয়ে, বইয়ে নয়। সঙ্গে ছাঁচ বানানো ও ধাতু গলানোর তাপ বোঝা।দক্ষতা
  • ভাঙারি আড়ত বা শিট সরবরাহকারীর সঙ্গে স্থায়ী সম্পর্ক, আর বাফিংয়ের জন্য পলিশিং কম্পাউন্ড ও হ্যান্ডেল-ঢাকনার যন্ত্রাংশের জোগানদার।সরবরাহকারী
  • উঁচু ছাদের হাওয়া চলাচলের শেড, পাকা মেঝে, তিন-ফেজ বিদ্যুৎ সংযোগ। বসতবাড়ির ভেতরে নয় — ধাতুর গুঁড়ো ও বাফিংয়ের ধুলো ঘরে ঢুকলে শ্বাসকষ্ট হয়। বিসিক শিল্পনগরীর প্লট এক সমাধান।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1ঠিক করুন আপনি ধাতু গলাবেন, নাকি তৈরি অ্যালুমিনিয়াম শিট কিনে শুধু আকার দেবেন। গলানোর চুল্লি বসানো মানে আলাদা জায়গা, আলাদা জ্বালানি আর আলাদা ঝুঁকি; শিট কিনলে পুঁজি অনেক কম লাগে।
  2. 2ভাঙারির জোগান বাঁধুন। পুরোনো হাঁড়ি, জানালার ফ্রেম আর ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ যাঁরা কেনেন, মৌসুমের আগেই তাঁদের সঙ্গে দর ঠিক করে রাখুন — কারণ ধাতুর দামই এই ব্যবসার একমাত্র বড় খরচ।
  3. 3শেড নিন উঁচু ছাদের, হাওয়া চলাচলসহ, আর তিন-ফেজ বিদ্যুতের সংযোগ নিন। স্পিনিং ও রোলার মেশিন এক-ফেজে চলে না।
  4. 4স্পিনিং মেশিন (লেদ), রোলার মেশিন, প্রান্ত কাটার যন্ত্র ও বাফিং মেশিন বসান। যে মাপের পাত্র বানাবেন প্রতিটির জন্য আলাদা কাঠ বা ইস্পাতের ছাঁচ বানাতে হবে।
  5. 5শিট প্রথমে গরম পানিতে ধুয়ে ময়লা তুলুন, তারপর রোলার মেশিনে মাপে আনুন। ময়লা শিটে চাপ দিলে পাত্রের গায়ে দাগ বসে যায় আর পাইকার দাম কমিয়ে দেন।
  6. 6ঘূর্ণায়মান ছাঁচে শিট চেপে পাত্রের আকার দিন, প্রান্ত কেটে সমান করুন, তারপর বাফিং করে চকচকে করুন। পুরুত্ব সমান না হলে পাত্র রান্নায় পুড়ে যায় — এটাই মানের প্রধান পরীক্ষা।
  7. 7দস্তানা, চোখের চশমা ও মুখোশ কিনে ব্যবহার বাধ্যতামূলক করুন, আর ঘূর্ণায়মান অংশে গার্ড লাগান। চট্টগ্রামের কারখানার ছবিতে দেখা যায় অনেকে এসব ছাড়াই কাজ করেন — এটিই এই শিল্পের সবচেয়ে সাধারণ ও সবচেয়ে ব্যয়বহুল ভুল।
  8. 8শিশুশ্রমিক রাখবেন না। এটি আইনত নিষিদ্ধ, আর ঘূর্ণায়মান লেদ ও গরম ধাতুর সামনে শিশুর দাঁড়ানোর ফল একবার ঘটলেই আর ফেরানো যায় না।
  9. 9ট্রেড লাইসেন্স নিন (ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, ফি ৳১০০–৬০,০০০; ৩–৫ কর্মদিবসে) এবং কারখানার জন্য ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্রের বিষয়ে স্থানীয় অফিসে জেনে নিন।
  10. 10বিসিক শিল্পনগরীতে প্লট পাওয়া যায় কি না দেখুন — বগুড়ার বিসিক এলাকায় এমন কারখানা চলছে। শিল্পনগরীতে বিদ্যুৎ, রাস্তা ও অনুমোদন একসঙ্গে মেলে।
  11. 11প্রেশার কুকার বানানোর কথা ভাবলে আগে বিএসটিআই-এর সিএম লাইসেন্সের ব্যবস্থা করুন — ঘরোয়া প্রেশার কুকার বাধ্যতামূলক তালিকার ক্রমিক ২০০, BDS 1752:2006। সনদ ছাড়া বানিয়ে ফেললে মাল গুদামেই পড়ে থাকবে।
  12. 12পাইকারের সঙ্গে দর ও বাকির মেয়াদ লিখিতভাবে ঠিক করুন, আর বিয়ের মৌসুমের আগে কত টাকার মাল বাকিতে ছাড়বেন তার একটা সীমা বেঁধে দিন।

মৌসুম

  1. জানুবেশি
  2. ফেব্রুবেশি
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনকম
  7. জুলাইকম
  8. আগস্টকম
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোবেশি
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীবগুড়া · বগুড়ার বিসিক শিল্পনগরীতে অ্যালুমিনিয়ামের তৈজসপত্রের কারখানা চলছে — স্ক্র্যাপ থেকে স্পিনিং পর্যন্ত পুরো কাজ এক জায়গায়, আর উত্তরাঞ্চলের হাটে মাল পাঠানো সহজ।
  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · ছোট ছোট কারখানায় ঘূর্ণায়মান ছাঁচে হাঁড়ি-পাতিল তৈরি হয়; বন্দর ও জাহাজভাঙা শিল্পের কারণে ধাতব ভাঙারির জোগানও এখানে বেশি।
  • সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপর, দুই দিকের কাঁচামাল ও পাইকার দুজনের কাছেই যাওয়া যায়।
  • সম্ভবঢাকা · দেশের সবচেয়ে বড় ভোক্তা বাজার আর পুরান ঢাকার ধাতব কারখানাগুলোর কাছে কাঁচামাল ও কারিগর দুটোই মেলে। ইসলামবাগকে এই শিল্পের কেন্দ্র বলা হয়, কিন্তু এই অনুসন্ধানে তার সূত্র মেলেনি বলে এখানে STRONG দেওয়া হয়নি।
  • সম্ভবগাজীপুর · শিল্পাঞ্চলের কারখানা ও মেসের রান্নাঘরে বড় ডেকচি-কড়াইয়ের নিয়মিত চাহিদা, আর শেড ভাড়া ঢাকার চেয়ে কম।
  • সম্ভবযশোর · দক্ষিণ-পশ্চিমের বড় পাইকারি কেন্দ্র; খুলনা বিভাগের হাটে মাল ছড়াতে এখান থেকে সুবিধা।
  • সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার লাগোয়া শিল্প এলাকা, তিন-ফেজ বিদ্যুৎ ও শেড ভাড়া পাওয়া সহজ, আর ঢাকার পাইকারদের কাছে মাল পৌঁছাতে সময় কম।
  • সম্ভবরংপুর · দাম-সচেতন গ্রামীণ বাজার, যেখানে অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র এখনো স্টিলের চেয়ে বেশি চলে; বগুড়া থেকে কাছের বাজার।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিঅন্যান্য: ঘূর্ণায়মান লেদ আর গরম ধাতুর সামনে সুরক্ষা ছাড়া দাঁড়ানো। চট্টগ্রামের কারখানার ছবিতে ধরা পড়েছে শ্রমিকদের অনেকেই চশমা, দস্তানা বা মুখোশ ছাড়াই কাজ করেন, আর সেখানে শিশুশ্রমিকও আছেন। একটি হাত বা চোখের দুর্ঘটনার খরচ পুরো বছরের মুনাফার চেয়ে বেশি, আর তা ফেরানো যায় না।
  • বেশিচলতি মূলধন: ধাতু নগদে কিনতে হয়, মাল যায় বাকিতে। ধাতুর দাম হঠাৎ বাড়লে পুরোনো দামে দেওয়া চালানের টাকা যখন আসে, তখন সেই টাকায় আগের পরিমাণ ধাতুই কেনা যায় না — কারখানা ছোট হতে থাকে অথচ খাতায় লাভ দেখা যায়।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: হাঁড়ি-পাতিল থেকে প্রেশার কুকারে এক ধাপ এগোলেই বাধ্যতামূলক বিএসটিআই সনদের আওতায় পড়তে হয় (BDS 1752:2006)। সনদ ছাড়া প্রেশার কুকার বাজারে দিলে মাল জব্দ হয় ও জরিমানা হয়, আর ততক্ষণে ছাঁচ বানানোর টাকা খরচ হয়ে গেছে।
  • মাঝারিচাহিদা: স্টিল, নন-স্টিক ও সিরামিক পাত্র শহরের ক্রেতাকে টেনে নিচ্ছে, আর অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র স্বাস্থ্যের জন্য ভালো কি না তা নিয়ে প্রশ্নও উঠছে। এই ব্যবসার বাজার এখন মূলত দাম-সচেতন ক্রেতা, বাবুর্চি ও প্রতিষ্ঠানের রান্নাঘর — সেখানে দাম ছাড়া আলাদা করার আর কিছু নেই।
  • মাঝারিবাকিতে বিক্রি: তৈজসপত্রের পাইকারি বাজার বাকিতে চলে। বিয়ের মৌসুমের আগে দোকানদাররা মাল তোলেন, আর টাকা দেন মৌসুম ফুরোনোর পর — মাঝের দুই-তিন মাস কারখানার বেতন ও বিদ্যুৎ বিল আপনাকেই টানতে হয়।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা শিখেছিপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে বগুড়ার তালোড়ার একজন অ্যালুমিনিয়াম কারখানার মালিক

গ্যাস সংযোগ মেলেনি, ৩০ শতাংশ বেশি খরচেই বন্ধ হলো মাসে ২১ হাজার কেজির কারখানা

মাসে গড়ে ২১,০০০ কেজি অ্যালুমিনিয়ামের বাসন বানানো কারখানাটি ২০১৫ সালের দিকে বন্ধ হয়ে যায়। গ্যাস সংযোগ না পাওয়ায় উৎপাদন খরচ ছিল গ্যাসচালিত কারখানার চেয়ে ৩০ শতাংশের বেশি।

কারণ
নির্ভরশীলতা, চাহিদা কম

একই রকম আরও ব্যবসা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

জুতা তৈরির কারখানা

ছোট কারখানায় স্যান্ডেল ও জুতা বানিয়ে পাইকারের কাছে বিক্রি। স্যান্ডেল ৳২৫০–৭০০, চামড়ার জুতা ৳১,২০০। ভৈরবে ৩,৫০০–৫,০০০ কারখানায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ কাজ করেন।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১০ লাখ
জনবল
৪ – ২০ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

থাই গ্লাস ও অ্যালুমিনিয়াম

অ্যালুমিনিয়াম ও কাচ মেপে কেটে দরজা-জানালা-পার্টিশন বানিয়ে লাগানো। সাধারণ কাজের দর প্রতি বর্গফুট ৳৪৭০–৭৫০, আর মাপ ভুল হলে কাটা মাল ফেরত যায় না।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৬ লাখ
জনবল
২ – ৬ জন
প্রথম আয়
২০ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

খাতা তৈরির কারখানা

কাগজ কেটে, ভাঁজ করে, মলাট দিয়ে খাতা বানানো। অনলাইনে ৩০০ পৃষ্ঠার খাতা ৳১৬৯ আর ১২০ পৃষ্ঠার ৳৭৫, অথচ এক বছরে কাগজের প্যাকেট ১০০–১৫০ টাকা বেড়েছে।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৭ লাখ
জনবল
৩ – ১৫ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

আগর-আতর উৎপাদন

আগরগাছের কাঠ ভিজিয়ে জ্বাল দিয়ে সুগন্ধি আতর নামানো। বড়লেখার সুজানগরে প্রায় ২৫০টি কারখানা, মানভেদে তোলাপ্রতি ৳৬,০০০–১০,০০০, আর প্রায় পুরোটাই রপ্তানি হয়।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১০ লাখ
জনবল
৩ – ১৫ জন
প্রথম আয়
২,৫৫৫ – ১০,৯৫০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান