বিস্কুট ও চিপস তৈরি
ময়দা, চিনি ও তেল দিয়ে বিস্কুট, টোস্ট ও চিপস তৈরি ও প্যাকেট করে বিক্রি। বিএসটিআই সনদ বাধ্যতামূলক, আর দোকানের বাকির চক্রই এই ব্যবসার আসল বাধা।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

বিস্কুট ও চিপস তৈরি
- শুরুর পুঁজি
- ৳৪,০০,০০০ – ৳৪০,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ৪ – ৩০ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৪৫ – ১০০ দিন সরকারি সূত্র
- খরচ উঠতে
- ৬ – ১৮ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
ময়দা, চিনি ও তেল দিয়ে বিস্কুট, টোস্ট ও চিপস বানিয়ে প্যাকেট করে বিক্রি করার কারখানা। বাজারে পণ্যটা সস্তা দেখায়, কিন্তু কাঁচামাল আর দোকানের দরের মাঝখানে ফাঁকটা বেশ চওড়া। ঢাকায় খোলা ময়দা কেজি ৳৬৫–৭০, প্যাকেট ৳৭৫–৮৫, চিনি খুচরা ৳১১০–১১৫ আর পাইকারি ৳১০২–১০৩। অন্যদিকে দোকানে অলিম্পিক মিল্ক মেরি ২০০ গ্রাম ৳৫০, এনার্জি প্লাস ১৮৫ গ্রাম ৳৫০, ইস্পাহানি প্রিমিয়াম টোস্ট ১৮৫ গ্রাম ৳৫০ — অর্থাৎ কেজি ধরলে ৳২৫০–২৭০। চিপসে ফাঁকটা আরও বড়: প্রাণ পটেটো ক্র্যাকার ১৫ গ্রাম ৳১০ আর সান চিপস ৭৫ গ্রাম ৳৬০, অর্থাৎ কেজি ৳৬৬৭–৮০০, অথচ আলুর দাম কেজি ৳২৫–৩০। কিন্তু এই ফাঁকটা পুরোটা লাভ নয় — চিনি, তেল, গ্যাস, মোড়ক, পরিবহন আর দোকানির কমিশন সবই এর ভেতর থেকে যায়। আসল সমস্যা টাকার নয়, সময়ের। বিস্কুট যায় দোকানে বাকিতে, ফেরত আসে অবিক্রীত প্যাকেট, আর টাকা আসে পরের চালানের সঙ্গে। নিয়মও কড়া: বিস্কুট (বিডিএস ৩৮৩), ওয়েফার বিস্কুট (বিডিএস ১০০১), চিপস ও ক্র্যাকার (বিডিএস ১৫৫৬) আর পটেটো চিপস (বিডিএস ১৯২৭) — সবই বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক পণ্য। মোড়কে লেখা ওজনের চেয়ে কম দিলেও জরিমানা হয়: ২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে নাবিস্কোকে সেই দায়ে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৩,৫০,০০০ – ৳৪০,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳২৫০ – ৳৮০০ / কেজি | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳২১২ – ৳৫৬০ / কেজি | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ১৫% – ৩০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৪৫ – ১০০ দিন | সরকারি সূত্র | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৬ – ১৮ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ১৫ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ১২% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১৫০ – ২,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- খামির মাখার মেশিন, রোলার ও কাটার, ওভেন বা ভাজার কড়াই, ঠান্ডা করার কনভেয়ার, ওজন মাপার যন্ত্র ও প্যাকিং-সিলিং মেশিন। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ৳১,৫৮৫ (বিইআরসি, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬)। যন্ত্রের দেশীয় দর যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
- ময়দা খোলা ৳৬৫–৭০ ও প্যাকেট ৳৭৫–৮৫ প্রতি কেজি, চিনি ৳১১০–১১৫ খুচরা ও ৳১০২–১০৩ পাইকারি, সুপার পাম তেল ৳১৭০–১৭৫, আলু ৳২৫–৩০ (১৫-০৯-২০২৬)। সঙ্গে বেকিং পাউডার, লবণ, রঙ ও ফ্লেভার।শুরুর মাল
- মোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ — বিএসটিআই। মোড়কে ঘোষিত ওজনের সঙ্গে প্রকৃত ওজন মিলতে হবে; না মিললে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা।লাইসেন্স
- নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন ও প্রিমিসেস লাইসেন্স — ৳১,০০০ নতুন, ৳৫০০ নবায়ন, তিন বছর মেয়াদ।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০, ৩–৫ কার্যদিবস।লাইসেন্স
- বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স — বিস্কুট (বিডিএস ৩৮৩:২০০১), ওয়েফার বিস্কুট (বিডিএস ১০০১:২০১০), চিপস ও ক্র্যাকার (বিডিএস ১৫৫৬:২০১৭) এবং পটেটো চিপস (বিডিএস ১৯২৭:২০১৭) বাধ্যতামূলক তালিকাভুক্ত। আবেদন ফি ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, বছরে লাইসেন্স ফি ৳২০০, মার্কিং ফি সর্বনিম্ন ৳১,৮৭৫।লাইসেন্স
- খামিরের অনুপাত আর ওভেনের তাপ-সময় ধরা। বেশি সময় দিলে বিস্কুট পুড়ে যায়, কম দিলে ভেতরে নরম থাকে আর মেয়াদের আগেই নষ্ট হয়।দক্ষতা
- ময়দা-চিনি-তেলের পাইকারি সরবরাহকারী, এলপিজি ডিলার, আর মোড়ক ছাপার প্রতিষ্ঠান।সরবরাহকারী
- পাকা মেঝে ও নালাসহ আলাদা উৎপাদন কক্ষ, ঠান্ডা করার জায়গা, শুকনো ও পোকামুক্ত মজুত ঘর, আর প্যাকিংয়ের আলাদা টেবিল।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন কী বানাবেন — শুকনো বিস্কুট ও টোস্ট, ক্রিম বিস্কুট, নাকি ভাজা চিপস। ওভেনের ব্যবসা আর ভাজার ব্যবসা আলাদা; যন্ত্র, গ্যাসের খরচ ও কারিগর দুটোতেই ভিন্ন।
- 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং এনবিআর থেকে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন করুন।
- 3নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন ও খাদ্যপণ্যের প্রিমিসেস লাইসেন্স নিন — ৳১,০০০ নতুন, ৳৫০০ নবায়ন, তিন বছর মেয়াদ।
- 4বিএসটিআইয়ে সিএম লাইসেন্স ও মোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদের জন্য আবেদন করুন। বিস্কুট (বিডিএস ৩৮৩), ওয়েফার বিস্কুট (বিডিএস ১০০১), চিপস ও ক্র্যাকার (বিডিএস ১৫৫৬) এবং পটেটো চিপস (বিডিএস ১৯২৭) বাধ্যতামূলক পণ্য। আবেদন ফি ৳১,০০০, বছরে লাইসেন্স ফি ৳২০০।
- 5কারখানা সাজান: খামির মাখার মেশিন, রোলার ও কাটার, ওভেন বা ভাজার কড়াই, ঠান্ডা করার কনভেয়ার, ওজন মাপার যন্ত্র আর প্যাকিং-সিলিং মেশিন। গ্যাসের খরচ বড় — ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ৳১,৫৮৫।
- 6কাঁচামালের সরবরাহকারী ঠিক করুন। ঢাকায় খোলা ময়দা ৳৬৫–৭০, প্যাকেট ৳৭৫–৮৫, চিনি খুচরা ৳১১০–১১৫ ও পাইকারি ৳১০২–১০৩, সুপার পাম তেল ৳১৭০–১৭৫ খুচরা ও পাম তেল ৳১৬৩–১৬৪ পাইকারি, আলু ৳২৫–৩০ (১৫-০৯-২০২৬)।
- 7ওজন মেপে প্যাকেট করুন আর মোড়কের সামনে-পেছনে একই ওজন লিখুন। ২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে নাবিস্কো বিস্কুট অ্যান্ড ব্রেড ফ্যাক্টরিকে ঘোষিত ওজনের চেয়ে কম দেওয়ার আর মোড়কের দুই পাশে ভিন্ন ওজন লেখার দায়ে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
- 8পাড়ার মুদিদোকান ও চায়ের দোকান দিয়ে শুরু করুন, তারপর পাইকারি আড়তে যান। শুরুতেই বড় এলাকা ধরতে গেলে বাকির টাকা সামলানো যায় না।
- 9প্রতিটি দোকানের বাকির হিসাব আলাদা খাতায় রাখুন আর নতুন চালান দেওয়ার আগে আগের টাকা বুঝে নিন। ফেরত আসা মালের হিসাবও একই খাতায় লিখুন।
- 10শীতের পিকনিক মৌসুম আর রোজায় চাহিদা বাড়ে, তাই তার আগে উৎপাদন ও মজুত বাড়ান। বর্ষায় আর্দ্রতায় বিস্কুট নেতিয়ে যায়, তখন মজুত কম রাখুন।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইকম
- আগস্টকম
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীবগুড়া · খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের পুরোনো কেন্দ্র, গমের এলাকা কাছেই, আর উত্তরবঙ্গে বিতরণের ঘাঁটি হিসেবে ভালো।
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দরের কাছে বলে আমদানি করা ময়দা, তেল ও মোড়ক দ্রুত মেলে; ওয়েলফুড ও বনফুলের মতো বড় প্রতিষ্ঠান এখান থেকেই সারা দেশে যায়।
- খুব উপযোগীঢাকা · সবচেয়ে বড় ভোক্তাবাজার আর তেজগাঁও-পুরান ঢাকায় পুরোনো বিস্কুট শিল্পাঞ্চল; কাঁচামাল ও মোড়কের সরবরাহও এখানেই সবচেয়ে সহজ।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · শিল্পাঞ্চল, জমি ও শ্রমিক দুটোই মেলে আর ঢাকার বাজার হাতের নাগালে।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঘন বসতি ও কারখানার শ্রমিকদল; ঢাকার আড়তে দ্রুত মাল পৌঁছানো যায়।
- সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়ক ধরে ঢাকা ও চট্টগ্রাম দুদিকেই বিতরণ করা যায়।
- সম্ভবযশোর · দক্ষিণ-পশ্চিমের বিতরণকেন্দ্র; খুলনা, সাতক্ষীরা ও ঝিনাইদহের বাজার ধরা যায়।
- সম্ভবময়মনসিংহ · বড় জনসংখ্যা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভিড়; ক্যান্টিন ও চায়ের দোকানে নিয়মিত বিক্রি হয়।
- সম্ভবরংপুর · শ্রমিকের মজুরি কম আর গমের এলাকা কাছে; তবে পরিবহন খরচ বেশি।
- সম্ভবসিলেট · শহরের চাহিদা ভালো আর প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি; তবে কাঁচামাল আনতে হয় দূর থেকে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিবাকিতে বিক্রি: বিস্কুট দোকানে যায় বাকিতে, টাকা আসে পরের চালানের সঙ্গে, আর অবিক্রীত ও মেয়াদ ফুরানো প্যাকেট ফেরত নিতে হয়। অথচ ময়দা, চিনি, তেল, গ্যাস ও শ্রমিকের মজুরি নগদে দিতে হয়। এই ব্যবধানই কারখানা বন্ধ করে দেয় — উৎপাদন ঠিকঠাক চললেও বাজারে আটকে থাকা টাকার পরিমাণ বাড়তে বাড়তে নতুন ব্যাচ বানানোর টাকা থাকে না।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: বিএসটিআইয়ের ভ্রাম্যমাণ আদালত ঢাকার শিল্প এলাকাগুলোতে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই অভিযান চালায়। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে তেজগাঁও শিল্প এলাকায় মেসার্স নিউ ব্রাইট স্টার ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিকে সিএম লাইসেন্স ছাড়া চানাচুর উৎপাদন ও বিক্রির দায়ে বিএসটিআই আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ৳৩০,০০০ জরিমানা করা হয় এবং কারখানার পরিবেশ উন্নত করে লাইসেন্স নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বড় প্রতিষ্ঠানও ছাড় পায় না — ২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে নাবিস্কোকে ওজনে কম দেওয়ার দায়ে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
- বেশিনির্ভরশীলতা: লাভ সরাসরি ময়দা, চিনি ও ভোজ্যতেলের দামের উপর। এক বছরে প্যাকেট ময়দার দাম বেড়েছে ১৪.৩ শতাংশ আর খোলা সয়াবিন তেলের ১১.৪ শতাংশ। কিন্তু বিস্কুটের মোড়কে দাম ছাপা থাকে, তাই দাম বাড়ানো সহজ নয় — উৎপাদকেরা তখন প্যাকেটের ওজন কমান, আর সেটা ধরা পড়লেই জরিমানা।
- মাঝারিনষ্ট হওয়া: বর্ষায় আর্দ্রতায় বিস্কুট নেতিয়ে যায় আর চিপস নরম হয়ে পড়ে। মোড়ক ঠিকমতো সিল না হলে বাতাস ঢুকে মাল নষ্ট হয়, আর সেই প্যাকেট দোকান থেকে ফেরত আসে। ভাজার তেল বারবার ব্যবহার করলে স্বাদ বদলায় আর ধরা পড়লে নিরাপদ খাদ্য আইনে জরিমানা।
- মাঝারিচাহিদা: বাজারে বড় ব্র্যান্ডের ভিড় — অলিম্পিক, প্রাণ, বোম্বে সুইটস, ইস্পাহানি, ড্যানিশ, হক। দোকানের তাকে জায়গা পেতে হলে দোকানিকে বেশি লাভ দিতে হয় বা বাকির মেয়াদ বাড়াতে হয়, আর সেই দুটোই আপনার মার্জিন কমায়।
সূত্র
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · ঢাকা মহানগর
LPG price cut by Tk 13, 12kg cylinder now Tk 1,585 (BERC, কার্যকর ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
সংগ্রহ: ২ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
All food businesses now need safety registration
সংগ্রহ: ২২ জুল, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
কাঁঠালের বিস্কুট দিনে ২০–২৫ কেজি, কেজি ৮৫০ টাকা — বিএসটিআইয়ের তালিকাতেই নেই
দুই মাসের পরীক্ষামূলক উৎপাদনে দিনে ২০–২৫ কেজি বিস্কুট বিক্রি হচ্ছে, এক কেজির বাক্স ৮৫০ টাকা। ক্রেতারা বলছেন বেশি মিষ্টি ও ভঙ্গুর, আর বিএসটিআই বলছে কাঁঠালের বিস্কুট তাদের বিস্কুটের মানের তালিকাতেই নেই।
- চলেছে
- ২ মাস
- কারণ
- আইনি জটিলতা, চাহিদা কম
একই রকম আরও ব্যবসা
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণচা প্যাকেজিং ও ব্র্যান্ডিং
নিলাম থেকে খোলা চা কিনে মিশিয়ে নিজের নামে প্যাকেট করা। ২০২৬-২৭ নিলামবর্ষে চট্টগ্রামে গড় দর ৳২৮০.৮৮ কেজি, আর দোকানে প্যাকেট চা ৳৪২৮–৬৫০।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৫০ লাখ
- জনবল
- ২ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১০০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণফ্রোজেন পরোটা ও সমুচা
কাঁচা পরোটা, সমুচা ও শিঙাড়া বানিয়ে জমিয়ে প্যাকেটে বিক্রি। খুচরায় পরোটা পিস ৳১২.৫–১৯, মিনি সমুচা ৳৮.৬–৯.৪। কারখানা থেকে দোকান পর্যন্ত ঠান্ডার শিকলই এই ব্যবসার আসল শর্ত।
- পুঁজি
- ৳৩ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ৯০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণছোট রেস্টুরেন্ট
৩০০–৫০০ বর্গফুটের ভাতের হোটেল। প্রতিদিন নগদ টাকা আসে, কিন্তু কাঁচামালেই যায় বিক্রির ৩৫–৫০ শতাংশ আর চালু করতে ৬টি কাগজ লাগে।
- পুঁজি
- ৳৩ লাখ – ৳৬ লাখ
- জনবল
- ৩ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ১২০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণবিরিয়ানির দোকান
কাচ্চি, তেহারি ও মোরগ পোলাও প্লেট ধরে বিক্রি। খরচের প্রায় পুরোটাই মাংস — এক ডেকচি শাহি মাটন কাচ্চির কাঁচামালেই ৳১৩,২৬৫–১৫,০৫৪ যায়।
- পুঁজি
- ৳৩ লাখ – ৳২৫ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
