মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

সিসিটিভি স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ

ক্যামেরা বসানো ও রক্ষণাবেক্ষণ। ক্যামেরা ৳৭৯৯–৬,৪৩৮ আর এনভিআর ৳৪,৪০০–৪১,৯৯০ — মাল সস্তা বলে বসানোয় লাভ কম, আসল আয় বাৎসরিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তিতে।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
সিসিটিভি স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ

সিসিটিভি স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ

শুরুর পুঁজি
৳৮০,০০০ – ৳৬,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
২ – ৮ জন
প্রথম বিক্রি
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৪ – ৮ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ঘুরে ঘুরে সেবা · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

দোকান, অফিস, কারখানা, স্কুল আর বাসাবাড়িতে ক্যামেরা বসানো, তার টানা, রেকর্ডার ও হার্ডডিস্ক লাগানো এবং মোবাইলে ছবি দেখার ব্যবস্থা করে দেওয়া। ক্যামেরার দাম এখন আর বাধা নয় — ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাজারে ওয়াই-ফাই ক্যামেরা ৳৭৯৯ থেকে শুরু, হিকভিশনের ৬ মেগাপিক্সেল কালারভিউ বুলেট ক্যামেরা ৳৬,৪৩৮, চার চ্যানেলের এনভিআর ৳৪,৪০০–৪,৯০০ আর ৩২ চ্যানেলের ৳১৮,৯৯৯–৪১,৯৯০। মাল সস্তা হওয়ায় বসানোর কাজেও লাভ কমে গেছে — একই এলাকায় দশজন একই দর হাঁকে, আর কাজ পায় যে সবচেয়ে কম বলে সে। আসল টাকা এক দিনের বসানোর কাজে নয়। ক্যামেরা বসানোর ছয় মাস পর লেন্সে ধুলো জমে, তার ইঁদুরে কাটে, বিদ্যুতের ঝাপটায় পাওয়ার সাপ্লাই যায়, আর সবচেয়ে বড় কথা — হার্ডডিস্ক নীরবে মরে যায়। চুরি হওয়ার দিন মালিক রেকর্ডার খুলে দেখেন গত তিন মাসের কিছুই রেকর্ড হয়নি। যে কারিগর প্রতি মাসে বা প্রতি তিন মাসে গিয়ে সব দেখে আসার চুক্তি করতে পারেন, তাঁর আয় বারো মাসই থাকে, আর নতুন কাজও তাঁর হাত ধরেই আসে। বসানোর কাজ একবারের, রক্ষণাবেক্ষণের চুক্তি সারা জীবনের — এই লাইনে টিকে থাকার পুরো হিসাব এটাই।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৬০,০০০ – ৳৪,৫০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳১,৫০০ – ৳৯,০০০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
পরিবর্তনশীল খরচ৳৭৯৯ – ৳৬,৪৩৮ / এককবাজারদর
মোট লাভের হার২৮% – ৪৭%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৭ – ৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৪ – ৮ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ৬০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৩% – ৮%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৪ – ৩০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • মই, ড্রিল মেশিন, ক্রিম্পিং টুল, নেটওয়ার্ক কেবল টেস্টার, ছোট টেস্ট মনিটর, তারের রিল আর যাতায়াতের জন্য মোটরসাইকেল বা ভ্যান।যন্ত্রপাতি
  • ক্যামেরা ও রেকর্ডার। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর বাজারদর: ওয়াই-ফাই ক্যামেরা ৳৭৯৯–২,৯৯৯, হিকভিশন ৬ মেগাপিক্সেল আইপি বুলেট ৳৬,৪৩৮; ৪ চ্যানেল এনভিআর ৳৪,৪০০–৪,৯০০, ৮ চ্যানেল ৳৫,৩০০–৬,৫০০, ১৬ চ্যানেল ৳৮,৫০০, ৩২ চ্যানেল ৳১৮,৯৯৯–১৯,৩০০, ৬৪ চ্যানেল ৳৮৪,৯৯৪।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কর্মদিবসে দেয়।লাইসেন্স
  • টিআইএন ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভ্যাট নিবন্ধন — এনবিআর। অফিস, স্কুল ও কারখানার কাজে চালান ও বিল ছাড়া টাকা পাওয়া যায় না।লাইসেন্স
  • তার টানা ও কানেক্টর লাগানো, ক্যামেরার কোণ ও আলো বোঝা, রেকর্ডার কনফিগার করা, আইপি ঠিকানা ও রাউটারের পোর্ট বোঝা, আর মোবাইল অ্যাপে দূর থেকে দেখার ব্যবস্থা করা।দক্ষতা
  • ক্যামেরা ও রেকর্ডারের আমদানিকারক বা পাইকারি দোকান, আর ওয়ারেন্টির দায়িত্ব কে নেবে তার স্পষ্ট বোঝাপড়া। কেবল, কানেক্টর, পাওয়ার সাপ্লাই ও হার্ডডিস্কের আলাদা সরবরাহকারী।সরবরাহকারী

কাজের ধাপ

  1. 1কাজ শিখে নিন — তার টানা, ক্যামেরার কোণ ঠিক করা, রেকর্ডার কনফিগার করা, রাউটারে পোর্ট খোলা আর মোবাইল অ্যাপ সেট করা। এর কোনোটা না জানলে খদ্দেরের বাসায় গিয়ে আটকে যেতে হয়।
  2. 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, এনবিআর থেকে টিআইএন আর প্রয়োজনে ভ্যাট নিবন্ধন করান। অফিস ও স্কুলের কাজ পেতে চালান ও বিল লাগবে।
  3. 3ঢাকার এলিফ্যান্ট রোড, আইডিবি ভবন বা চট্টগ্রামের নন্দনকানন এলাকার আমদানিকারক ও পাইকারি দোকানের সঙ্গে সম্পর্ক করুন। মাল কম দামে পেলে দর হাঁকায় জেতা যায়।
  4. 4কোন ব্র্যান্ডের ওয়ারেন্টি কে দেয় আর কতদিনের, তা লিখে রাখুন। ক্যামেরা নষ্ট হলে খদ্দের আপনাকেই ধরবে, আমদানিকারককে নয়।
  5. 5যন্ত্রপাতি গুছিয়ে নিন — মই, ড্রিল, ক্রিম্পিং টুল, নেটওয়ার্ক টেস্টার, ছোট মনিটর বা টেস্ট স্ক্রিন, আর তারের রিল।
  6. 6প্রতিটি কাজের আগে জায়গা দেখে কোটেশন দিন — কয়টা ক্যামেরা, কত ফুট তার, কয় চ্যানেলের রেকর্ডার, কত টিবি হার্ডডিস্ক আর কতদিনের রেকর্ড রাখতে হবে। এই হিসাব না করে দর বললে নিজের টাকা চলে যায়।
  7. 7কাজ শেষে খদ্দেরকে হাতে ধরে দেখিয়ে দিন — কীভাবে ছবি দেখতে হয়, কীভাবে পুরনো ফুটেজ বের করতে হয়। যে খদ্দের নিজে চালাতে পারেন না, তিনি প্রতি সপ্তাহে ফোন করেন।
  8. 8কাজ শেষ হওয়ার দিনই রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তির কথা বলুন — বছরে কতবার যাবেন, কী কী দেখবেন, আর কী কী দামের মধ্যে নেই। পরে বললে খদ্দের রাজি হন না।
  9. 9চুক্তির প্রতিটি সফরে হার্ডডিস্ক আসলেই রেকর্ড করছে কি না পরীক্ষা করুন, লেন্স মুছুন, তার দেখুন আর পাওয়ার সাপ্লাই পরীক্ষা করুন। হার্ডডিস্ক নীরবে মরে যায় আর সেটাই সবচেয়ে বড় ধরা।
  10. 10খদ্দেরের ফুটেজ ও পাসওয়ার্ড নিয়ে নিজের নিয়ম ঠিক করুন — কে দেখতে পারবে, কতদিন রাখা হবে, আর হস্তান্তরের সময় পাসওয়ার্ড বদলে দেওয়া হবে কি না। এই এক জায়গায় ভুল হলে ব্যবসা শেষ।
  11. 11পুরনো খদ্দেরের তালিকা ধরে বছরে অন্তত একবার ফোন করুন। নতুন কাজের সবচেয়ে সস্তা উৎস পুরনো খদ্দেরের পাশের দোকান।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দর, গুদাম ও আমদানি-রপ্তানি প্রতিষ্ঠানে ক্যামেরার চাহিদা বেশি, আর বন্দরের কারণে মালও আগে পৌঁছায়।
  • খুব উপযোগীঢাকা · দোকান, অফিস ও ফ্ল্যাট ভবনের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি; এলিফ্যান্ট রোড ও আইডিবি ভবনে আমদানিকারক ও পাইকারি দোকান, তাই মাল হাতের কাছে।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · পোশাক কারখানার বলয় — ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের অডিটে ক্যামেরা লাগে, আর কারখানা নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তিতে অভ্যস্ত।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · কারখানা, গুদাম ও পাইকারি বাজার ঘন; ঢাকার সরবরাহ হাতের কাছে।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র — দোকান ও গুদামে চাহিদা, আর আশপাশের জেলার কাজও এখান থেকে ধরা যায়।
  • সম্ভবকক্সবাজার · হোটেল ও রিসোর্টে অনেক ক্যামেরা, আর পর্যটন মৌসুমে নিরাপত্তার চাপ বেশি।
  • সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়কের দোকান, পেট্রোল পাম্প ও গুদামে চাহিদা; ইপিজেড ও কারখানাও আছে।
  • সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহরের অফিস, ব্যাংক শাখা ও ক্লিনিকে চাহিদা আছে; মাল ঢাকা থেকে আনতে হয়।
  • সম্ভবরাজশাহী · শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি হাসপাতালের কাজ পাওয়া যায়।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী মালিকদের বাড়ি ও দোকানে দূর থেকে দেখার ব্যবস্থার চাহিদা বেশি — এটাই এখানকার আলাদা বাজার।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচাহিদা: মাল সস্তা হয়ে যাওয়ায় বসানোর কাজে প্রতিযোগিতা প্রচণ্ড। ৳৭৯৯-এর ওয়াই-ফাই ক্যামেরা এখন খদ্দের নিজেই কিনে লাগিয়ে ফেলতে পারেন, আর একই এলাকায় দশজন একই কাজের দর দেয়। যিনি শুধু বসানোর কাজ ধরেন, তাঁর লাভ প্রতি বছর কমতেই থাকে। যিনি রক্ষণাবেক্ষণের চুক্তি ধরতে পারেন, তাঁর আয় বারো মাস থাকে।
  • বেশিবাকিতে বিক্রি: মাল কিনতে হয় নগদে, কিন্তু অফিস, স্কুল ও ভবন সমিতি টাকা দেয় বিল পাস হওয়ার পর। বিশ-ত্রিশটা ক্যামেরার একটা কাজে লাখ টাকার মাল আগে কিনে ফেলতে হয়, আর সেই টাকা মাসের পর মাস আটকে থাকলে পরের কাজ ধরা যায় না। ভবন সমিতির ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেন অনেকজন, তাই টাকা আরও দেরিতে আসে।
  • মাঝারিনির্ভরশীলতা: ক্যামেরা, রেকর্ডার ও হার্ডডিস্ক সবই আমদানি করা। ডলারের দর বা শুল্ক বদলালে মাসের মধ্যে দাম বদলে যায়, আর আগে দেওয়া কোটেশন তখন লোকসানে দাঁড়ায়। আমদানিকারক ওয়ারেন্টি অস্বীকার করলে নষ্ট ক্যামেরা নিজের টাকায় বদলাতে হয়।
  • বেশিঅন্যান্য: সবচেয়ে বড় দায় ফুটেজ নিয়ে। বসানোর সময় কারিগর রেকর্ডারের পাসওয়ার্ড ও দূর থেকে দেখার ব্যবস্থা দুটোই জানেন। খদ্দেরের ভেতরের ছবি বাইরে গেলে সন্দেহ প্রথমে তাঁর উপরেই পড়ে, আর একবার ওই কথা এলাকায় ছড়ালে ব্যবসা আর দাঁড়ায় না। হস্তান্তরের সময় পাসওয়ার্ড বদলে খদ্দেরকে বুঝিয়ে দেওয়া ছাড়া নিজেকে বাঁচানোর উপায় নেই।
  • মাঝারিঅন্যান্য: হার্ডডিস্ক নীরবে নষ্ট হয়। ক্যামেরার লাল বাতি জ্বলে, ছবিও দেখা যায়, কিন্তু রেকর্ড হয় না — আর সেটা ধরা পড়ে চুরির দিন, যেদিন মালিক ফুটেজ খুঁজতে যান। দোষটা তখন যন্ত্রের নয়, বসানো লোকটার ঘাড়ে পড়ে। নিয়মিত পরীক্ষার চুক্তি না থাকলে এই দিন আসবেই।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা কাজ করেছেস্বদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে ঢাকার বায়তুল মোকাররম মার্কেটের একজন সিসি ক্যামেরা ব্যবসায়ী

ক্যামেরার দাম ১৫ হাজার থেকে নেমে হাজার টাকায়, বেড়েছে বাসাবাড়ির ক্রেতা

ডিভিআরসহ চার ক্যামেরার সেটআপে ক্রেতার খরচ ২০–২২ হাজার টাকা, ঢাকার কাছাকাছি স্থাপনের ফি ৩০০–৫০০ টাকা; বছরে ৬–৭ লাখ ক্যামেরা বিক্রি হয়, প্রায় পুরোটাই আমদানি করা।

কারণ
চাহিদা কম, ভালো জায়গা

একই রকম আরও ব্যবসা

ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

অ্যাপ তৈরির সেবা

মোবাইল অ্যাপ বানিয়ে দেওয়ার কাজ। পুঁজি একটা কম্পিউটার, ইন্টারনেট আর বিদ্যুৎ; বাড়তি খরচ গুগল প্লেতে এককালীন ২৫ ডলার আর অ্যাপলে বছরে ৯৯ ডলার। ব্যক্তি ফ্রিল্যান্সারের নগদ সহায়তা ২.৫০%, প্রতিষ্ঠানের ৬%।

পুঁজি
৳৬৩ হাজার – ৳১.৭ লাখ
জনবল
১ – ৮ জন
প্রথম আয়
১৮০ – ২৭০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

ভিডিও এডিটিং সেবা

পণ্যের ভিডিও ও কনটেন্ট সম্পাদনা করে দেওয়ার সেবা। খদ্দের প্রস্তুত — পাঠাওয়ে ২ লাখ ও স্টেডফাস্টে ৩ লাখ অনলাইন মার্চেন্ট; মূল পুঁজি একটি সম্পাদনার কম্পিউটার।

পুঁজি
৳৬২ হাজার – ৳২.৫ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৯০ – ৩৬৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

অনলাইন গ্রোসারি ডেলিভারি

অ্যাপ বা পেজে অর্ডার নিয়ে মুদি বাজার বাসায় পৌঁছে দেওয়া। চিনিতে লাভ ৭%, বোতলজাত তেলে প্রায় শূন্য — এই পাতলা লাভের ভেতর থেকেই ডেলিভারির খরচ বের করতে হয়।

পুঁজি
৳১ লাখ – ৳৮ লাখ
জনবল
২ – ১০ জন
প্রথম আয়
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

সফটওয়্যার ও অ্যাপ রিসেলিং

ছোট দোকানে পিওএস ও হিসাবের সফটওয়্যার বসিয়ে দেওয়ার কাজ। প্রতিযোগী বিনা মূল্যের অ্যাপ — টালিখাতায় নিবন্ধিত প্রায় ৪৭ লাখ ব্যবসায়ী; তাই আয় আসে যন্ত্র ও সেবা থেকে।

পুঁজি
৳৬০ হাজার – ৳২.৫ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৭ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
সিসিটিভি স্থাপনের ব্যবসা: ক্যামেরার দাম ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি · আয়-রোজগার