মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

শুঁটকি প্রক্রিয়াজাত

কাঁচা মাছ কিনে তিন-চার দিন রোদে শুকিয়ে শুঁটকি বিক্রি। ডিসেম্বর ২০২৫-এ দর ছিল পোয়া ৳৫০০–৮০০ থেকে রূপচাঁদা ৳১৮০০–২৫০০ কেজি; কীটনাশক ছাড়া শুকানোই রপ্তানির শর্ত।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
শুঁটকি প্রক্রিয়াজাত

শুঁটকি প্রক্রিয়াজাত

শুরুর পুঁজি
৳৫০,০০০ – ৳৫,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
৩ – ৩০ জন
প্রথম বিক্রি
৪ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
২ – ৬ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

সাগর বা হাওরের কাঁচা মাছ কিনে রোদে শুকিয়ে শুঁটকি বানিয়ে বিক্রি করার কাজ। কক্সবাজারের নাজিরারটেকে বালুচরে বাঁশের মাচায় মাছ তিন থেকে চার দিন রোদে শুকিয়েই শুঁটকি হয় — এর বাইরে আর কোনো কৌশল নেই, পুরোটাই রোদ, বাতাস আর হাতের কাজ। প্রায় একশ একর জায়গা জুড়ে এই একটি মহালেই দিনে ২০০ টন শুঁটকি হয়, কাজ করেন প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক, যাদের বেশির ভাগই নারী, আর যুক্ত আছেন প্রায় দুই হাজার ব্যবসায়ী। মৌসুম নভেম্বর থেকে জুলাই, তবে আসল উৎপাদন নভেম্বর থেকে এপ্রিলের শুকনা সময়ে। দাম মাছের ধরন অনুযায়ী আকাশ-পাতাল: ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে পোয়া ৫০০–৮০০ টাকা কেজি, লইট্যা ১০০০–১৪০০, ছুরি ৮০০–১৮০০, কোরাল ১৫০০–১৯০০ আর রূপচাঁদা ১৮০০–২৫০০ টাকা। বিদেশেও চাহিদা আছে — হংকং, মালয়েশিয়া আর ইন্দোনেশিয়ায় পোয়া শুঁটকি যায়। কিন্তু একটা সমস্যা এই ব্যবসার গায়ে লেগে আছে: মাছিতে ডিম পাড়া আর পোকা ঠেকাতে অনেকে কাঁচা মাছে কীটনাশক ছিটিয়ে দেন। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ২৩ ধারায় ডি.ডি.টি.-সহ কীটনাশক খাদ্যে ব্যবহার সরাসরি নিষিদ্ধ, আর ওই ধারার অপরাধ আমলযোগ্য ও অজামিনযোগ্য। যে মহাল কীটনাশক ছাড়া শুকাতে পারে, সেই মহালই রপ্তানির বাজারে টিকবে।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৯০,০০০ – ৳২০,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৫০০ – ৳২,৫০০ / কেজিবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳৪০০ – ৳১,৭০০ / কেজিসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার২০% – ৩২%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৪ – ৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়২ – ৬ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৭ – ৪০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৫% – ১৫%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১০০ – ৪,০০০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • বাঁশের মাচা, মাছ ধোয়ার পানি ও চৌবাচ্চা, লবণ, ঢাকার জাল বা নেট, ওজনের পাল্লা আর বস্তা। গ্রিনহাউস ড্রায়ার ও মেকানিক্যাল ড্রায়ারও এখন আছে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে কক্সবাজার সদরে ৩৫০টি গ্রিনহাউস ড্রায়ার ও ৩০টি মেকানিক্যাল ড্রায়ার বসানোর কথা ছিল।যন্ত্রপাতি
  • কাঁচা মাছ কেনার নগদ টাকা। ট্রলার ফেরার দিনে একসঙ্গে অনেক মাছ ওঠে আর তখনই নগদে কিনতে হয় — এই টাকাই ব্যবসার মূল চাপ।শুরুর মাল
  • বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন — খাদ্য প্রক্রিয়াকরণকারী হিসেবে। নতুন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ ৩ বছর (খাদ্য নিরাপদ (নিবন্ধন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬)।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
  • কোন মাছ কত দিনে শুকাবে আর কতটা লবণ লাগবে তা বোঝা, আর আকাশ দেখে সেদিন মাছ পাতা যাবে কি না ঠিক করা।দক্ষতা
  • জেলে বা মাছের আড়তের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক, লবণের সরবরাহকারী, আর মৌসুমি শ্রমিকের দল।সরবরাহকারী
  • খোলা বালুচর বা রোদ-বাতাস পাওয়া জমি, আর শুকনা মাল রাখার একটি ঢাকা ঘর। নাজিরারটেকের মহাল প্রায় একশ একর জায়গা জুড়ে, সেখানে ছোট ছোট অংশ ভাড়ায় মেলে।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1মহালের জায়গা ঠিক করুন — খোলা বালুচর বা রোদ-বাতাস পাওয়া উঁচু জমি। ছায়া পড়লে মাছ শুকায় না আর পচে যায়।
  2. 2কোন মাছ শুকাবেন তা আগেই ঠিক করুন। পোয়া সস্তা কিন্তু রপ্তানি হয়, রূপচাঁদা-কোরালে দাম বেশি কিন্তু কাঁচা মাছও দামি।
  3. 3জেলে বা মাছের আড়তের সঙ্গে নিয়মিত কাঁচা মাছ পাওয়ার ব্যবস্থা করুন। গভীর সাগরের মাছ ট্রলার ফিরলে একসঙ্গে অনেক আসে, তখন টাকা হাতে থাকতে হয়।
  4. 4বাঁশের মাচা বানান — মাটি থেকে উঁচুতে, যাতে বালু-ময়লা না লাগে আর নিচ দিয়ে বাতাস যায়।
  5. 5ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণকারী হিসেবে নিবন্ধন করুন।
  6. 6মাছ ধুয়ে, লবণ দিয়ে মাচায় সাজিয়ে ৩–৪ দিন রোদে শুকান। মাঝে উল্টে দিতে হয়, নইলে একপাশ ভেজা থেকে যায়।
  7. 7পোকা ঠেকাতে কীটনাশক ছিটাবেন না। বদলে জাল বা নেট দিয়ে ঢাকুন, লবণ ঠিকমতো দিন আর শুকনো মাছ দ্রুত বস্তাবন্দি করুন।
  8. 8শুকনা শুঁটকি ওজন করে ধরন অনুযায়ী আলাদা বস্তায় ভরুন। মিশিয়ে ফেললে পুরোটাই কম দামি মাছের দরে বিক্রি হয়।
  9. 9চট্টগ্রাম ও ঢাকার আড়তে পাইকারের সঙ্গে দর ঠিক করুন, আর বাকির শর্ত লিখে রাখুন।
  10. 10রপ্তানি করতে চাইলে মৎস্য অধিদপ্তরে গিয়ে জেনে নিন কী অনুমোদন ও পরীক্ষা লাগে — এই তথ্য এখানে যাচাই করা যায়নি, তাই নিজে অফিসে গিয়ে জানতে হবে।
  11. 11বর্ষার আগে মৌসুম গুটিয়ে আনুন। অগাস্ট-সেপ্টেম্বরে রোদ না থাকলে শুকানো যায় না, আর ভেজা মাছ পুরোটাই নষ্ট।

মৌসুম

  1. জানুবেশি
  2. ফেব্রুবেশি
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টকম
  9. সেপ্টেকম
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · নিকটতম বড় পাইকারি বাজার ও বন্দর; কক্সবাজারের শুঁটকির বড় অংশ এখান দিয়েই দেশের বাকি অংশে ও বিদেশে যায়।
  • খুব উপযোগীকক্সবাজার · দেশের সবচেয়ে বড় শুঁটকি কেন্দ্র নাজিরারটেক এখানেই — প্রায় একশ একর, দিনে ২০০ টন, অর্ধশতাধিক আড়ত ও প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক। নুনিয়ারছড়া, খুরুশকুল, চৌফলদণ্ডী, সোনাদিয়া, মহেশখালী, উখিয়া, কুতুবদিয়া, টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে আরও তিন শতাধিক মহাল।
  • সম্ভববরগুনা · সাগরমুখী মৎস্য অবতরণকেন্দ্র আছে, আর শ্রমিকের মজুরি তুলনামূলক কম।
  • সম্ভবভোলা · মেঘনার মোহনায় ইলিশ ও সামুদ্রিক মাছের বড় অবতরণকেন্দ্র; কাঁচা মাছ সস্তায় ও কাছেই মেলে।
  • সম্ভবঢাকা · সবচেয়ে বড় ভোক্তা বাজার ও আড়ত; তবে কাঁচা মাছ এখানে শুকানো যায় না, তাই কাজটা বিক্রির দিকের।
  • সম্ভবকিশোরগঞ্জ · হাওরাঞ্চল; বর্ষার পর পানি নামলে ছোট মাছ প্রচুর পাওয়া যায়।
  • সম্ভবনেত্রকোণা · হাওরের মাছ ও কম মজুরির শ্রমিক দুটোই কাছে।
  • সম্ভবপটুয়াখালী · উপকূলীয় জেলা, শুকনা মৌসুমে খোলা চর ও বালুচর পাওয়া যায়।
  • সম্ভবসুনামগঞ্জ · হাওরের মাছ শুকানোর পুরোনো এলাকা; শুকনা মৌসুমে হাওরে প্রচুর ছোট মাছ ওঠে। এই জেলার জন্য আলাদা উৎপাদন বা দামের হিসাব এখানে যাচাই করা যায়নি।
  • সম্ভবসিলেট · শুঁটকির চাহিদা এখানে বেশি আর প্রবাসী পরিবারের মাধ্যমে বিদেশেও যায়।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: পোকা ও মাছি ঠেকাতে কাঁচা মাছে কীটনাশক ছিটানো এই শিল্পের পুরোনো ও স্বীকৃত সমস্যা। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ২৩ ধারায় কীটনাশক বা বালাইনাশক (যেমন ডি.ডি.টি.) খাদ্যদ্রব্যে ব্যবহার বা সেই খাদ্য মজুদ-বিপণন সরাসরি নিষিদ্ধ। ৬০ ধারা অনুযায়ী এই অপরাধ আমলযোগ্য ও অজামিনযোগ্য, আর ৭৮(৬) ধারা অনুযায়ী প্রশাসনিক জরিমানা দিয়ে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার সুযোগ নেই — মামলা খাদ্য আদালতে যায়। রপ্তানির চালান পরীক্ষায় ধরা পড়লে পুরো চালান ফেরত আসে।
  • বেশিচলতি মূলধন: কাঁচা মাছ নগদে কিনতে হয়, আর শুঁটকির টাকা আসে চার দিন পরে বা আড়তে বাকিতে দিলে আরও পরে। ট্রলার ফেরার দিনে একসঙ্গে অনেক মাছ ওঠে — তখন হাতে টাকা না থাকলে সস্তা মাছ ছেড়ে দিতে হয়, আর পুরো মৌসুমের আয় সেখানেই কমে যায়।
  • বেশিনষ্ট হওয়া: পুরো কাজটাই রোদের উপর। তিন-চার দিনের মধ্যে অসময়ের বৃষ্টি বা টানা মেঘলা আকাশ এলে মাচার মাছ আধা-শুকনা অবস্থায় পচে যায়, আর তাতে ওই চালানের পুরো টাকাই চলে যায়। শুকানোর পরও গুদামে পোকা ধরলে ক্ষতি — কীটনাশক ছাড়া পোকা ঠেকানোর ভালো উপায় বের করাই এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় কারিগরি সমস্যা।
  • মাঝারিবাকিতে বিক্রি: চট্টগ্রাম ও ঢাকার আড়তে মাল গেলে টাকা সঙ্গে সঙ্গে আসে না, বাকিতে চলে। মৌসুমের ভেতর বড় অঙ্কের বাকি পড়ে গেলে পরের চালানের কাঁচা মাছ কেনা আটকে যায়।
  • মাঝারিচাহিদা: রপ্তানির অঙ্ক এখনো ছোট। গত বছর হংকং, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় পোয়া শুঁটকি রপ্তানি করে আয় হয়েছিল ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, আর ৪০০ কোটি টাকার রপ্তানির কথা ব্যবসায়ীদের আশা, নিশ্চিত হিসাব নয়। তাই মূল বাজার দেশেই, আর দেশের বাজারে দাম মৌসুমের শুরু ও শেষে অনেক ওঠানামা করে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা শিখেছিপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে কক্সবাজারের নাজিরারটেকের একজন শুঁটকিমহাল মালিক

গত বছর ৫০০ টন, এবার ২০০ টনও হবে না

নাজিরারটেকের এই শুঁটকিমহালে গত বছর প্রায় ৫০০ মেট্রিক টন শুঁটকি হয়েছিল, এবার ২০০ টনও হবে না। উপকূলে মাছ না থাকায় প্রায় ৭০০টির মধ্যে ৬০০টি মহালেই উৎপাদন বন্ধ।

কারণ
সরবরাহকারীর সমস্যা, নির্ভরশীলতা
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার বছিলার বালাচাও প্রস্তুতকারক এক দম্পতি

কেজিতে ৮০০–১,০০০ টাকার খরচ, বিক্রি ১,২০০–১,৬০০ টাকায়

২০২১ সালে ঘরে শুঁটকি চিংড়ির বালাচাও বানানো শুরু; দিনে ১৫–২০ কেজি, খরচ কেজিতে ৮০০–১,০০০ টাকা, বিক্রি ১,২০০–১,৬০০ টাকা। মাসিক বিক্রি গত বছরের গড় ৩ লাখ থেকে এখন ৬–৭ লাখ টাকা।

কারণ
চাহিদা কম, সরবরাহকারীর সমস্যা

একই রকম আরও ব্যবসা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

তুলসীমালা সুগন্ধি চাল

শেরপুরের জিআই স্বীকৃত সুগন্ধি ধান ফলিয়ে ও ছাঁটিয়ে বিক্রি। ধান ৳২,২০০–২,৪০০ মণ, চাল অনলাইনে ৳১৪৫–১৫০ কেজি — জিআই থাকা সত্ত্বেও সাধারণ সুগন্ধি চালের চেয়ে দাম বেশি নয়।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৩ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
১২০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

সৌর শুঁটকি — মাচা ও সোলার ড্রায়ারে শুকানো

মাটিতে নয়, মাচায় বা সোলার ড্রায়ারে মাছ শুকিয়ে কীটনাশকমুক্ত শুঁটকি বানানো। ৩ জুন ২০২৬-এ চট্টগ্রামের আছাদগঞ্জে ভালো ছুরি শুঁটকি ৳২,০০০–২,৫০০ আর লইট্টা ৳৬০০–১,৫০০ কেজি।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৬ লাখ
জনবল
২ – ২০ জন
প্রথম আয়
২০ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

পনির ও ছানা তৈরি

দুধ কেটে ছানা, চেপে পনির। ৮–১০ কেজি দুধে ১ কেজি পনির, বিক্রি ৳৯০০–১,২০০ কেজি — পুরো ব্যবসাটাই দুধ আর পনিরের দামের ব্যবধান।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳২০ লাখ
জনবল
১ – ১০ জন
প্রথম আয়
৭ – ১৩৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

কর্পোরেট খাবার সরবরাহ

অফিসে প্রতিদিন রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবসা। ঢাকায় সকালের নাশতা ৳৪০ থেকে আর দুপুরের প্যাকেজ ৳৮৫–১৫০ টাকায় বিক্রি হয়, কিন্তু অফিস বিল দেয় মাস শেষে।

পুঁজি
৳৪৫ হাজার – ৳১.৮ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
শুঁটকি প্রক্রিয়াজাত: দাম, মৌসুম, রপ্তানি ও কীটনাশকের ঝুঁকি · আয়-রোজগার