ই-কমার্স ফুলফিলমেন্ট ও ডেলিভারি
অনলাইন বিক্রেতার পণ্য গুদামে রেখে, প্যাকেট করে, ক্রেতার হাতে পৌঁছে দিয়ে নগদ টাকা তুলে আনার কাজ। পার্সেলপ্রতি কুরিয়ারের দর ৳৫৫–১৯০, আর বিক্রেতাকে টাকা বুঝিয়ে দিতে হয় সর্বোচ্চ ১০ দিনে।
- শেষ পর্যালোচনা: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

ই-কমার্স ফুলফিলমেন্ট ও ডেলিভারি
- শুরুর পুঁজি
- ৳২,০০,০০০ – ৳২৫,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম বিক্রি
- ১০ – ৯০ দিন সরকারি সূত্র
- খরচ উঠতে
- ৩ – ৪৮ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
অনলাইনে যিনি বিক্রি করেন তাঁর হয়ে পণ্য গুদামে রাখা, অর্ডার এলে প্যাকেট করা, ক্রেতার ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া আর হাতে হাতে দাম তুলে এনে বিক্রেতাকে বুঝিয়ে দেওয়া — পুরো কাজটার নাম ফুলফিলমেন্ট। বাংলাদেশে এটা দুই চেহারায় চলে। একটা হলো বড় কুরিয়ারের এলাকাভিত্তিক হাব বা পিকআপ পয়েন্ট চালানো, নিজের রাইডার দিয়ে পার্সেল বিলি করা। আরেকটা হলো ছোট ফেসবুক বিক্রেতাদের মাল নিজের ঘরে রেখে, অর্ডার এলে প্যাকেট করে কুরিয়ারে তুলে দেওয়া। টাকার হিসাব পার্সেল ধরে। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ পাঠাও কুরিয়ারের প্রকাশিত দর: একই শহরে ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত ৳৬০, ১ কেজি ৳৭০, ২ কেজি ৳৯০; ঢাকার উপশহরে ৳৮০, ৳১০০, ৳১৩০; ঢাকা থেকে জেলায় ৳১১০, ৳১৩০, ৳১৭০; জেলা থেকে জেলায় ৳১২০, ৳১৪৫, ৳১৮০। স্টেডফাস্টে ঢাকার ভেতরে ৳৫৫, ঢাকা থেকে জেলায় ৳১১৫, জেলা থেকে জেলায় ৳১৩৫। রেডএক্সে ঢাকার ভেতরে ১ কেজি ৳৬০, ঢাকার বাইরের বড় শহরে ৳১৩০। ক্যাশ অন ডেলিভারির চার্জ আলাদা — পাঠাওয়ে ঢাকায় ০.৫%, বাইরে ১%; স্টেডফাস্টে সবখানে ১%; রেডএক্সে ঢাকায় ০%, বাইরে ১%। আসল ঝুঁকি দরে নয়, টাকা ফেরার সময়ে। ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা, ২০২১ বলছে মার্কেটপ্লেসকে তালিকাভুক্ত বিক্রেতার পণ্যের দাম বুঝে পাওয়ার সর্বোচ্চ ১০ দিনের মধ্যে কমিশন ও ডেলিভারি চার্জ কেটে পুরো টাকা পরিশোধ করতে হবে, আর একই শহরে ৫ দিন ও ভিন্ন শহরে ১০ দিনের মধ্যে পণ্য পৌঁছে দিতে হবে। মাঝের এই দিনগুলোতে রাইডারের বেতন, তেল আর প্যাকেটের খরচ আপনার পকেট থেকেই যায়। আর ফেরত আসা পার্সেলে খরচটা যায়, আয়টা আসে না।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳২,০০,০০০ – ৳৮,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৫৫ – ৳১৯০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৪৬ – ৳৭০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ২৩% – ৪৬% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ১০ – ৯০ দিন | সরকারি সূত্র | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৩ – ৪৮ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ১ – ১০ দিন | সরকারি সূত্র | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৫% – ২০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৭৫ – ৩৫০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- মোটরসাইকেল বা সাইকেল (রাইডারপ্রতি একটি), ডিজিটাল ওজন পাল্লা, বারকোড বা লেবেল প্রিন্টার, পলিব্যাগ, বাবল র্যাপ, স্কচটেপ, আর ইন্টারনেটসহ একটি স্মার্টফোন প্রতি রাইডারের হাতে। দাম এখানে যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
- অন্যের মালের দায়। গুদামে রাখা পণ্য আপনার নয়, কিন্তু হারালে বা ভাঙলে দাম আপনাকেই দিতে হয়। কোন বিক্রেতার কত মাল আছে তার লিখিত হিসাব ছাড়া এই কাজে নামা যায় না।শুরুর মাল
- ইউবিআইডি/ডিবিআইডি নিবন্ধন — ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা, ২০২১ অনুযায়ী ডিজিটাল কমার্সে বাধ্যতামূলক। আবেদন নিষ্পত্তি ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে। সঙ্গে ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন লাগে। ফি এখানে যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। আবেদন ফরম ৳৫০, মনোনয়ন ফরম ৳১০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳২০০–২৬,০০০; ইউনিয়ন পরিষদে ৳২৩০–১,৫০০। মেয়াদ এক অর্থবছর, প্রতি বছর নবায়ন। ৩ কর্মদিবসে ইস্যু, স্বাস্থ্য বিভাগের যাচাই লাগলে ৭ কর্মদিবস।লাইসেন্স
- পার্সেল ধরে ধরে নগদ টাকার হিসাব মেলানো। প্রতিদিন কত টাকা তোলা হলো, কতটা জমা হলো, কোন রাইডারের কাছে কত বাকি — এটা দিনে দিনে না মেলালে মাস শেষে ঘাটতি ধরা যায় না।দক্ষতা
- পাঠাও, স্টেডফাস্ট, রেডএক্স বা পেপারফ্লাইয়ের সঙ্গে লিখিত মার্চেন্ট বা হাব চুক্তি — পার্সেলপ্রতি দর, সিওডি চার্জের হার, ফেরত পার্সেলের খরচ আর টাকা পরিশোধের সময় স্পষ্ট লেখা থাকতে হবে।সরবরাহকারী
- পাকা মেঝের একটি হাব বা গুদাম, যেখানে পার্সেল শুকনো থাকে আর তালা দেওয়া যায়। ভ্যান বা পিকআপ ঢোকার মতো রাস্তা লাগে; গলির ভেতরে হাব বসালে মূল কুরিয়ারের গাড়ি আসতে চায় না।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন কোনটা করবেন — বড় কুরিয়ারের এলাকা হাব চালানো, নাকি বিক্রেতাদের মাল রেখে প্যাকেট করে দেওয়া। প্রথমটায় রাইডার ও জমা টাকার ঝুঁকি, দ্বিতীয়টায় গুদাম ও চুরির ঝুঁকি।
- 2সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন। ফরম ৳৫০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳২০০–২৬,০০০, ইউনিয়ন পরিষদে ৳২৩০–১,৫০০। ৩ কর্মদিবসে দেয়, স্বাস্থ্য যাচাই লাগলে ৭ দিন।
- 3টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন করুন, তারপর ইউবিআইডি/ডিবিআইডি নিবন্ধনের আবেদন দিন। ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা অনুযায়ী এটি বাধ্যতামূলক এবং আবেদন নিষ্পত্তিতে ৬০ কর্মদিবস পর্যন্ত লাগতে পারে — তাই কাজ শুরুর আগেই আবেদন দিন।
- 4পাঠাও, স্টেডফাস্ট বা রেডএক্সের সঙ্গে মার্চেন্ট বা হাব চুক্তি করুন। চুক্তিতে তিনটা জিনিস লিখিয়ে নিন — পার্সেলপ্রতি দর, সিওডি চার্জের হার, আর টাকা কত দিনে পাবেন।
- 5ফেরত পার্সেলের নিয়ম আগে লিখিতভাবে ঠিক করুন — কে খরচ দেবে। পাঠাও ঢাকার বাইরের ফেরতে ডেলিভারি চার্জের ৫০% নেয়, ঢাকার ভেতরে নেয় না। এই লাইনটা না লিখলে প্রতি মাসে টাকা কাটা যাবে।
- 6এলাকা বেছে নিন এবং ওই এলাকার রাস্তা ও বাড়ি চেনেন এমন রাইডার নিন। নতুন এলাকায় দিনে যত পার্সেল বিলি হয়, চেনা এলাকায় তার দেড় থেকে দ্বিগুণ হয় — এতেই পার্সেলপ্রতি মজুরি কমে।
- 7ওজন মাপার ডিজিটাল পাল্লা, বারকোড প্রিন্টার আর মজবুত পলি ও বাবল র্যাপ কিনুন। ওজন ভুল হলে কুরিয়ার পরের স্ল্যাবের দর কাটে, আর সেই পার্থক্য মাস শেষে বড় হয়ে দাঁড়ায়।
- 8প্রতিটি পার্সেলের আলাদা হিসাব রাখুন — কার মাল, কত টাকার, কবে গেল, কবে টাকা এল। কাগজের খাতা হলেও চলবে, কিন্তু পার্সেল ধরে ধরে মেলাতে হবে।
- 9সিওডিতে তোলা টাকা নিজের ব্যবসার টাকার সঙ্গে মেশাবেন না। ওটা অন্যের টাকা, যা ১০ দিনের মধ্যে বুঝিয়ে দিতে হবে। এক মাস মিশিয়ে ফেললে পরের মাসে পুরো হিসাব ভেঙে পড়ে।
- 10পণ্য সরবরাহের সময়সীমা মেনে চলুন — একই শহরে ৫ দিন, ভিন্ন শহরে ১০ দিন, আর সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ হলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পণ্য ডেলিভারি এজেন্টের হাতে তুলে দিতে হয়।
- 11ক্রয়-বিক্রয়ের সব তথ্য ৬ বছর সংরক্ষণ করুন — নির্দেশিকায় এটা বাধ্যতামূলক। অভিযোগ এলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করে সমাধান করতে হয়।
- 12ঈদের আগের মাসে অতিরিক্ত রাইডার ও প্যাকেট আগেই ঠিক করে রাখুন, আর বর্ষায় কম পার্সেলের মাসে খরচ কমিয়ে ফেলুন। এই ব্যবসার আয় সারা বছর সমান নয়।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেবেশি
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইকম
- আগস্টকম
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · দ্বিতীয় বড় শহর, স্টেডফাস্ট ও পাঠাও দুটোরই একই-শহর সেবা আছে (চট্টগ্রামে একই দিনে ডেলিভারি ৳১০৫), আর আমদানি পণ্যের বিক্রেতা এখানেই বেশি।
- খুব উপযোগীঢাকা · দেশের অনলাইন বিক্রির সবচেয়ে বড় কেন্দ্র, আর ঢাকার ভেতরের পার্সেলের দরই সবচেয়ে কম (৳৫৫–৯০) — তাই ভলিউম ছাড়া এখানে টেকা যায় না।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · পাঠাও উপশহর হিসেবে আলাদা দর রাখে (৳৮০–১৩০), পোশাক কারখানার শ্রমিকদের অনলাইন কেনাকাটা বাড়ছে, আর ঢাকার হাব থেকে গাড়ি রোজ আসে।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · উপশহর দরে পড়ে, পাইকারি কাপড়ের বাজার থেকে ছোট বিক্রেতাদের মাল ওঠে, আর ঢাকার সঙ্গে দিনে কয়েকবার গাড়ি চলে।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বিলির কেন্দ্র — রংপুর, দিনাজপুর ও নওগাঁর পার্সেল এখান থেকে ভাগ হয়।
- সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপর বলে দুই দিকের গাড়িই থামে, তাই জেলা থেকে জেলার পার্সেল এখানে সস্তায় সামলানো যায়।
- সম্ভবযশোর · বেনাপোল স্থলবন্দরের কাছে বলে আমদানি পণ্যের ছোট বিক্রেতা বেশি, আর খুলনা-যশোর অঞ্চলের পার্সেল এখান থেকে ছড়ায়।
- সম্ভবখুলনা · দক্ষিণ-পশ্চিমের বিলির কেন্দ্র, আর পদ্মা সেতুর পর ঢাকা থেকে সময় কমেছে বলে জেলা থেকে জেলার দরে (৳১৩৫) কাজ পোষায়।
- সম্ভবরংপুর · বড় শহর কিন্তু আশপাশের উপজেলা ছড়ানো, তাই দূরের পার্সেলে রাইডারের সময় বেশি যায় আর পার্সেলপ্রতি মজুরি বাড়ে।
- সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের অনলাইন কেনাকাটা বেশি আর পণ্যের দামও বেশি, তাই শতাংশের সিওডি চার্জে আয় ভালো — কিন্তু ঢাকা থেকে দূরত্ব বেশি।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচলতি মূলধন: ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা আপনার হাতে থাকে কিন্তু আপনার নয়। দিনে ১০০ পার্সেলে ৳১,২০০ করে তুললে প্রতি রাতে ১,২০,০০০ টাকা হাতে থাকে, আর সেটা ১০ দিনের মধ্যে বিক্রেতাকে দিতে হয়। এই টাকা দিয়ে রাইডারের বেতন বা তেলের খরচ চালালে পরের সপ্তাহে ঘাটতি ধরা পড়ে, আর তখন আর পূরণ করার সময় থাকে না।
- বেশিবাকিতে বিক্রি: কুরিয়ার আপনাকে দেরিতে দিলে আপনি বিক্রেতাকে সময়মতো দিতে পারেন না, অথচ নির্দেশিকার ১০ দিনের সীমা আপনার ঘাড়ে। মাঝখানে রাইডারের বেতন, তেল আর প্যাকেটের খরচ প্রতিদিন যায়। ছোট প্রতিষ্ঠান এখানেই মরে — দর নিয়ে নয়, অপেক্ষা নিয়ে।
- বেশিঅন্যান্য: ফেরত পার্সেল। ভুয়া অর্ডার, ফোন না ধরা ক্রেতা বা ডেলিভারির সময় মত বদলে যাওয়া — সবগুলোতেই পার্সেল ফিরে আসে। তখন যাওয়ার খরচ গেছে, ফেরার খরচও যায় (পাঠাও ঢাকার বাইরের ফেরতে ডেলিভারি চার্জের ৫০% নেয়), আর আয় শূন্য। ঢাকার বাইরের পার্সেলে এই হার সবচেয়ে বেশি, আর সেই পার্সেলেই লাভ বেশি ধরা হয়েছিল।
- বেশিনির্ভরশীলতা: একটি কুরিয়ার বা দু-তিনজন বড় বিক্রেতার ওপর দাঁড়ানো। কুরিয়ার দর বদলালে বা এলাকা অন্য হাবকে দিয়ে দিলে এক নোটিশে আয় শেষ। একইভাবে যে বিক্রেতার মাল আপনার গুদামের অর্ধেক জুড়ে আছে, তিনি চলে গেলে ভাড়া আর বেতন একই থাকে।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা, ২০২১-এর সময়সীমাগুলো কাগজে নয়, বাস্তবে মানতে হয় — একই শহরে ৫ দিন, ভিন্ন শহরে ১০ দিন, পূর্ণ মূল্য নিলে ৪৮ ঘণ্টায় পণ্য এজেন্টের হাতে, অভিযোগে ৭২ ঘণ্টায় সমাধান, আর মজুত নেই এমন পণ্যে অগ্রিম নেওয়া যাবে মূল্যের ১০ শতাংশের বেশি নয়। ইউবিআইডি ছাড়া কাজ চালিয়ে গেলে বড় ক্রেতা ও মার্কেটপ্লেস কাজ দেওয়া বন্ধ করে দেয়।
সূত্র
Best Courier Service for Your Online Business in Bangladesh (2026 Guide)
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: নগদ চক্র · বাংলাদেশ
Pathao Courier — published delivery rate card
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: বিক্রয় মূল্য, পরিবর্তনশীল খরচ, risks.other · বাংলাদেশ — ঢাকা, উপশহর ও সারা দেশ
REDX Courier Service Delivery Charge, Cost, and Price List
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: নগদ চক্র, বিক্রয় মূল্য · বাংলাদেশ
Steadfast Courier Charges 2026: Delivery Charge, COD Charge and Return Charge
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: মোট লাভের হার, বিক্রয় মূল্য · বাংলাদেশ
Steadfast Courier — rate calculator and charges page
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: বিক্রয় মূল্য · বাংলাদেশ
ট্রেড লাইসেন্স ফি — প্রতিষ্ঠানের ধরন ভেদে ইস্যু ও নবায়ন ফি
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ
ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা, ২০২১
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: নগদ চক্র, মাসিক চলতি মূলধন, requirements.license · বাংলাদেশ
ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১ বিশ্লেষণ
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
ডিজিটাল ও বি২বি সেবামেডিকেল ট্যুরিজম সহায়তা
বিদেশে চিকিৎসা করাতে যাওয়া রোগীর অ্যাপয়েন্টমেন্ট, ভিসা, টিকিট ও থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া। আলাদা লাইসেন্স নেই, তবে ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন সনদ লাগে — মেয়াদ ৩ বছর।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳১২ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ১২০ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাপার্সেল ডেলিভারি এজেন্সি
অনলাইন বিক্রেতার মাল ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবসা। দেশে দিনে ৩.৫–৪ লাখ পার্সেল যায়; বাজারদর ঢাকায় ৳৫৫–৭০, ঢাকার বাইরে ৳১৩৫–১৫০।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৬ লাখ
- জনবল
- ২ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবানৌকা ও ট্রলার ভাড়া
মাছ ধরা, মালামাল টানা ও পর্যটকের জন্য নৌকা-ট্রলার ভাড়া দেওয়া। ডিজেল লিটারে ৳১১৫, আর ৮–২৯ অক্টোবর ২০২৬ ২২ দিন ইলিশ ধরা পুরোপুরি বন্ধ।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৩০ লাখ
- জনবল
- ২ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ১৮০ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাঅনলাইন গ্রোসারি ডেলিভারি
অ্যাপ বা পেজে অর্ডার নিয়ে মুদি বাজার বাসায় পৌঁছে দেওয়া। চিনিতে লাভ ৭%, বোতলজাত তেলে প্রায় শূন্য — এই পাতলা লাভের ভেতর থেকেই ডেলিভারির খরচ বের করতে হয়।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ – ৳৮ লাখ
- জনবল
- ২ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
