মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

ইলেকট্রিক সামগ্রীর দোকান

তার, সুইচ, সকেট, হোল্ডার, বাতি ও ফ্যানের খুচরা দোকান। বিএসটিআইয়ের ৩১৫টি বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় ৫০টিই বৈদ্যুতিক — সনদহীন তার বেচলে জরিমানা আর দোকান সিলগালা হয়।

  • শেষ পর্যালোচনা: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
ইলেকট্রিক সামগ্রীর দোকান

ইলেকট্রিক সামগ্রীর দোকান

শুরুর পুঁজি
৳২,৫০,০০০ – ৳১৫,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম বিক্রি
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
১৪ – ৩৬ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
দোকান · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

এই দোকানের মাল দেখতে ছোট, কিন্তু নিয়ম সবচেয়ে কড়া। বিএসটিআইয়ের ৩১৫টি বাধ্যতামূলক সনদের পণ্যের তালিকায় একটা আলাদা ভাগই আছে বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক পণ্যের — ৫০টি পণ্য। তার মধ্যে পিভিসি ইনসুলেটেড ক্যাবল (BDS 900:2010), ইনসুলেটেড ফ্লেক্সিবল কর্ড (BDS 899-এর ছয়টি ভাগ), এক্সএলপিই ক্যাবল (BDS 1521), সিলিং ও টেবিল ফ্যান ও রেগুলেটর (BDS 818:1998), ইলেকট্রনিক ফ্যান রেগুলেটর (BDS 1323:1991), কাট-আউট সুইচ (BDS 1395:1993), ঘরের সুইচ (BDS IEC 60669 Part 1:2018), প্লাগ ও সকেট (BDS IEC 60884), সার্কিট ব্রেকার (BDS IEC 60898 Part 1:2016), টাংস্টেন বাতি (BDS 17:2006) আর সিলিং রোজ। অর্থাৎ দোকানের প্রায় পুরো তাকটাই বাধ্যতামূলক তালিকার ভেতরে। সনদ ছাড়া মাল তাকে থাকলে দায় দোকানের। ২১ জুলাই ২০২২-এ নবাবপুর ইলেকট্রিক মার্কেটে নকল ব্র্যান্ডের তার বিক্রির দায়ে একটি দোকানকে ৳১০,০০০ জরিমানা করা হয় আর কারখানাকে ৳১,০০,০০০; ডিসেম্বর ২০২২-এ বিএসটিআইয়ের ভ্রাম্যমাণ আদালত নকল পিভিসি তার বানানোর জন্য একটি কারখানাকে বিএসটিআই আইন, ২০১৮-তে ৳২৫,০০০ ও ওজন-পরিমাপ আইনে ৳২০,০০০ জরিমানা করে কারখানা সিলগালা করে দেয়। নকল তার এখানে ছড়ানো সমস্যা — পুরান ঢাকার চকবাজার, লালবাগ, ইসলামবাগ, ইমামগঞ্জ ও নবাবপুরে দুই বছরে ১১২টি নকল পণ্যের কারখানা সিলগালা হয়েছে। আমদানি শুল্কও চড়া: তার ও ক্যাবলে ২৫%, সুইচে ২৫%, ল্যাম্প-হোল্ডারে ২৫%, ফিলামেন্ট ও টিউব বাতিতে ২৫%, তবে এলইডি বাতিতে ১০% আর সার্কিট ব্রেকারে ৫%।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳১,৪৮,০৯৫ – ৳৫,৮৬,২১০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৩,০৯০ – ৳৮,৪৯০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳২,৪৭২ – ৳৭,৮১১ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৮% – ২০%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১৫ – ৬০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়১৪ – ৩৬ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৩০ – ৯০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১% – ৩%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৬ – ২৩সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • তার মাপার গজকাঠি ও কাটার যন্ত্র, মাল্টিমিটার বা টেস্টার, ছোট সিঁড়ি, আর বিক্রির খাতা — কোন দোকানে কোন ব্যাচের তার গেল তা লিখে রাখতে হয়।যন্ত্রপাতি
  • বিএসটিআই সনদপ্রাপ্ত বৈদ্যুতিক পণ্য। বাধ্যতামূলক তালিকার প্রধানগুলো — পিভিসি ইনসুলেটেড ক্যাবল BDS 900:2010, ইনসুলেটেড ফ্লেক্সিবল কর্ড BDS 899 (৬ ভাগ), এক্সএলপিই ক্যাবল BDS 1521, ফ্যান ও রেগুলেটর BDS 818:1998, ইলেকট্রনিক ফ্যান রেগুলেটর BDS 1323:1991, কাট-আউট সুইচ BDS 1395:1993, ঘরের সুইচ BDS IEC 60669 (Part 1):2018, প্লাগ ও সকেট BDS IEC 60884, সার্কিট ব্রেকার BDS IEC 60898 (Part 1):2016, টাংস্টেন বাতি BDS 17:2006, সেলফ-ব্যালাস্টেড ফ্লুরোসেন্ট বাতি BDS IEC 60968:2022।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স, সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে। ঢাকা উত্তরে অনলাইনে আবেদন, ৩ কর্মদিবসে ইস্যু, নবায়ন ২ কর্মদিবস। ফি সিটি কর্পোরেশন আদর্শ কর তফসিল, ২০১৬-এর ১০(৪) ধারা অনুযায়ী; অঙ্কটি আমাদের সূত্রে পড়া যায়নি। প্রতি অর্থবছরে নবায়ন।লাইসেন্স
  • লোডের হিসাব বুঝতে হবে — কত অ্যাম্পিয়ারে কোন মাপের তার, কোন ব্রেকার। ভুল মাপের তার বেচলে আগুন লাগে, আর দায় দোকানের ওপরও আসে।দক্ষতা
  • সনদধারী প্রস্তুতকারক বা তাদের পরিবেশক, আর প্রতিটি মালের বিএসটিআই সিএম লাইসেন্সের কপি। আমদানি শুল্ক — তার ও ক্যাবল ২৫%, অন্যান্য সুইচ ২৫%, ল্যাম্প-হোল্ডার ২৫%, ফিউজ ২৫%, এলইডি বাতি ১০%, অটোমেটিক সার্কিট ব্রেকার ৫%।সরবরাহকারী
  • রাস্তার ধারে দোকান, দেয়ালজুড়ে তাক আর তারের কুণ্ডলী ঝোলানোর জায়গা। শুকনো রাখতে হবে — ভেজা গুদামে তারের ইনসুলেশন আর ধাতব অংশ নষ্ট হয়।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন। ঢাকা উত্তরে অনলাইনে আবেদন, ৩ কর্মদিবস; নবায়ন ২ কর্মদিবস।
  2. 2কোন কোন মাল বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক তালিকায় আছে, সেটা আগে দেখে নিন। বিএসটিআইয়ের ৩১৫টি পণ্যের তালিকার “ই” ভাগে ৫০টি বৈদ্যুতিক পণ্য আছে — তার, ফ্লেক্সিবল কর্ড, সুইচ, প্লাগ-সকেট, সার্কিট ব্রেকার, ফ্যান, রেগুলেটর, বাতি, সিলিং রোজ।
  3. 3সরবরাহকারীর কাছ থেকে প্রতিটি মালের বিএসটিআই সিএম লাইসেন্সের কপি চেয়ে রাখুন, আর মোড়কে সনদের ছাপ দেখে নিন। অভিযান হলে এই কাগজটাই দাঁড় করাবে।
  4. 4তারের ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধান। নকল ব্র্যান্ডের তার এই বাজারের পুরোনো সমস্যা — অস্বাভাবিক সস্তা তার মানেই ভেতরে তামা কম।
  5. 5দোকানের জায়গা বাছুন মিস্ত্রি ও ঠিকাদারের যাতায়াতের পথে। এই ব্যবসার বড় অংশ মিস্ত্রির হাত ধরে আসে, সরাসরি গৃহস্থের কাছ থেকে নয়।
  6. 6প্রথম মজুতে ছোট ও দ্রুত চলা মাল বেশি রাখুন — তার, হোল্ডার, সুইচ, সকেট, এলইডি বাতি। ফ্যান ও দামি সার্কিট ব্রেকার অল্প রাখুন, চাহিদা দেখে বাড়াবেন।
  7. 7তারের কুণ্ডলী গজ ধরে কেটে বেচার সময় মাপ ঠিক রাখুন। ওজন ও পরিমাপ আইনেও জরিমানা হয় — এক কারখানাকে এই আইনে ৳২০,০০০ জরিমানা করা হয়েছে।
  8. 8মিস্ত্রি ও ঠিকাদারকে বাকিতে মাল দেওয়ার সীমা ঠিক করুন আর খাতায় লিখুন। ওয়্যারিংয়ের টাকা ঠিকাদার পাওয়ার পরই আপনি পাবেন।
  9. 9গ্রীষ্মের আগে ফ্যান তুলুন। ফ্যানের টাকা সারা বছর আটকে রাখলে অন্য মাল তোলার পুঁজি থাকে না।
  10. 10ত্রুটিপূর্ণ মাল ফেরতের নিয়ম সরবরাহকারীর সঙ্গে আগেই ঠিক করুন। পুড়ে যাওয়া ফ্যান বা নষ্ট ব্রেকার ফেরত না নিলে লোকসান দোকানির।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেবেশি
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইকম
  8. আগস্টকম
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দর দিয়ে আমদানি করা তার ও যন্ত্রাংশ ঢোকে, শহরে ওয়্যারিংয়ের কাজও প্রচুর।
  • খুব উপযোগীঢাকা · নবাবপুর ইলেকট্রিক মার্কেট দেশের প্রধান বৈদ্যুতিক পণ্যের পাইকারি বাজার; আশপাশে চকবাজার, লালবাগ ও ইমামগঞ্জের সরবরাহও এখানেই।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · পোশাক কারখানা ও শ্রমিক-বসতি বাড়ছে, নতুন ওয়্যারিংয়ের কাজ সারা বছর।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · কারখানা ও বসতি দুটোই ঘন, শিল্পের তার ও ব্রেকারের চাহিদা আলাদা করে আছে।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরাঞ্চলের বাণিজ্যকেন্দ্র, আশপাশের জেলায় এখান থেকে মাল ছড়ায়।
  • সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়কের বড় বাজার, আশপাশের উপজেলার মিস্ত্রিরা এখান থেকে মাল তোলেন।
  • সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর, আশপাশের উপজেলার খুচরা দোকান এখান থেকে মাল নেয়।
  • সম্ভবময়মনসিংহ · নতুন বিভাগীয় শহর, সরকারি ও বেসরকারি নির্মাণকাজ চলছে।
  • সম্ভবরংপুর · বিভাগীয় শহর, গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ বাড়ার সঙ্গে তার ও সুইচের চাহিদা বেড়েছে।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী আয়ে বাড়ি তোলার কাজ বেশি, নতুন ওয়্যারিংয়ের চাহিদা আছে।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: সনদহীন বা নকল বৈদ্যুতিক মাল বেচা শাস্তিযোগ্য, আর ধরা পড়ে দোকানও। ২১-০৭-২০২২-এ নবাবপুর ইলেকট্রিক মার্কেটে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে নকল ব্র্যান্ডের তার বিক্রির দায়ে একটি দোকানকে ৳১০,০০০ ও কারখানাকে ৳১,০০,০০০ জরিমানা করা হয় এবং কারখানার কাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। ১৮-১২-২০২২-এ কদমতলীতে বিএসটিআইয়ের ভ্রাম্যমাণ আদালত নকল পিভিসি তার বানানোয় বিএসটিআই আইন, ২০১৮-তে ৳২৫,০০০ ও ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮-তে ৳২০,০০০ জরিমানা করে কারখানা সিলগালা করে। দুটোই এক বছরের বেশি পুরোনো খবর।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: নকল তার বাজারে ছড়ানো, আর সস্তা তারই সবচেয়ে বেশি চলে। পুরান ঢাকার চকবাজার, লালবাগ, ইসলামবাগ, ইমামগঞ্জ ও নবাবপুরে দুই বছরে ১১২টি নকল পণ্যের কারখানা সিলগালা হয়েছে, ১৭৩ জনের কারাদণ্ড আর ৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা জরিমানা আদায় হয়েছে — তবু জরিমানার পর কারখানা আবার চালু হয়ে যায়। সরবরাহকারীর সনদ না দেখে মাল তুললে দোকানি এই শৃঙ্খলের শেষ প্রান্তে ধরা পড়েন।
  • মাঝারিচলতি মূলধন: তাক ভরাতে অনেক ছোট ছোট জিনিস রাখতে হয় — নানা মাপের তার, সুইচ, হোল্ডার, ব্রেকার। প্রতিটির দাম কম, কিন্তু সব মিলিয়ে টাকা আটকায়, আর যে মাপটা কেউ চায় না সেটাই বছরের পর বছর পড়ে থাকে। মোটা মাপের তারের কুণ্ডলী সবচেয়ে বেশি টাকা ধরে রাখে।
  • মাঝারিচাহিদা: এই ব্যবসা নতুন ওয়্যারিংয়ের কাজের সঙ্গে ওঠানামা করে। নির্মাণকাজ কমলে তারের বিক্রি সরাসরি কমে, আর ফ্যান বিক্রি গরমের কয়েক মাসে জমা হয়ে থাকে — বাকি সময় ফ্যানের টাকা তাকে বসে থাকে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

একই রকম আরও ব্যবসা

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

চাল পাইকারি ব্যবসা

মোকাম থেকে বস্তা ধরে চাল এনে খুচরা দোকানে বিক্রি। ঢাকায় পাইকারি মোটা চাল ৳৪৩–৪৫, খুচরা ৳৫০–৫৫ — কিন্তু পাইকারের হাতে থাকে কেজিতে ৫০ পয়সা থেকে ১ টাকা।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
২ – ৮ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

পুরোনো বইয়ের দোকান

ব্যবহৃত বই কিনে আবার বিক্রি করা। ঢাকার পুরানা পল্টনের বাজারে পুরোনো বই বিকিয়েছে বইপ্রতি প্রায় ৳২০–৩০ দরে (মে ২০২৪)। নীলক্ষেতে দোকান ভাড়া ছিল মাসে ৳১২,০০০ থেকে ৳৫০,০০০, অগ্রিম ৳২ থেকে ৳৮ লাখ।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳৯.৫ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৩ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

কসমেটিকস দোকান

ক্রিম, শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ ও সাজসজ্জার পণ্য বিক্রির দোকান। বিএসটিআই-এর বাধ্যতামূলক তালিকায় অন্তত ১৮টি প্রসাধনী — সনদ ছাড়া বা কাগজবিহীন আমদানি করা মাল তুললে দায় দোকানদারের।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

চশমার দোকান

ফ্রেম আর লেন্স এনে দোকানে বসে চশমা বানিয়ে দেওয়া। একজোড়া সাধারণ চশমা ৳৬৪৯ থেকে ৳৫,৪০০ (অনলাইন দর, ২১-০৯-২০২৬)। বিএসটিআইয়ের কোনো সনদ লাগে না, ট্রেড লাইসেন্সই একমাত্র কাগজ।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান