জার পানি ও ওয়াটার প্ল্যান্ট
পানি শোধন করে জারে ও বোতলে ভরে বিক্রি। বিএসটিআই সনদ বাধ্যতামূলক, আর লাভের বড় অংশ যায় দোকানি ও পরিবেশকের ঘরে — কারখানার নয়।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

জার পানি ও ওয়াটার প্ল্যান্ট
- শুরুর পুঁজি
- ৳৮,০০,০০০ – ৳৫০,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৪৫ – ১০০ দিন সরকারি সূত্র
- খরচ উঠতে
- ১৪ – ৩৬ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
গভীর নলকূপ বা সরবরাহের পানি শোধন করে ২০ লিটারের জারে ও বোতলে ভরে বিক্রি করার কারখানা। শহরের অফিস, দোকান, মেস, হাসপাতাল আর রেস্তোরাঁ এখন প্রায় পুরোটাই এই জারের পানির ওপর চলে। কিন্তু এই ব্যবসার আসল কথাটা হলো — লাইসেন্স ছাড়া এটা করা যায় না। বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় ‘প্যাকেজড ড্রিংকিং ওয়াটার’ (বিডিএস ১২৪০:২০২১) ও ‘ন্যাচারাল মিনারেল ওয়াটার’ (বিডিএস ১৪১৪:২০২১) দুটোই আছে, পানির বোতল-জার নিজেও তালিকাভুক্ত পণ্য। সিএম লাইসেন্স ছাড়া উৎপাদন করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করে, কারখানা সিলগালা হয়। টাকার হিসাবটা যত সহজ ভাবা হয়, তত সহজ নয়। ঢাকা ওয়াসার নিজের কারখানার হিসাবে আধা লিটারের এক বোতল পানি বোতলসহ বানাতে খরচ ৳১১, আর সেটা ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি হয় ৳৯ টাকায় — কারখানা থেকে বের হওয়ার আগেই বোতলপ্রতি ৳২ লোকসান। ওয়াসার এমডি বলেছেন, বেসরকারি কোম্পানির চেয়ে তাঁদের খরচ বোতলপ্রতি এক টাকা বেশি, অর্থাৎ বেসরকারি উৎপাদকের খরচও ৳১০-এর কাছাকাছি। দোকানি সেই আধা লিটার বোতল কেনেন ৳১১ টাকায়, বিক্রি করেন ৳২০ টাকায়। অর্থাৎ লাভের বড় অংশটা কারখানার নয়, দোকানির আর পরিবেশকের। যে কারখানার নিজের গাড়ি নেই, প্রতিদিন নির্ধারিত পথে দোকানে দোকানে মাল পৌঁছে দেওয়ার লোক নেই, তার পানি তাকেই পড়ে থাকে — ওয়াসার ‘শান্তি’ দুই দশকেও দোকানের তাকে জায়গা পায়নি। এই ব্যবসায় ঢুকলে প্রথমেই দুটো জিনিস ঠিক করতে হয়: বিএসটিআইয়ের সনদ, আর প্রতিদিনের সরবরাহের গাড়ি ও লোক।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳২,০০,০০০ – ৳১৫,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৯ – ৳১১ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১০ – ৳১১ / একক | সরকারি সূত্র | |
| মোট লাভের হার | ০% – ৯% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৪৫ – ১০০ দিন | সরকারি সূত্র | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১৪ – ৩৬ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২% – ৬% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ২০,০০০ – ৪৮,০০০ | সরকারি সূত্র |
শুরু করতে যা লাগবে
- পানি শোধনের সেট (ফিল্টার, আরও/ইউভি বা ওজোন), মজুত ট্যাংক, বোতল ও জার ধোয়ার আলাদা জায়গা, ভরার যন্ত্র, সিল ও লেবেল মেশিন, আর ডেলিভারি ভ্যান বা পিকআপ। যন্ত্রপাতির দেশীয় দর যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
- ২০ লিটারের খালি জার — দারাজে ফুড গ্রেড সাধারণ জার ৳৩৬৯–৪৫০, আরএফএল সেরা ব্র্যান্ডের ট্যাপসহ জার ৳৮৪০–৯৫০ (১৬-০৯-২০২৬)। ৩০০ জারের একটা ছোট বহরেই ৳১,১০,০০০–১,৩৫,০০০ আটকে যায়।শুরুর মাল
- নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন ও খাদ্যপণ্যের প্রিমিসেস লাইসেন্স — নিবন্ধন ফি ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর। প্রিমিসেস লাইসেন্স ছাড়া বিএসটিআই সিএম আবেদনই নেয় না।লাইসেন্স
- টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন — জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। বিএসটিআই আবেদনের সঙ্গে ভ্যাট ও টিআইএন সনদ জমা দিতে হয়।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কার্যদিবসে পাওয়া যায়।লাইসেন্স
- বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স — খাবার পানি বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকাভুক্ত: প্যাকেজড ড্রিংকিং ওয়াটার বিডিএস ১২৪০:২০২১ ও ন্যাচারাল মিনারেল ওয়াটার বিডিএস ১৪১৪:২০২১। আবেদন ফি ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, বছরে লাইসেন্স ফি ৳২০০, মার্কিং ফি সর্বনিম্ন ৳১,৮৭৫। প্রক্রিয়াকরণে ১৯–৪২ কার্যদিবস।লাইসেন্স
- পানি পরীক্ষার ফল পড়তে পারা — টিডিএস, পিএইচ ও জীবাণুর রিপোর্ট বুঝে ফিল্টার বদলানোর সময় ঠিক করা। ভুল সময়ে ফিল্টার বদলালে ল্যাব টেস্টে ফেল করে লাইসেন্স আটকে যায়।দক্ষতা
- বোতল, ছিপি, লেবেল ও শ্রিঙ্ক ফিল্মের নিয়মিত সরবরাহকারী; জার মেরামত ও ধোয়ার ব্রাশ-রাসায়নিকের উৎস।সরবরাহকারী
- পাকা মেঝে ও নালাসহ ঘর, আলাদা ভরার কক্ষ, পানির উৎস ও মজুত ট্যাংকের জায়গা। বিএসটিআইয়ের পরিদর্শক কারখানার পরিবেশ দেখেই নমুনা নেন।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1পানির উৎস আগে ঠিক করুন — গভীর নলকূপ না সরবরাহের পানি। উৎসের পানি পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করান, কারণ আর্সেনিক বা লবণাক্ততা থাকলে শোধনের খরচ পুরো বদলে যায়।
- 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, ব্যবসার ধরনে ‘বোতলজাত পানি উৎপাদন’ লেখান। এরপর এনবিআর থেকে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন করুন।
- 3খাদ্যপণ্য হিসেবে প্রিমিসেস লাইসেন্স ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন নিন। নিবন্ধন ফি ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর।
- 4বিএসটিআইয়ের অনলাইন আবেদনে সিএম লাইসেন্সের জন্য আবেদন করুন। আবেদন ফি ৳১,০০০, বছরে লাইসেন্স ফি ৳২০০, নবায়ন ৳৫০০, আর মার্কিং ফি সর্বনিম্ন ৳১,৮৭৫। সঙ্গে দিতে হয় ট্রেড লাইসেন্স, ট্রেডমার্ক, ভ্যাট-টিআইএন, প্রিমিসেস লাইসেন্স ও বাংলা লেবেলের নমুনা।
- 5বিএসটিআইয়ের পরিদর্শক কারখানা দেখতে আসবেন, নমুনা সিল করে ল্যাবে পাঠাবেন। পরিদর্শনের আগেই মেঝে, নালা, হাত ধোয়ার ব্যবস্থা ও আলাদা বোতল ধোয়ার জায়গা তৈরি রাখুন।
- 6লেবেল ছাপান নিয়ম মেনে: পণ্যের নাম, ব্র্যান্ড, পরিমাণ, উপাদান, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, ব্যাচ নম্বর, উৎপাদনকারীর ঠিকানা, সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য আর বিডিএস নম্বর অনুযায়ী মানচিহ্ন।
- 7জার ও বোতল কিনুন। দারাজে ফুড গ্রেড ২০ লিটারের খালি জার ৳৩৬৯–৪৫০, ট্যাপসহ ব্র্যান্ডেড জার ৳৮৪০–৯৫০। জারের বহর যত বড়, ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা তত বেশি — কিন্তু পুঁজিও তত বেশি আটকে যায়।
- 8সরবরাহের ব্যবস্থা আগে দাঁড় করান, তারপর উৎপাদন বাড়ান। নির্ধারিত পথে প্রতিদিন গাড়ি যাবে, দোকান ফোন করলে চালান যাবে — এই ব্যবস্থা না থাকলে মাল কারখানাতেই পড়ে থাকবে।
- 9দোকানির লাভ কত রাখছেন, সেটা ঠিক করুন। একই তাকে অন্য কোম্পানির বোতল বিক্রি করে দ্বিগুণ লাভ হলে দোকানি আপনার পানি রাখবেন না — ওয়াসার ‘শান্তি’ এই কারণেই দোকানে নেই।
- 10অফিস, হাসপাতাল, মেস ও নির্মাণসাইটের সঙ্গে মাসিক চুক্তি করুন। খালি জার ফেরতের হিসাব লিখিত রাখুন, নইলে প্রতি মাসে জার হারিয়ে পুঁজি কমতে থাকবে।
- 11প্রতি ব্যাচের নমুনা রেখে দিন আর নিজের খরচে মাঝে মাঝে পানি পরীক্ষা করান। ভ্রাম্যমাণ আদালত এলে পরীক্ষার কাগজই আপনার রক্ষা।
মৌসুম
- জানুকম
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চবেশি
- এপ্রিলবেশি
- মেবেশি
- জুনবেশি
- জুলাইবেশি
- আগস্টবেশি
- সেপ্টেবেশি
- অক্টোবেশি
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেকম
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দর, শিল্পকারখানা ও বাণিজ্যিক অফিসের ভিড়; শুষ্ক মৌসুমে সরবরাহের পানিতে লবণাক্ততার সমস্যা হয়।
- খুব উপযোগীঢাকা · অফিস, মেস, হাসপাতাল ও রেস্তোরাঁর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি; সরবরাহের পানিতে আস্থা কম বলে জারের চাহিদা স্থায়ী।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · পোশাক কারখানার শ্রমিকদল ও শ্রমিক মেসে প্রতিদিন বড় অঙ্কের জার লাগে।
- খুব উপযোগীখুলনা · উপকূলের কাছে হওয়ায় নলকূপের পানিতে লবণাক্ততা বেশি, তাই শোধিত পানির চাহিদা স্থায়ী — তবে শোধনের খরচও বেশি।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ঘনত্ব বেশি, ঢাকার কাছে বলে পরিবহন খরচ কম।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; আশপাশের জেলায় সরবরাহ করা যায়।
- সম্ভবকক্সবাজার · পর্যটন মৌসুমে হোটেল ও রেস্তোরাঁর চাহিদা বেড়ে যায়, অফ সিজনে নেমে আসে।
- সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়কের হোটেল, শিল্পাঞ্চল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সরবরাহের সুযোগ।
- সম্ভবসাতক্ষীরা · লবণাক্ততার কারণে সুপেয় পানির টান বেশি; কিন্তু ক্রয়ক্ষমতা কম আর মানহীন কারখানার ভিড়ও এখানে বেশি।
- সম্ভবসিলেট · শহরে অফিস, চেম্বার ও রেস্তোরাঁ বাড়ছে; প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতাও বেশি।
- কম উপযোগীরংপুর · চাহিদা আছে, কিন্তু ক্রয়ক্ষমতা কম আর দূরত্বের কারণে পরিবহন খরচ লাভ খেয়ে ফেলে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: সিএম লাইসেন্স ছাড়া উৎপাদন করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করে এবং কারখানা সিলগালা করে দেয়। বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর আওতায় এই অভিযান নিয়মিত চলে — ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকার তেজগাঁও শিল্প এলাকায় সিএম লাইসেন্স ছাড়া উৎপাদনের দায়ে এক প্রতিষ্ঠানকে ৳৩০,০০০ জরিমানা করা হয়েছে। খাবার পানির ক্ষেত্রে নিয়ম আরও কড়া, কারণ এটি বাধ্যতামূলক তালিকাভুক্ত পণ্য। লাইসেন্স হাতে আসার আগে এক ফোঁটা পানিও বিক্রি করা যাবে না।
- বেশিচলতি মূলধন: লাভ বোতলপ্রতি টাকার অঙ্কে খুব ছোট, তাই টিকে থাকতে হলে দিনে অনেক বোতল বেচতে হয়। ঢাকা ওয়াসা নিজের কারখানায় বোতলপ্রতি ৳২ লোকসান দিচ্ছে, আর দুই দশকে লোকসান দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ কোটি টাকায়। সরকারি সংস্থার যদি এই দশা হয়, তবে ছোট কারখানার হিসাব আরও কড়া করে করতে হবে — যন্ত্র, জারের বহর, গাড়ি আর প্রতিদিনের বোতল-ছিপি-লেবেলের টাকা একসঙ্গে লাগে।
- বেশিনির্ভরশীলতা: পানি বানানো সহজ, বিক্রি করা কঠিন। বেসরকারি কোম্পানির গাড়ি প্রতিদিন নির্ধারিত পথে দোকানে দোকানে পানি দিয়ে যায়, ফোন করলেই নতুন চালান যায়। ওয়াসার ‘শান্তি’ দুই দশকেও সেই ব্যবস্থা গড়তে পারেনি, তাই মিরপুর, মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী, শাহবাগ, মালিবাগ, গুলশান, বনানী ও কারওয়ান বাজারের দোকান ঘুরেও পণ্যটি পাওয়া যায়নি। পরিবেশক ও গাড়ির ব্যবস্থা না থাকলে কারখানা চালু রেখেও বিক্রি হয় না।
- বেশিঅন্যান্য: জারের পানির মান নিয়ে বারবার কেলেঙ্কারি হয়েছে, আর একবার নাম খারাপ হলে পুরো এলাকার বিক্রি পড়ে যায়। খালি জার ঠিকমতো না ধুয়ে ভরা, ফিল্টার সময়মতো না বদলানো, বা উৎসের পানি পরীক্ষা না করানো — এই তিনটি ভুলেই ব্যবসা শেষ হয়ে যায়। নিজের খরচে নিয়মিত পানি পরীক্ষা করানো ছাড়া এই ঝুঁকি কমানোর উপায় নেই।
- মাঝারিচাহিদা: গরমকালে বিক্রি বাড়ে, শীতে পড়ে যায়, আর বৃষ্টির দিনে ডেলিভারি আটকে যায়। ঘরভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ও ড্রাইভারের বেতন কিন্তু বারো মাসই সমান। শীতের তিন-চার মাস কম বিক্রিতেও যাতে খরচ ওঠে, সেই হিসাব আগে করে নিতে হয়।
সূত্র
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
All food businesses now need safety registration
সংগ্রহ: ২২ জুল, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণপোলট্রি ফিড মিল
ভুট্টা, সয়াবিন মিল ও কুঁড়া মিশিয়ে মুরগির খাবার বানিয়ে ৫০ কেজির বস্তায় বিক্রি। বস্তার দর ৳৩,০০০–৩,৬৬৯, আর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের লাইসেন্স ও বিএসটিআই সিএম দুটোই বাধ্যতামূলক।
- পুঁজি
- ৳৮ লাখ – ৳৬০ লাখ
- জনবল
- ৪ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১৫০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণচা প্যাকেজিং ও ব্র্যান্ডিং
নিলাম থেকে খোলা চা কিনে মিশিয়ে নিজের নামে প্যাকেট করা। ২০২৬-২৭ নিলামবর্ষে চট্টগ্রামে গড় দর ৳২৮০.৮৮ কেজি, আর দোকানে প্যাকেট চা ৳৪২৮–৬৫০।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৫০ লাখ
- জনবল
- ২ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১০০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণচালের মিল
ধান কিনে সেদ্ধ-শুকিয়ে চাল করে বিক্রি। ২৪ হাজার কেজি ধানে চাল হয় ১৫ হাজার কেজি, আর তুষ-কুঁড়া-খুদ বেচে চালের কেজিতে আরও ৳৬.৪৫ ফেরত আসে।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৫০ লাখ
- জনবল
- ৪ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ১২০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণফলের জুস ও ড্রিংকস
ফলের রস ও ফ্রুট ড্রিংকস বানিয়ে বোতলে বিক্রি। বাজারে এক লিটারের দাম ৳৮০–৯০। বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্স ছাড়া বিক্রি করলে জরিমানা — সম্প্রতি ৳৩০,০০০ থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৩০ লাখ
- জনবল
- ৪ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৯০ – ১৮০ দিন
