মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্ট

বিকাশ-নগদ-রকেটের এজেন্ট কমিশন প্রতি হাজারে মাত্র ৳৪। মাসে ৳৩০,০০০ আয় করতে কাউন্টার দিয়ে মাসে প্রায় ৳৭৩ লাখ টাকা যেতে হবে।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্ট

মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্ট

শুরুর পুঁজি
৳৫০,০০০ – ৳৩,৫০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ২ জন
প্রথম বিক্রি
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৪ – ১০ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
দোকান · সহজ

ব্যবসাটি সম্পর্কে

বিকাশ, নগদ বা রকেটের এজেন্ট হয়ে দোকানে বসে মানুষের টাকা জমা নেওয়া আর টাকা তুলে দেওয়া। কাজটা সহজ, কিন্তু আয়ের অঙ্কটা বেশির ভাগ মানুষ ভুল বোঝে। এজেন্ট কমিশন পায় প্রতি এক হাজার টাকা লেনদেনে মাত্র ৪ টাকা — অর্থাৎ শতকরা শূন্য দশমিক চার ভাগ। গ্রাহকের কাছ থেকে বিকাশ হাজারে ৳১৮.৫০ কাটে ঠিকই, কিন্তু তার প্রায় ৳৬ যায় সরকারের ভ্যাটে, ৳২ ডিস্ট্রিবিউটরের ঘরে, আর এজেন্টের হাতে থাকে ক্যাশ ইনে ৳৩.৭৫ আর ক্যাশ আউটে ৳৪। এই হিসাবটা মাথায় রাখলে বোঝা যায়, মাসে ৳৩০,০০০ কমিশন পেতে হলে কাউন্টার দিয়ে মাসে প্রায় ৳৭৩ লাখ টাকা যেতে হবে, অর্থাৎ দিনে প্রায় ৳২ লাখ ৪০ হাজার। দিনে ১ লাখ টাকার লেনদেন হলে কমিশন দাঁড়ায় দিনে ৳৪১০, মাসে প্রায় ৳১২,৩০০ — তা থেকে দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ আর সময় বাদ দিলে হাতে থাকে সামান্যই। তাই এই ব্যবসা একা চলে না; মুদি দোকান, ফ্লেক্সিলোড বা ফটোকপির সঙ্গে জুড়ে দিলে তবেই লাভ হয়। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো ফ্লোট — অ্যাকাউন্টে সব সময় টাকা আর ক্যাশবাক্সে সব সময় নগদ রাখতে হয়। দুটোর একটা ফুরিয়ে গেলে গ্রাহক ফিরে যায়, আর একবার ফিরে গেলে সে পাশের দোকানে অভ্যস্ত হয়ে যায়। ব্যবসার আসল পুঁজি তাই দোকান নয়, ওই ফ্লোটের টাকা।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳২০,০০০ – ৳৩,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৪ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳০ – ৳১ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার০% – ১%বাজারদর
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১৫ – ৪৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৪ – ১০ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার২% – ৫%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১০০ – ৪০০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • এজেন্ট সিমসহ একটি মোবাইল ফোন, টাকা গোনার জন্য জায়গা, নিরাপদ ক্যাশবাক্স বা ড্রয়ার, এজেন্ট সাইনবোর্ড এবং লেনদেনের খাতা।যন্ত্রপাতি
  • ফ্লোট — এজেন্ট অ্যাকাউন্টে ব্যালান্স এবং ক্যাশবাক্সে নগদ টাকা, দুটোই একসঙ্গে। এটাই এই ব্যবসার আসল মজুদ।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু হয়। এজেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যবসার নামে হয়, তাই এটি বাধ্যতামূলক।লাইসেন্স
  • টিআইএন সনদ — জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে এজেন্ট আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হয়।লাইসেন্স
  • নম্বর মিলিয়ে দেখা, হিসাব মেলানো আর সন্দেহজনক লেনদেন চিনতে পারা। মাসের শেষে খাতা না মিললে ঘাটতি এজেন্টের।দক্ষতা
  • এলাকার অনুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটর বা সেলস অফিসার — এজেন্ট নম্বর, ফ্লোট আর কমিশন সবই তার হাত দিয়ে আসে।সরবরাহকারী
  • রাস্তার ধারে বা বাজারের ভেতরে ছোট দোকান, যেখানে মানুষ দাঁড়িয়ে টাকা নিতে পারে এবং সন্ধ্যার পরেও খোলা রাখা যায়।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1যে এলাকায় বসবেন সেখানে আগে গুনে দেখুন কয়টা এজেন্ট আছে। এক গলিতে পাঁচটা এজেন্ট থাকলে আপনার ভাগে লেনদেন আসবে না, আর লেনদেন না এলে কমিশনও নেই।
  2. 2দোকান ঠিক করুন। এজেন্ট অ্যাকাউন্ট নিজের নামে নয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে হয় — দোকান ছাড়া আবেদনই করা যায় না।
  3. 3সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ব্যবসার নামে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর এনবিআর থেকে টিআইএন করে রাখুন।
  4. 4এলাকার বিকাশ, নগদ বা রকেটের ডিস্ট্রিবিউটর বা সেলস অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন, জাতীয় পরিচয়পত্র আর ছবি নিয়ে যেতে হয়।
  5. 5কমিশনের হার নিজের কানে শুনে নিন এবং লিখে নিন। হাজারে কত, ক্যাশ ইনে কত, ক্যাশ আউটে কত — এই তিনটা সংখ্যার উপরেই আপনার সারা বছরের আয়।
  6. 6ফ্লোটের টাকা আলাদা করে রাখুন। অ্যাকাউন্টে ব্যালান্স আর বাক্সে নগদ — দিনের শুরুতে দুটোই থাকতে হবে, নইলে দুপুরের পর দোকান বন্ধ রাখার সমান।
  7. 7প্রতিদিন কখন ক্যাশ বেশি আসে আর কখন ক্যাশ বেশি যায় তা লিখে রাখুন। বেতনের দিন আর ঈদের আগে ক্যাশ আউট বেড়ে যায়, তখন হাতে বাড়তি নগদ লাগে।
  8. 8প্রতিটি লেনদেনের খাতা রাখুন আর গ্রাহকের নম্বর নিজে টিপে দেবেন না — ভুল নম্বরে টাকা গেলে সেই দায় এজেন্টের ঘাড়েই পড়ে।
  9. 9এজেন্ট পয়েন্টের পাশাপাশি আরেকটা ব্যবসা রাখুন — মুদি, ফ্লেক্সিলোড, ফটোকপি বা মোবাইল সামগ্রী। শুধু কমিশনে দোকান ভাড়া ওঠে না।
  10. 10মাস শেষে হিসাব করুন — মোট কত টাকা লেনদেন হয়েছে আর তার শতকরা শূন্য দশমিক চার ভাগ কত। ওটাই আপনার আয়; এর বেশি ধরে পরিকল্পনা করবেন না।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনবেশি
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দর, কারখানা আর দিনমজুরের বড় বাজার; শহরের ভেতরে লেনদেনের পরিমাণ বেশি।
  • খুব উপযোগীকুমিল্লা · প্রবাসী পরিবারের সংখ্যা বেশি, তাই বিদেশ থেকে আসা টাকা তোলার জন্য নিয়মিত ক্যাশ আউট হয় — এজেন্টকে বাড়তি নগদ রাখতে হয়।
  • খুব উপযোগীঢাকা · ভাড়াটে ও শ্রমজীবী মানুষের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি, তাই বাড়ি ভাড়া ও বেতনের টাকা এখান থেকেই দেশের সব জেলায় যায়।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বেতন মোবাইল অ্যাকাউন্টে পান; বেতনের দিনগুলোতে ক্যাশ আউটের চাপ সবচেয়ে বেশি।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · কারখানা ও শ্রমিক ঘনত্ব বেশি, আর ঢাকার লাগোয়া হওয়ায় ফ্লোট সহজে পাওয়া যায়।
  • সম্ভবব্রাহ্মণবাড়িয়া · প্রবাসী আয়নির্ভর এলাকা; লেনদেনের সংখ্যা কম হলেও প্রতিটি লেনদেনের অঙ্ক বড়।
  • সম্ভবকুড়িগ্রাম · শ্রমিক পাঠানো জেলা — টাকা এখানে আসে, তাই ক্যাশ আউট বেশি আর ক্যাশ ইন কম। নগদ টাকার জোগান রাখাই মূল সমস্যা।
  • সম্ভবনোয়াখালী · প্রবাসী আয়ের বড় গন্তব্য; গ্রামের বাজারে এজেন্ট কম থাকায় একক দোকানে লেনদেন বেশি হয়।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবার বেশি, তবে ব্যাংক ও এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের শাখাও বেশি, তাই প্রতিযোগিতা কড়া।
  • কম উপযোগীবান্দরবান · জনবসতি ছড়ানো আর লেনদেনের অঙ্ক ছোট; হাজারে ৳৪ কমিশনে দোকান টিকিয়ে রাখা কঠিন।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচলতি মূলধন: ফ্লোট ফুরিয়ে যাওয়া এই ব্যবসার সবচেয়ে সাধারণ মৃত্যু। সকালে ক্যাশ আউট বেশি হলে দুপুরের মধ্যে নগদ শেষ, আবার ক্যাশ ইন বেশি হলে অ্যাকাউন্টের ব্যালান্স শেষ। দুটোর যেকোনো একটা ফুরোলেই গ্রাহক পাশের দোকানে চলে যায় এবং সেখানেই অভ্যস্ত হয়ে যায়। হাজারে ৳৪ কমিশনে হারানো গ্রাহক ফিরে পাওয়ার মতো লাভ নেই।
  • বেশিচাহিদা: এক এলাকায় এজেন্টের সংখ্যা সীমাহীন। নতুন এজেন্ট বসলেই আগের এজেন্টের লেনদেন ভাগ হয়ে যায়, অথচ দোকান ভাড়া আর ফ্লোটের টাকা কমে না। আয় সরাসরি লেনদেনের অঙ্কের সমানুপাতিক, তাই লেনদেন অর্ধেক হলে আয়ও ঠিক অর্ধেক হয়ে যায়।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: কমিশনের হার কোম্পানি একতরফা ঠিক করে এবং যেকোনো সময় বদলায়; এজেন্টের দরকষাকষির কোনো জায়গা নেই। ২০২২ সালেই বিকাশ, নগদ, রকেট ও উপায় — সবার এজেন্ট কমিশন ছিল একই হাজারে ৳৪.১০, অর্থাৎ কোম্পানি বদলে বেশি কমিশন পাওয়ার সুযোগও নেই।
  • মাঝারিঅন্যান্য: ভুল নম্বরে পাঠানো, প্রতারণার লেনদেন আর জাল টাকা — তিনটিরই দায় শেষমেশ কাউন্টারে বসা মানুষের। বড় অঙ্কের একটা ভুল কয়েক মাসের কমিশন মুছে দেয়, কারণ হাজারে ৳৪ আয়ে ৳১০,০০০ ক্ষতি মানে ২৫ লাখ টাকার লেনদেনের সমান আয় হারানো।
  • মাঝারিনির্ভরশীলতা: ফ্লোট, এজেন্ট নম্বর আর কমিশন — সবকিছুর জন্য একজন ডিস্ট্রিবিউটরের উপর নির্ভর করতে হয়। ডিস্ট্রিবিউটর সময়মতো ফ্লোট না দিলে বা সম্পর্ক খারাপ হলে দোকান চালানোর উপায় থাকে না।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা শিখেছিঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে নরসিংদীর রায়পুরার একটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের গ্রাহকেরা

রশিদ ছিল, ব্যাংকের হিসাবে টাকা ছিল না — শাখায় তালা দিয়ে উধাও উদ্যোক্তা

নরসিংদীর রায়পুরার একটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের উদ্যোক্তা গ্রাহকদের টাকা মূল শাখায় জমা না দিয়ে অন্তত ১০ কোটি টাকা নিয়ে ২০২৪ সালের ২১ জানুয়ারি পালিয়ে যান।

কারণ
অন্যান্য, নির্ভরশীলতা
যা শিখেছিবাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে কিশোরগঞ্জের নিকলীর একটি এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার গ্রাহকেরা

লাখে ১,১০০ টাকা মুনাফার প্রতিশ্রুতি, শতাধিক গ্রাহকের কোটি টাকা নিয়ে উধাও এজেন্ট

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে একটি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার এজেন্ট শতাধিক গ্রাহকের কোটি টাকার বেশি আমানত নিয়ে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পালিয়ে যান; প্রতিশ্রুতি ছিল লাখে ১,১০০ টাকা, অর্থাৎ ১১ শতাংশ মুনাফা।

কারণ
অন্যান্য, আইনি জটিলতা

একই রকম আরও ব্যবসা

ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

অনলাইন নিউজ পোর্টাল

খবরের ওয়েবসাইট চালানো। তথ্য মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক — ফি ৳১০,০০০, প্রতি বছর নবায়ন ৳৫,০০০ — আর অনলাইন পোর্টালের জন্য সরকারি বিজ্ঞাপনের কোনো নির্ধারিত দর আজও নেই।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৫ লাখ
জনবল
২ – ১৫ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৩৬৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি

ক্লায়েন্টের বিজ্ঞাপনের টাকা আপনার আয় নয় — আয় শুধু রিটেইনার। দেশে বছরে প্রায় ৭,৪০০ কোটি টাকার ডিজিটাল বিজ্ঞাপন, ভ্যাট ১৫%; আর বিকাশ যুক্ত হওয়ায় মধ্যস্থতার আয় শেষ হয়ে আসছে।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৪ লাখ
জনবল
১ – ১৫ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

সফটওয়্যার ও অ্যাপ রিসেলিং

ছোট দোকানে পিওএস ও হিসাবের সফটওয়্যার বসিয়ে দেওয়ার কাজ। প্রতিযোগী বিনা মূল্যের অ্যাপ — টালিখাতায় নিবন্ধিত প্রায় ৪৭ লাখ ব্যবসায়ী; তাই আয় আসে যন্ত্র ও সেবা থেকে।

পুঁজি
৳৬০ হাজার – ৳২.৫ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৭ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

ফ্রিল্যান্সিং এজেন্সি

বিদেশি ক্রেতার কাজ নিয়ে দল বেঁধে করা আর বৈধ পথে টাকা আনা। আয়ে আয়কর ও ভ্যাট দুটোই মওকুফ, বৈধ পথে আনলে ২.৫% নগদ প্রণোদনা — কিন্তু প্রথম বছরের আয় নগণ্য।

পুঁজি
৳৬০ হাজার – ৳৪ লাখ
জনবল
১ – ১০ জন
প্রথম আয়
৯০ – ৩৬৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্ট: কমিশন কত, আয় কত, ফ্লোট কত লাগে · আয়-রোজগার