মশার কয়েল তৈরি
কাঠের গুঁড়া ও কীটনাশক মিশিয়ে মশার কয়েল বানানোর কারখানা। বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক সনদ লাগে, আর আবাসিক এলাকায় পরিবেশের ছাড়পত্র মেলে না।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

মশার কয়েল তৈরি
- শুরুর পুঁজি
- ৳৪,০০,০০০ – ৳৪০,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ৫ – ৪০ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৯০ – ২৭০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৮ – ১৫ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
কাঠের গুঁড়া, নারকেলের ছোবড়ার গুঁড়া ও আঠার সঙ্গে কীটনাশক মিশিয়ে প্যাঁচানো কয়েল বানানোর কারখানা। বাংলাদেশে চাহিদা বারো মাস, আর ডেঙ্গুর মৌসুমে হঠাৎ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। কিন্তু এটি যতটা সহজ মনে হয়, ততটা নয় — কারণ কয়েল আইনের চোখে একটি নিয়ন্ত্রিত পণ্য। বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক মান সনদের তালিকায় মশার কয়েল ৩৯ নম্বরে আছে, মান নম্বর বিডিএস ১০৮৯:২০১৮ (তৃতীয় সংস্করণ)। অর্থাৎ সনদ ছাড়া কয়েল বানিয়ে বাজারে ছাড়া যায় না। দ্বিতীয় বাধা পরিবেশ। কয়েল কারখানায় কীটনাশক ব্যবহার হয় বলে পরিবেশ অধিদপ্তরের অবস্থানগত ছাড়পত্র লাগে, আর আবাসিক এলাকায় তা মেলে না। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের নয়াপুরে একটি প্রস্তাবিত কারখানার ঘটনাই উদাহরণ — এলাকাবাসীর অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তর একাধিকবার তদন্ত করে এলাকাটিকে আবাসিক বলে চিহ্নিত করে এবং অবস্থানগত ছাড়পত্র বাতিল করে; আপিলে একবার ছাড়পত্র মিললেও পরের তদন্তে তা-ও বাতিল হয়। জায়গা ভুল হলে পুরো বিনিয়োগ আটকে যায়, যন্ত্র বসেই থাকে। দামের দিকটা ছোট। দারাজে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে খুচরা কয়েলের দাম প্রতিটি ৳৫–৮। এত কম দামের পণ্যে লাভ আসে কেবল বড় পরিমাণে বানিয়ে আর কম খরচে বিলি করে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৩,০০,০০০ – ৳৩৫,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৫ – ৳৮ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳২ – ৳৩ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৬০% – ৬৩% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৯০ – ২৭০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৮ – ১৫ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ২০ – ৫০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৫,০০০ – ৫০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- মিক্সার, কয়েল তৈরির প্রেস বা ডাই মেশিন, শুকানোর ঘর বা ড্রায়ার, মোড়কজাতের যন্ত্র আর ওজন মাপার যন্ত্র। যন্ত্রপাতির দাম কোনো দলিলে পাওয়া যায়নি, তাই পুঁজির অঙ্ক আন্দাজ।যন্ত্রপাতি
- কাঠের গুঁড়া, নারকেল ছোবড়ার গুঁড়া, আঠা ও অনুমোদিত কীটনাশক, আর মোড়কের কাগজ ও কার্টন। কাঁচামালের দর কোনো সূত্রে পাওয়া যায়নি।শুরুর মাল
- অবস্থানগত ছাড়পত্র ও পরিবেশগত ছাড়পত্র — পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর আওতায়। আবাসিক এলাকায় কয়েল কারখানা স্থাপন করা যায় না; এলাকাবাসীর অভিযোগে পুনঃতদন্ত হয় এবং ছাড়পত্র বাতিল হতে পারে। মন্ত্রণালয়ের আপিল বোর্ডে আপিলের সুযোগ আছে।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০; ৩–৫ কার্যদিবস। সঙ্গে এনবিআরের টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন এবং ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার লাইসেন্স।লাইসেন্স
- বিএসটিআই মান সনদ — বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন। মশার কয়েল বাধ্যতামূলক মান সনদের তালিকার ৩৯ নম্বর পণ্য, মান বিডিএস ১০৮৯:২০১৮ (৩য় সংস্করণ)। সনদ ছাড়া উৎপাদন ও বিপণন নিষিদ্ধ। ফি ও মেয়াদ যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
- মিশ্রণের অনুপাত ঠিক রাখা ও কীটনাশকের মাত্রা মান অনুযায়ী দেওয়া। কয়েল কতক্ষণ জ্বলবে, ধোঁয়া কেমন হবে আর ভাঙবে কি না — সবই এই অনুপাতের উপর।দক্ষতা
- আবাসিক এলাকার বাইরে শিল্প এলাকায় জায়গা, শুকানোর জন্য প্রশস্ত ঘর আর বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা। জায়গার ভুলই এই ব্যবসায় সবচেয়ে দামি ভুল।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1জায়গা বেছে নেওয়াই প্রথম আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কারখানা আবাসিক এলাকায় হলে পরিবেশ অধিদপ্তর অবস্থানগত ছাড়পত্র দেবে না — আগে সেটা নিশ্চিত করুন, জমি কেনার আগে।
- 2পরিবেশ অধিদপ্তরে অবস্থানগত ছাড়পত্রের আবেদন করুন। প্রতিবেশীর আপত্তি এলে পুনরায় তদন্ত হয়, আর তদন্তে এলাকা আবাসিক প্রমাণিত হলে ছাড়পত্র বাতিল হয়ে যায়।
- 3বিএসটিআইয়ের মান সনদের জন্য আবেদন করুন। মশার কয়েল বাধ্যতামূলক তালিকার ৩৯ নম্বর পণ্য, মান বিডিএস ১০৮৯:২০১৮ (৩য় সংস্করণ)। সনদ ছাড়া বাজারে পণ্য ছাড়া যাবে না।
- 4সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স, এনবিআর থেকে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন, আর ফায়ার সার্ভিস থেকে ফায়ার লাইসেন্স নিন।
- 5যন্ত্র বসান: মিক্সার, কয়েল তৈরির প্রেস বা ডাই মেশিন, শুকানোর ঘর বা ড্রায়ার, আর মোড়কজাতের যন্ত্র।
- 6কাঁচামালের সরবরাহকারী ঠিক করুন — কাঠের গুঁড়া, নারকেল ছোবড়ার গুঁড়া, আঠা আর অনুমোদিত কীটনাশক। কীটনাশকের মাত্রা মান অনুযায়ী রাখতে হবে, বেশি দিলে স্বাস্থ্যঝুঁকি আর কম দিলে কাজ হয় না।
- 7নমুনা বানিয়ে পরীক্ষা করান — কতক্ষণ জ্বলে, ধোঁয়া কেমন, ভেঙে যায় কি না। এই তিনটাই খুচরা বাজারে নাম তৈরি করে বা নষ্ট করে।
- 8মোড়কে বিএসটিআই সনদের তথ্য, উপাদান, মেয়াদ ও কারখানার ঠিকানা স্পষ্ট করে ছাপুন। নকল ধরার অভিযানে এই তথ্যই প্রথমে দেখা হয়।
- 9ডিলার নেটওয়ার্ক গড়ুন। প্রতিটি কয়েলে লাভ কয়েক পয়সা, তাই পরিবহন ও বিলির খরচ কম রাখা ছাড়া টিকে থাকা যায় না।
- 10ডেঙ্গুর মৌসুমের আগেই মজুত করুন। বর্ষা ও তার পরের কয়েক মাসেই বিক্রির বড় অংশ হয়, আর তখন কাঁচামালের টানও পড়ে।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলবেশি
- মেবেশি
- জুনবেশি
- জুলাইবেশি
- আগস্টবেশি
- সেপ্টেবেশি
- অক্টোবেশি
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীবগুড়া · উত্তরবঙ্গের শিল্প ও বাণিজ্যকেন্দ্র; বিসিক শিল্পনগরী আছে আর উত্তরের জেলাগুলোতে বিলি সহজ।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · শিল্প এলাকা প্রশস্ত, আবাসিক এলাকা থেকে দূরে জায়গা মেলে আর ঢাকার বাজার কাছে।
- সম্ভবচট্টগ্রাম · বন্দর কাছে বলে কাঁচামাল আমদানি সহজ, আর বড় শহরের চাহিদা আছে।
- সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়কের ধারে শিল্প এলাকা, আর ঢাকা-চট্টগ্রাম দুদিকেই মাল পাঠানো যায়।
- সম্ভবঢাকা · সবচেয়ে বড় বাজার ও ডিলার নেটওয়ার্ক, কিন্তু শহরের ভেতরে কারখানার ছাড়পত্র পাওয়া কার্যত অসম্ভব।
- সম্ভবখুলনা · দক্ষিণাঞ্চলের বিলির কেন্দ্র; মশার উপদ্রব বেশি বলে চাহিদাও বেশি।
- সম্ভবকিশোরগঞ্জ · ভৈরবসহ কয়েকটি এলাকায় কয়েল কারখানা আগে থেকেই আছে, তাই কারিগর ও সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরি।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · শিল্প এলাকা ও পাইকারি বাজার কাছে, তবে ঘন বসতির কারণে পরিবেশের ছাড়পত্র নিয়ে ঝামেলা হয় — সোনারগাঁয়ের ঘটনাই উদাহরণ।
- সম্ভবরংপুর · উত্তরের জেলাগুলোর বাজার; প্রতিযোগিতা তুলনামূলক কম।
- সম্ভবসিলেট · হাওর এলাকায় মশার উপদ্রব বেশি, আর ক্রয়ক্ষমতাও ভালো।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: জায়গার ছাড়পত্র না পাওয়াই এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নয়াপুরে একটি প্রস্তাবিত কয়েল কারখানার বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অভিযোগের পর পরিবেশ অধিদপ্তর একাধিকবার তদন্ত করে; প্রতিটি তদন্তেই এলাকাটি আবাসিক বলে চিহ্নিত হয় এবং আইন অনুযায়ী সেখানে কারখানা স্থাপন করা যাবে না বলে মত দেওয়া হয়। অধিদপ্তর অবস্থানগত ছাড়পত্র বাতিল করে; আপিলে একবার ছাড়পত্র মিললেও পরের তদন্তে তা-ও বাতিল হয়। জমি কেনা ও যন্ত্র আনার পর এটা ঘটলে পুরো টাকা আটকে যায়।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক সনদ ছাড়া কয়েল বানানো বা বিক্রি করা যাবে না — মশার কয়েল তালিকার ৩৯ নম্বর পণ্য, মান বিডিএস ১০৮৯:২০১৮। সনদ না থাকলে বা মান না মিললে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে মাল জব্দ ও ধ্বংস হয় এবং জরিমানা হয়। নকল ব্র্যান্ডের কয়েল ধরার অভিযানও নিয়মিত হচ্ছে, তাই ছোট কারখানাকে কাগজপত্র সব সময় হাতের কাছে রাখতে হয়।
- মাঝারিচাহিদা: বিক্রি মৌসুমের উপর চলে। বর্ষা ও ডেঙ্গুর সময় চাহিদা কয়েক গুণ বাড়ে, শীতে নেমে যায়। মৌসুমের আগে মজুত করতে হয়, আর সেই মজুতের টাকা কয়েক মাস আটকে থাকে। মৌসুম দুর্বল হলে মাল পড়ে থাকে, অথচ কীটনাশকের কার্যকারিতা সময়ের সঙ্গে কমে।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: প্রতিটি কয়েলে লাভ খুবই কম — খুচরা দামই মাত্র ৳৫–৮, আর তার মধ্যে দোকান ও ডিলারের অংশ আছে। তাই টিকে থাকতে হলে বড় পরিমাণে বানাতে হয় আর ডিলারের উপর নির্ভর করতে হয়। বড় ব্র্যান্ডের সঙ্গে দোকানের তাকে জায়গার লড়াইয়ে ছোট কারখানা সহজেই হেরে যায়, আর ডিলার সরে গেলে পুরো এলাকার বাজার একসঙ্গে হাতছাড়া হয়।
- মাঝারিঅন্যান্য: কীটনাশক নিয়ে কাজ মানেই স্বাস্থ্য ও আগুনের ঝুঁকি। কারখানায় কাঠের গুঁড়া ও রাসায়নিক একসঙ্গে থাকে, আর শুকানোর ঘরে ধুলা জমে — আগুনের ঝুঁকি বাস্তব, তাই ফায়ার লাইসেন্স ও ব্যবস্থা দুটোই লাগে। শ্রমিকদের মাস্ক ও হাতমোজা না দিলে দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্ট ও চর্মরোগ হয়।
সূত্র
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকম্পিউটার এমব্রয়ডারি কারখানা
মেশিনে কাপড়ের উপর সুতার নকশা বসিয়ে অন্যের জন্য কাজ করে দেওয়া। টুপির কারখানা, বুটিক ও শাড়ির কুঠিই খদ্দের। হাতে যে কারচুপিতে ১৫ দিন লাগে, মেশিন তা ঘণ্টায় করে।
- পুঁজি
- ৳৩ লাখ – ৳১২ লাখ
- জনবল
- ২ – ৩০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকার্টন ও বক্স তৈরি
ঢেউতোলা কাগজে কার্টন ও বাক্স বানানোর কারখানা। ছোট পার্সেল কার্টন প্রতিটি ৳২৪–৪০, আর দেশে দিনে সাড়ে তিন থেকে চার লাখ পার্সেলই সবচেয়ে বড় বাজার।
- পুঁজি
- ৳৩ লাখ – ৳৩০ লাখ
- জনবল
- ৪ – ৩০ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১২০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপরাবার ও প্লাস্টিক স্যান্ডেল তৈরি
পুরোনো জুতা ও ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক গলিয়ে সস্তা স্যান্ডেল বানানো। দেশে ৩০০–৪০০ কারখানা, বছরে কোটি জোড়ার বেশি উৎপাদন, আর খুচরা দাম জোড়াপ্রতি ৳১০০–৫০০।
- পুঁজি
- ৳২.৫ লাখ – ৳২৫ লাখ
- জনবল
- ৩ – ২৫ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ১৮০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপমোজা ও গেঞ্জি কারখানা
ঝুট কাপড়ে গেঞ্জি, মোজা ও সোয়েটার বানানোর কারখানা। পাবনায় প্রায় এক হাজার কারখানা, বছরে ১৮–২০ কোটি পিস; তবে ভারতে স্থলপথ বন্ধ হওয়ায় ৬৫ শতাংশ শ্রমিক কর্মহীন।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳২৫ লাখ
- জনবল
- ৫ – ১০০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
