ঘানি সরিষার তেল
সরিষা ভাঙিয়ে তেল ও খৈল বিক্রি। এক মণ সরিষায় ১৬–১৯ লিটার তেল ও ২৫ কেজি খৈল; খৈলের টাকা বাদ দিলে লিটারপ্রতি খরচ ৳৯৬–১১৪, খোলা বিক্রি ৳২০০।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

ঘানি সরিষার তেল
- শুরুর পুঁজি
- ৳৮০,০০০ – ৳৫,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৩০ – ৯০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৩ – ৮ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
সরিষা ভাঙিয়ে তেল বের করে বিক্রি করার কাজ। কাঠের ঘানি হোক বা ছোট এক্সপেলার, হিসাবটা একই — এক মণ সরিষা থেকে তেল পাওয়া যায় ১৬ লিটারের বেশি, ভালো জাত হলে ১৮–১৯ লিটার, আর সঙ্গে থেকে যায় প্রায় ২৫ কেজি খৈল। এই খৈলটাই ব্যবসাটাকে দাঁড় করিয়ে রাখে। কুষ্টিয়ার এক তেল মিল মালিকের হিসাবে এক মণ সরিষার দাম ছিল ৳২৩০০–২৫০০, ভাঙানোর খরচ ৳৩৪০, আর ২৫ কেজি খৈল ৳৪৫ দরে বিক্রি করে ফেরত আসে ৳১১২৫। খৈলের টাকা বাদ দিলে এক লিটার তেলের উৎপাদন খরচ দাঁড়ায় ৳৯৬ থেকে সর্বোচ্চ ৳১১৪। সেই তেল খোলা বিক্রি হয় ৳২০০ লিটার, স্থানীয় ব্র্যান্ডে ৳২২০, আর বড় কোম্পানির বোতলে ৳৩৫০–৩৬০। তবে সাবধান — এই দরগুলো ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারির, এক বছরের বেশি পুরোনো। সরিষার দাম মৌসুমে ওঠানামা করে, আর দাম বাড়লে পুরো লাভটাই মিলিয়ে যায়। শহরে খাঁটি সরিষার তেলের চাহিদা বাড়ছে, কারণ মানুষ এখন সয়াবিনের বদলে সরিষা খুঁজছে; কিন্তু ভেজাল আর পাম তেল মেশানোর অভিযোগও এই বাজারেই সবচেয়ে বেশি। তাই নিজের নামে বোতলে বিক্রি করতে হলে বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্স লাগবেই — সরিষার তেল বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় দুই নম্বরে আছে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৭০,০০০ – ৳৪,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳২০০ – ৳৩৬০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৯৬ – ৳১১৪ / একক | বাজারদর | |
| মোট লাভের হার | ৪৩% – ৫২% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৩০ – ৯০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৩ – ৮ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ১০ – ৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২% – ৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১৬ – ১২০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- কাঠের ঘানি বা ছোট এক্সপেলার মেশিন, সরিষা পরিষ্কার ও শুকানোর ব্যবস্থা, ফিল্টার বা ছাঁকনি, তেল রাখার ড্রাম, ওজনের পাল্লা আর বোতল-লেবেল। মেশিনের দাম যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
- মৌসুমে কেনা সরিষার মজুত। মণপ্রতি ৳২৩০০–২৫০০ ধরে যত মণ রাখবেন ততটাই টাকা আটকে যাবে, আর সরিষা বছরে একবারই ওঠে।শুরুর মাল
- বিএসটিআই সিএম (সার্টিফিকেশন মার্কস) লাইসেন্স — 'Mustard Oil' বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় কৃষি ও খাদ্যপণ্যের ২ নম্বরে, মান BDS 25:2015 (সংশোধনী-১: ২০২০)। মোড়কে বা বোতলে নাম বসিয়ে বিক্রি করতে হলে বাধ্যতামূলক। ফি যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন — নতুন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ ৩ বছর। ভোজ্যতেলসহ কিছু ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ৳১,০০০–৫,০০০ (খাদ্য নিরাপদ (নিবন্ধন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬)।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
- সরিষার পাইকারি বাজার বা চাষির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, আর খৈলের নিয়মিত ক্রেতা।সরবরাহকারী
- শুকনা ও ছাদওয়ালা ঘর — সরিষা মজুত, ভাঙার জায়গা আর খৈল রাখার আলাদা কোণ। বিদ্যুৎ লাগবে এক্সপেলার চালাতে।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1সরিষা কোথা থেকে কিনবেন তা আগে ঠিক করুন। কুষ্টিয়ার মতো আবাদ এলাকার পাইকারি বাজারে মণ ধরে কেনা যায়, আর মৌসুমেই দাম সবচেয়ে কম।
- 2কাঠের ঘানি নেবেন নাকি ছোট এক্সপেলার মেশিন, তা ঠিক করুন। ঘানির তেল 'খাঁটি' বলে বেশি দামে যায়, কিন্তু দিনে অনেক কম ভাঙে।
- 3ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন।
- 4বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে নিবন্ধন করুন — ফি ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ ৩ বছর। ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে আলাদা লাইসেন্সও লাগতে পারে, অফিসে জিজ্ঞেস করে নিন।
- 5বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্সের জন্য আবেদন করুন। Mustard Oil বাধ্যতামূলক তালিকার ২ নম্বর পণ্য, মান BDS 25:2015 (সংশোধনী-১: ২০২০)। নমুনা পরীক্ষায় পাস না করলে লাইসেন্স হয় না।
- 6মৌসুমে সরিষা কিনে শুকিয়ে মজুত করুন। ভেজা সরিষায় তেল কম হয় আর খৈলে গন্ধ ধরে।
- 7প্রতি মণে কত লিটার তেল আর কত কেজি খৈল হলো তা লিখে রাখুন। ১৬ লিটারের নিচে নামলে বুঝবেন সরিষার মান খারাপ বা মেশিনে সমস্যা।
- 8খৈল বিক্রির লোক আগেই ঠিক করুন — গরু-ছাগলের খামারি বা মাছের খাবারের ব্যবসায়ী। খৈলের টাকা না পেলে তেলের হিসাবই মেলে না।
- 9খোলা তেল স্থানীয় দোকানে দিন আর বোতলজাত তেল শহরের ক্রেতার কাছে। শহরে খাঁটি বলে পরিচিতি পেলে দাম দ্বিগুণের কাছাকাছি হয়।
- 10পাম তেল বা অন্য তেল মেশাবেন না। নিরাপদ খাদ্য আইনের ২৫ ধারায় ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রি নিষিদ্ধ, আর এই ব্যবসায় একবার নাম খারাপ হলে ক্রেতা আর ফেরে না।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীঢাকা · খাঁটি সরিষার তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা এখানেই; বড় কোম্পানির বোতল ৳৩৫০–৩৬০ লিটারে বিক্রি হয়, তাই ছোট উদ্যোক্তার দাম পাওয়ার সুযোগ আছে।
- খুব উপযোগীকুষ্টিয়া · পাইকারি বাজারে মণপ্রতি সরিষা ৳২৩০০–২৫০০ দরে মেলে আর তেল মিলের পুরোনো ক্লাস্টার আছে; কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা অফিসও এখানে সরিষার হিসাব রাখে।
- সম্ভবচট্টগ্রাম · নগরের ক্রয়ক্ষমতা বেশি আর সুপারশপে খাঁটি তেলের চাহিদা আছে; কাঁচামাল দূর থেকে আনতে হয়।
- সম্ভবফরিদপুর · সরিষা আবাদের এলাকা ও পদ্মাপাড়ের পুরোনো তেলের হাট।
- সম্ভবযশোর · সরিষা আবাদ ও ভোজ্যতেলের পুরোনো ব্যবসা; খৈলের ক্রেতা হিসেবে মাছের খামার প্রচুর।
- সম্ভবমাগুরা · সরিষা আবাদের এলাকা; কুষ্টিয়ার পাইকারি বাজার কাছেই।
- সম্ভবমানিকগঞ্জ · সরিষা আবাদের এলাকা আর ঢাকার বাজার হাতের নাগালে।
- সম্ভবরাজবাড়ী · সরিষা আবাদের এলাকা, ঢাকার বাজারে পৌঁছানো সহজ।
- সম্ভবসিরাজগঞ্জ · চরাঞ্চলে সরিষা হয়; পাশাপাশি গরুর খামার বেশি বলে খৈল স্থানীয়ভাবেই বিক্রি হয়।
- সম্ভবটাঙ্গাইল · সরিষা আবাদের এলাকা; মৌসুমে বাড়ির কাছেই সরিষা মেলে বলে পরিবহন খরচ কম।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচলতি মূলধন: সরিষা বছরে একবার ওঠে, কিন্তু তেল বিক্রি হয় বারো মাস। তাই মৌসুমে একসঙ্গে অনেক সরিষা কিনে রাখতে হয় আর সেই টাকা সারা বছর আটকে থাকে। এক মণ সরিষাতেই ৳২৩০০–২৫০০, একশ মণ রাখলে আড়াই লাখ টাকা গুদামে পড়ে থাকে। হাতে টাকা না থাকলে মৌসুমের পর চড়া দামে সরিষা কিনতে হয় আর তখন লাভ থাকে না।
- বেশিনির্ভরশীলতা: লাভের বড় অংশ তেলে নয়, খৈলে। এক মণে ২৫ কেজি খৈল ৳৪৫ দরে ৳১১২৫ ফেরত আনে — এই টাকা বাদ দিলে লিটারপ্রতি খরচ ৳৯৬–১১৪ থেকে অনেক উপরে উঠে যায়। খৈলের দাম পড়ে গেলে বা ক্রেতা না মিললে তেলের ব্যবসাটাই লোকসানে চলে যায়।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: সরিষার তেল বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক পণ্য (তালিকার ২ নম্বর, BDS 25:2015)। সিএম লাইসেন্স ছাড়া নিজের নামে বোতলে বিক্রি করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে পড়তে হয়। আর পাম তেল মেশালে তা নিরাপদ খাদ্য আইনের ২৫ ধারার ভেজাল খাদ্য — ওই অপরাধ আমলযোগ্য ও অজামিনযোগ্য, জরিমানা দিয়ে মিটিয়ে ফেলার সুযোগ নেই।
- মাঝারিচাহিদা: খোলা সরিষার তেল ৳২০০ লিটার, আর খোলা সয়াবিন তেল ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ছিল ৳১৮৬–১৯৫। দামের এই কাছাকাছি অবস্থানেই ক্রেতা ধরে রাখতে হয়, আর সেটা সম্ভব শুধু 'খাঁটি' বলে বিশ্বাস তৈরি করে। এক বছরে খোলা সয়াবিনের দাম বেড়েছে ১১.৪ শতাংশ — সয়াবিন যত দামি হবে, সরিষার তেলের সুযোগ তত বাড়বে।
- মাঝারিঅন্যান্য: এই পাতার প্রায় সব টাকার অঙ্ক ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এর, এক বছরের বেশি পুরোনো। সরিষার দাম, খৈলের দাম আর তেলের খুচরা দর তিনটিই এর মধ্যে বদলে যেতে পারে। টাকা লাগানোর আগে নিজের এলাকার পাইকারি বাজারে গিয়ে তিনটি দরই নিজে দেখে আসুন।
সূত্র
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: বিক্রয় মূল্য · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
All food businesses now need safety registration
সংগ্রহ: ২২ জুল, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
৭৫–৮০ টাকার সরিষা, ৩০০–৩৫০ টাকার তেল; মাসে থাকে ৩০–৪০ হাজার
ঘোড়ায় টানা কাঠের ঘানিতে সরিষার তেল। কেজি ৭৫–৮০ টাকায় বছরে ৩–৩.৫ লাখ টাকার সরিষা কেনা হয়, তেল বিক্রি ৩০০–৩৫০ টাকা কেজি; সব খরচ বাদে মাসে থাকে ৩০,০০০–৪০,০০০ টাকা।
- কারণ
- ভালো মান, নিয়মিত ক্রেতা
একই রকম আরও ব্যবসা
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণদই ও ছানা তৈরি
কাঁচা দুধ ৳৪৫–৫৫ লিটারে কিনে দই ও ছানা বানিয়ে বিক্রি। এক লিটার দুধে কত দই দাঁড়ায় আর কতটুকু নষ্ট হয় — এই দুটোই লাভ ঠিক করে।
- পুঁজি
- ৳৮০ হাজার – ৳৪.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৪ – ৪৫ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণমহিষের দই ও দুগ্ধ
চরের মহিষের কাঁচা দুধ মাটির হাঁড়িতে বসিয়ে দই। ভোলায় দুধ ৳১৫০ কেজি কিনে দই বিক্রি ৳২০০ কেজি — লাভ কেজিতে ৳৫০, আর দুধ পাওয়াই সবচেয়ে বড় সমস্যা।
- পুঁজি
- ৳৮০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসরিষা ফুলের মধু বোতলজাতকরণ
শীতে সরিষা ক্ষেতে মৌবাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ, ছেঁকে বোতলে ভরে সারা বছর বিক্রি।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ – ৳২.৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ৯০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণঘি ও মাখন তৈরি
দুধ ভাঙিয়ে মাখন ও ঘি, আর পাতলা দুধ থেকে ছানা-দই। এক মণ (৪০ কেজি) দুধে সোয়া কেজি ঘি; খরচ প্রায় ৳২,৯০০, বিক্রি ৳৩,০৪০–৩,২৬০ — লাভ ৫ থেকে ১১ শতাংশ।
- পুঁজি
- ৳৬০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
