মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

নেপিয়ার ঘাস ও গো-খাদ্য চাষ

গরুর খামারের জন্য কাঁচা ঘাস চাষ। একবার লাগালে ৪–৫ বছর ফলন, বছরে ৪–৬ বার কাটা যায়, আর এক বিঘায় উদ্বৃত্ত ঘাস বেচে বছরে ৳৩০,০০০–৩৫,০০০ বাড়তি আয় হচ্ছে।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
নেপিয়ার ঘাস ও গো-খাদ্য চাষ

নেপিয়ার ঘাস ও গো-খাদ্য চাষ

শুরুর পুঁজি
৳১০,০০০ – ৳৫০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম বিক্রি
৫০ – ৭০ দিন
অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
খরচ উঠতে
৬ – ৮ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
খামার · সহজ

ব্যবসাটি সম্পর্কে

গরু আর ছাগলের জন্য কাঁচা ঘাস চাষ করে বিক্রি করা। ধান বা ভুট্টার মতো এটা এক মৌসুমের ফসল নয় — একবার মুড়া লাগালে ৪ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত একই জমি থেকে ঘাস পাওয়া যায়। রোপণের ৫০ দিনের মাথায় প্রথম কাটিং, তারপর বছরে ৪ থেকে ৬ বার কাটা যায়। বাসসের ২ জুন ২০২৬ তারিখের প্রতিবেদনে বদরগঞ্জের কৃষক মমদেল হোসেন বলেছেন, নিজের খামারের চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত ঘাস বিক্রি করে তিনি প্রতি বিঘায় (৩০ শতক) বছরে ৳৩০,০০০–৩৫,০০০ বাড়তি পান। লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের সোলায়মান মন্ডল তিন বিঘা ঘাস থেকে বছরে ২ লাখ টাকা তুলছেন, তাই ধান চাষ ছেড়ে দিয়েছেন। রংপুর নগরীর খামার মোড়ে ঘাস আঁটি ধরে বিক্রি হয় — বিক্রেতা সবুর আলী কৃষকের কাছ থেকে এক গোছা ৪ টাকায় কেনেন, বাজারে বেচেন ৯ থেকে ১০ টাকায়। এই ফারাকটাই বলে দেয়, ঘাস সরাসরি খামারে দিতে পারলে দাম ভালো, আর ফড়িয়ার হাতে ছেড়ে দিলে অর্ধেকের বেশি সেখানেই থেকে যায়। খরচের দিকটা হালকা: সার-কীটনাশক-মজুরি ধানের চেয়ে অনেক কম লাগে, আর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর উন্নত জাতের নেপিয়ারের কাটিং বিনামূল্যে দেয়। রোপণের ২০ দিন পর একরে ৫০ কেজি ইউরিয়া আর ১৫ কেজি টিএসপি — এটুকুই মূল সার। রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৪ হাজার ৪০ একরে ঘাস হতো, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা ১১ হাজার ৯০ একর ছাড়িয়েছে। মূল ঝুঁকি একটাই — ক্রেতা। ঘাস কেটে ফেললে দুই দিনের বেশি রাখা যায় না, তাই কাটার আগেই কে নেবে সেটা ঠিক থাকতে হয়। আর জমি যদি ভাড়ার হয়, তাহলে বছরের ভাড়ার চেয়ে ঘাসের আয় বেশি কি না — হিসাবটা শুরুর আগেই কষে নেওয়া দরকার।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳১,৫০০ – ৳৬,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৪ – ৳১০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳১ – ৳৩ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৩৮% – ৯০%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৫০ – ৭০ দিনঅভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
খরচ উঠে আসার সময়৬ – ৮ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ২ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৫% – ১৫%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা২৫ – ৮০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • কাস্তে বা দা, আঁটি বাঁধার দড়ি, আর ঘাস খামারে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ভ্যান বা ভাড়ার গাড়ি।যন্ত্রপাতি
  • রোপণের সময় প্রচুর গোবর সার, আর ২০ দিন পর একরপ্রতি ৫০ কেজি ইউরিয়া ও ১৫ কেজি টিএসপি।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন থেকে। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, আর ব্যবসার ধরন অনুযায়ী লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০। নিজের গরুর জন্য ঘাস করলে লাগে না, নিয়মিত বিক্রি করলে লাগে।লাইসেন্স
  • কোন জমিতে ঘাস ধরবে তা বোঝা, আর কোন দিন কতটা কাটবেন সেই হিসাব রাখা। বেশি কাটলে ফেরত যাবে, কম কাটলে খামারি অন্যের কাছে যাবে।দক্ষতা
  • উন্নত জাতের নেপিয়ার ঘাসের কাটিং বা মুড়া — উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর বিনামূল্যে বিতরণ করে। প্রতিবেশী চাষির জমি থেকেও মুড়া নেওয়া যায়।সরবরাহকারী
  • উঁচু, পানি জমে না এমন জমি — এক বিঘা (৩০ শতক) থেকেই শুরু করা যায়। জমি ভাড়ার হলে বছরের ভাড়াটাই সবচেয়ে বড় খরচ।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1ঘাস লাগানোর আগে ক্রেতা গুনুন। আশপাশে কয়টা গরু বা দুধের খামার আছে, তারা দিনে কত ঘাস নেয় — এই হিসাবটা না মিললে ঘাস মাঠেই পড়ে থাকবে।
  2. 2উঁচু জমি বাছুন। রংপুর সদরের কৃষক খয়বার আলীর কথায়, উঁচু মাটিতে এই ঘাস ভালো হয়।
  3. 3উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে যান। সরকার উন্নত জাতের নেপিয়ার ঘাসের কাটিং বিনামূল্যে বিতরণ করে আর চাষ পদ্ধতির প্রশিক্ষণ দেয়।
  4. 4জমি তৈরি করে প্রচুর গোবর সার দিন। সারি থেকে সারির দূরত্ব সাড়ে ৩ থেকে ৪ ফুট রেখে মুড়া লাগান। বর্ষাকালে লাগালে ভালো ধরে।
  5. 5রোপণের ২০ দিন পর একরে ৫০ কেজি ইউরিয়া ও ১৫ কেজি টিএসপি দিন।
  6. 6৫০ দিনের মাথায় প্রথম কাটিং। এরপর বছরে ৪ থেকে ৬ বার কাটা যায়, আর একবার মুড়া লাগালে ৪ থেকে ৫ বছর ফলন চলে।
  7. 7কাটা ঘাস আঁটি বেঁধে নিন। বাজারে ধানের মতোই আঁটি ধরে ঘাস কেনাবেচা হয়, তাই আঁটির মাপ একরকম রাখলে দর নিয়ে তর্ক কম হয়।
  8. 8যতটা পারেন খামারে সরাসরি দিন। ফড়িয়া কৃষকের কাছ থেকে গোছা ৪ টাকায় কেনে আর বাজারে ৯–১০ টাকায় বেচে — মাঝের টাকাটা আপনারও হতে পারে।
  9. 9কোরবানির ঈদের আগের দুই মাসের জন্য আলাদা পরিকল্পনা করুন। বছরের অন্য সময়ের তুলনায় তখন ঘাসের চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
  10. 10৪–৫ বছর পর পুরোনো মুড়া তুলে নতুন করে লাগাতে হয়। সেই খরচ ও কয়েক মাস ফলন না পাওয়ার ধাক্কাটা আগে থেকেই হিসাবে রাখুন।

মৌসুম

  1. জানুকম
  2. ফেব্রুকম
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেবেশি
  6. জুনবেশি
  7. জুলাইবেশি
  8. আগস্টবেশি
  9. সেপ্টেবেশি
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেকম
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীকুড়িগ্রাম · রংপুর বিভাগের যে ৮ জেলায় নেপিয়ারের আবাদ ৪ হাজার ৪০ একর থেকে ১১ হাজার ৯০ একরে উঠেছে, কুড়িগ্রাম তার একটি; গরুর খামারও বাড়ছে।
  • খুব উপযোগীলালমনিরহাট · কালীগঞ্জের শিয়ালখোওয়ার মতো গ্রামে চাষিরা তিন বিঘা ঘাস থেকে বছরে ২ লাখ টাকা তুলছেন, অনেকে ধান ছেড়ে ঘাসে গেছেন।
  • খুব উপযোগীনীলফামারী · একই বিভাগের জেলা, পতিত ও ফসলি জমিতে বাণিজ্যিক ঘাস চাষ ছড়িয়েছে, পাশে ডোমার-ডিমলার খামার।
  • খুব উপযোগীরংপুর · বদরগঞ্জ, তারাগঞ্জ, পীরগাছা ও মিঠাপুকুরে মাঠের পর মাঠ নেপিয়ার ঘাস, আর রংপুর নগরীর খামার মোড়ে আঁটি ধরে ঘাসের নিয়মিত বেচাকেনা।
  • সম্ভবদিনাজপুর · রংপুর বিভাগের জেলা, গরু পালন বেশি; তবে ভুট্টার আবাদ ভালো দাম দেওয়ায় জমি নিয়ে টান পড়ে।
  • সম্ভবগাইবান্ধা · চর ও পতিত জমি অনেক, সেখানে ঘাস ভালো হয় আর বন্যার পর গো-খাদ্যের টানও সবচেয়ে বেশি এখানেই।
  • সম্ভবকুষ্টিয়া · গরু মোটাতাজাকরণের এলাকা; কোরবানির আগে কাঁচা ঘাসের টান সবচেয়ে বেশি এখানেই পড়ে।
  • সম্ভবপাবনা · একই দুধ সংগ্রহ এলাকার জেলা; গাভীর খামার ঘন, তাই ঘাসের ক্রেতা কাছেই।
  • সম্ভবপঞ্চগড় · একই বিভাগের জেলা; ছোট ছোট দুধের খামারের কাছাকাছি জমিতে ঘাস চাষ লাভজনক।
  • সম্ভবসিরাজগঞ্জ · শাহজাদপুর-বাঘাবাড়ির দুধের খামার এলাকা — ক্রেতা হাতের কাছে, আর দুধের খামারে কাঁচা ঘাসের চাহিদা সারা বছর।
  • সম্ভবঠাকুরগাঁও · রংপুর বিভাগের জেলা, খামারের সংখ্যা বাড়ছে, প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে কাটিং বিতরণ চলছে।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিনির্ভরশীলতা: এই ঘাসের ক্রেতা হাতেগোনা — আশপাশের গরু বা দুধের খামার। একটা-দুইটা বড় খামার বন্ধ হলে বা তারা নিজেরাই ঘাস লাগিয়ে ফেললে গোটা মাঠের ঘাসের ক্রেতা হারিয়ে যায়। চালের মতো এই ঘাস দূরে পাঠানোও যায় না, কারণ কাঁচা ঘাস বহন করতে যা খরচ, ঘাসের দাম তার চেয়ে বেশি নয়।
  • বেশিনষ্ট হওয়া: কেটে ফেলা কাঁচা ঘাস রেখে দেওয়া যায় না — এক-দুই দিনেই গরম হয়ে যায় বা পচে। তাই কাটার আগেই কে নেবে তা ঠিক থাকতে হয়। বর্ষায় সমস্যা আরও বাড়ে, কারণ ভেজা ঘাস দ্রুত নষ্ট হয় আর বৃষ্টির দিনে খামারিরা কম নেয়।
  • মাঝারিচাহিদা: কোরবানির ঈদের আগে ঘাসের চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে যায়, আর ঈদের পরেই ধপ করে পড়ে। যারা শুধু ঈদের গরু পালেন তারা তখন আর ঘাস নেন না। ঈদের দাম দেখে জমি বাড়ালে ঈদের পরের মাসগুলোতে ঘাস অবিক্রীত থাকে।
  • মাঝারিচলতি মূলধন: জমি যদি ভাড়ার হয়, তাহলে পুরো হিসাবটাই দাঁড়ায় বছরের ভাড়া বনাম বছরের কাটিংয়ের উপর। বাসসের হিসাবে এক বিঘায় উদ্বৃত্ত ঘাস বেচে বছরে ৳৩০,০০০–৩৫,০০০ আসে; জমির ভাড়া তার কাছাকাছি হলে আর কিছুই থাকে না। দেশের কোথাও জমির ভাড়া এক নয়, তাই নিজের এলাকার ভাড়া জেনে তবেই নামুন।
  • মাঝারিঅন্যান্য: ৪ থেকে ৫ বছর পর মুড়া তুলে নতুন করে লাগাতে হয়। ওই সময় জমি তৈরি ও রোপণের খরচ আবার লাগে আর প্রায় দুই মাস কোনো কাটিং পাওয়া যায় না — অনেকে এই ধাক্কাটা হিসাবে রাখেন না।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা কাজ করেছেবাসসের প্রতিবেদনে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের একজন নেপিয়ার ঘাসচাষি

ধান তুলে তিন বিঘায় নেপিয়ার ঘাস, বছরে আয় ২ লাখ টাকা

তিন বিঘা জমি ধান থেকে নেপিয়ার ঘাসে নিয়ে বছরে আয় ২,০০,০০০ টাকা। বছরে ৪–৫ বার কাটা যায়, একবার লাগালে ৪–৫ বছর ফলন থাকে, আর গরুর খাবারের খরচ কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ।

কারণ
চাহিদা কম

একই রকম আরও ব্যবসা

কৃষি ও খামার

খেজুরের রস ও গুড়

শীতে খেজুরগাছ কেটে রস নামিয়ে জ্বাল দিয়ে গুড় বানানো। ২০২৫-২৬ মৌসুমে দানা গুড় ৳৩৫০–৪০০ কেজি আর পাটালি ৳৪৫০–৬০০ কেজি, কিন্তু কাজটা চলে বছরে মাত্র তিন-চার মাস আর গাছ কাটার গাছি দিন দিন কমছে।

পুঁজি
৳১০ হাজার – ৳৬০ হাজার
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
২০ – ৩৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

ভুট্টা চাষ

ফিড মিল প্রতি কেজি কিনে নেয়, তাই ক্রেতা আগেই ঠিক। এক বিঘায় খরচ ৳১২,০০০–১৪,০০০, ফলন ৩০–৩৬ মণ, আর কাঁচা মণ ৳৭৫০–৮০০ হলেও শুকিয়ে বেচলে ৳১,০৪০–১,০৬০।

পুঁজি
৳১২ হাজার – ৳৪২ হাজার
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১২০ – ১৬০ দিন
অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
কৃষি ও খামার

গম চাষ

অগ্রহায়ণে বুনে চৈত্রে কাটা এক মৌসুমের ফসল। ২০২৫ সালে সরকার কৃষকের কাছ থেকে গম কিনেছে কেজি ৳৩৬ দরে, আর এক বিঘার খরচ ছিল ৳৬,০০০–৭,০০০।

পুঁজি
৳৬ হাজার – ৳৩৫ হাজার
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১০৮ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

বাঁশ চাষ

ঝাড় করে বাঁশ লাগিয়ে বছর বছর বাঁশ কেটে বিক্রি। চারা লাগানোর ৩–৪ বছরের আগে একটি বাঁশও কাটা যায় না; এরপর গ্রামে প্রতিটি বাঁশ ৳১০০–২৫০, হাটে পাইকারি ৳১২৫–৩৫০।

পুঁজি
৳১৫ হাজার – ৳৩ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১,০৯৫ – ২,৯২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান