পেঁয়াজ ও রসুন মজুদ ব্যবসা
মৌসুমে সস্তায় কিনে গুদামে রেখে দাম বাড়লে বিক্রি। কিন্তু দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের ২৫–৩০ শতাংশই পচে যায়, আর এক বছরে দেশি পেঁয়াজের দাম কমেছে ৩০ শতাংশ।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

পেঁয়াজ ও রসুন মজুদ ব্যবসা
- শুরুর পুঁজি
- ৳৭০,০০০ – ৳৪,৭২,৫০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৯০ – ২৫০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ২২ – ৪৮ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
মৌসুমে সস্তায় পেঁয়াজ-রসুন কিনে গুদামে রেখে দাম বাড়লে বিক্রি করা। এখানে কোনো উৎপাদন নেই, কোনো প্রক্রিয়াজাত নেই — শুধু কেনার দর আর বেচার দরের ফারাক। ২৬ মে ২০২৬ তারিখে রাজবাড়ী-ফরিদপুর-পাবনা-কুষ্টিয়া অঞ্চলে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল মণপ্রতি ৳৭০০–১,০৫০ টাকায়, অথচ আগের বছর একই সময়ে ছিল ৳১,৮০০–২,০০০। নিজের জমিতে ফলাতেই কেজিপ্রতি খরচ পড়ে ৳২৮–৩০, বর্গা জমিতে ৳৩৮–৪০। মানে সেই মৌসুমে যে ধরে রেখেছিল, সে-ই লোকসান গুনেছে। আর ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকায় দেশি পেঁয়াজের খুচরা দর ছিল ৳৫০–৫৫, দেশি রসুন ৳১০০–১২০, আমদানি রসুন ৳১৬০–২০০। এক বছরে দেশি পেঁয়াজের দাম কমেছে ৩০ শতাংশ। এই ব্যবসার আসল শত্রু পচন। দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশই নষ্ট হয় শুধু সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় — বছরে ৬ থেকে ৭ লাখ টন। এয়ার-ফ্লো মেশিনে রাখলে ৮–৯ মাস টেকে আর নষ্ট হয় মাত্র ২ থেকে ৪ শতাংশ, কিন্তু সেই মেশিন সবার নেই। মজুদ বসিয়ে রাখার সময়ই ভারত থেকে আমদানির দরজা খুলে গেলে দাম এক রাতে পড়ে যায়। আর আইনও কড়া: কৃষি বিপণন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া গুদাম চালানো, কৃত্রিম সংকট তৈরি করা বা সরকার-নির্ধারিত হারের বেশি মুনাফা নেওয়ার শাস্তি ১ বছর জেল বা ৳১ লাখ জরিমানা, দ্বিতীয়বারে দ্বিগুণ। এই ব্যবসায় লাভ হয় দ্রুত, আর সর্বস্ব যেতেও এক মৌসুমই যথেষ্ট।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৬০,০০০ – ৳৪,৫০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৫০ – ৳৫৫ / কেজি | সরকারি সূত্র | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১৭ – ৳২৬ / কেজি | বাজারদর | |
| মোট লাভের হার | ৫২.৭% – ৬৬% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৯০ – ২৫০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ২২ – ৪৮ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৯০ – ২৪০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২০% – ৩০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৫০ – ৩৫০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- দাঁড়িপাল্লা, বস্তা ও জাল, মাচা তৈরির বাঁশ বা লোহার র্যাক, আর সম্ভব হলে এয়ার-ফ্লো মেশিন। সরকার পেঁয়াজ-রসুনের এলাকায় ৮ হাজার এয়ার-ফ্লো মেশিন বসানোর কর্মসূচি নিয়েছে।যন্ত্রপাতি
- মৌসুমে কেনা পেঁয়াজ বা রসুন। ২৬ মে ২০২৬-এ পেঁয়াজের দর ছিল মণপ্রতি ৳৭০০–১,০৫০। ১০০ মণ কিনলে ৳৭০,০০০–১,০৫,০০০, ৪৫০ মণ কিনলে ৳৩,১৫,০০০–৪,৭২,৫০০।শুরুর মাল
- কৃষি বিপণন লাইসেন্স — কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। কৃষি বিপণন আইন, ২০১৮ এর ৬ ধারা: লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে গুদাম বা হিমাগার চালানো যাবে না। ৫ ধারা: প্রজ্ঞাপিত বাজারে লাইসেন্স ছাড়া বাজারকারবারি হিসাবে কাজ করা যাবে না। ৮ ধারা অনুযায়ী মেয়াদ, নবায়ন ও ফি বিধি দ্বারা নির্ধারিত; ফির অঙ্ক এখানে যাচাই করা যায়নি। লাইসেন্স হস্তান্তর করা নিষিদ্ধ (৯ ধারা)।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। সাধারণত ৩–৫ কর্মদিবসে হয়।লাইসেন্স
- কেনার সময় শুকনো ও শক্ত পেঁয়াজ চেনা, মজুদ উল্টে পচা বাছা, আর সবচেয়ে বড় কথা — কবে বেচতে হবে তা বোঝা। বাজারদর না দেখে ধরে রাখাই এই ব্যবসায় সবচেয়ে বড় ভুল।দক্ষতা
- পাবনা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া ও মেহেরপুরের হাট এবং চাষি বা ফড়িয়া; শহরের দিকে শ্যামবাজারের মতো পাইকারি আড়তের ক্রেতা।সরবরাহকারী
- শুকনো, বাতাস চলাচল করে এমন গুদাম, মেঝে থেকে উঁচু মাচা আর ছাদ দিয়ে পানি না পড়ার নিশ্চয়তা। এয়ার-ফ্লো মেশিন বসানো থাকলে পেঁয়াজ-রসুন ৮–৯ মাস রাখা যায় আর নষ্ট হয় ২–৪ শতাংশ।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1আগে ঠিক করুন কোন মৌসুমের জন্য কিনছেন। দেশি পেঁয়াজ ওঠে শীতের শেষে, আর তখনই দাম সবচেয়ে কম থাকে। ওই সময়ের দর না জেনে কিনতে নামবেন না।
- 2গুদাম ঠিক করুন — শুকনো, বাতাস চলাচল করে এমন ঘর, মেঝে থেকে উঁচুতে মাচা। পেঁয়াজ মাটিতে ঢেলে রাখলে নিচ থেকে পচা ধরে আর পুরো স্তূপ নষ্ট হয়।
- 3কৃষি বিপণন অধিদপ্তর থেকে লাইসেন্স নিন। কৃষি বিপণন আইন, ২০১৮ এর ৬ ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে গুদাম চালানো যায় না, আর ৫ ধারা অনুযায়ী প্রজ্ঞাপিত বাজারে লাইসেন্স ছাড়া কারবারও করা যায় না।
- 4সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং এনবিআর থেকে টিআইএন করে নিন।
- 5কেনার আগে কয়েক দিন হাটে গিয়ে দর লিখে রাখুন। পাবনা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও কুষ্টিয়ার হাটে মণপ্রতি দর প্রতিদিন বদলায়, আর মৌসুমের শুরু-শেষে পার্থক্য অনেক।
- 6কেনার সময় শুকনো, শক্ত আর ঘাড় বন্ধ পেঁয়াজ বাছুন। ভেজা বা হাইব্রিড জাতের পেঁয়াজে পানি বেশি থাকে, তাই তা তাড়াতাড়ি পচে — মজুদের জন্য ওটা কিনবেন না।
- 7গুদামে তোলার আগে ভালো করে শুকান, তারপর পাতলা স্তরে সাজান। প্রতি ১৫ দিন পর পর উল্টে দেখুন এবং পচা বের করে ফেলুন — একটা পচা অনেকগুলো নষ্ট করে।
- 8প্রতিদিনের বাজারদর দেখুন। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর পেঁয়াজ ও আলুর পাইকারি ও খুচরা দর আলাদা করে প্রকাশ করে, আর টিসিবিও দৈনিক দর দেয়। আন্দাজে ধরে রাখবেন না।
- 9ভারত থেকে আমদানির খবরে চোখ রাখুন। আমদানির অনুমতি বা শুল্ক কমার ঘোষণা এলে দাম দ্রুত পড়ে, তাই খবর পেলে ধরে না রেখে বেচে দেওয়াই নিরাপদ।
- 10ধাপে ধাপে বিক্রি করুন, একসঙ্গে নয়। এক দরে পুরো মজুদ ছাড়লে যদি সেই দরটাই সবচেয়ে খারাপ হয়, তাহলে আর শোধরানোর সুযোগ থাকে না।
- 11কৃত্রিম সংকট তৈরি করা বা সরকার-নির্ধারিত হারের বেশি মুনাফা নেওয়া থেকে দূরে থাকুন। চাহিদা থাকা সত্ত্বেও গুদাম থেকে বিক্রি না করাও আইনে অপরাধ, আর ভ্রাম্যমাণ আদালত এই আইনে দণ্ড দিতে পারে।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চবেশি
- এপ্রিলবেশি
- মেবেশি
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেবেশি
- অক্টোবেশি
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীঢাকা · বিক্রির দিক। শ্যামবাজারের মতো পাইকারি আড়ত থেকেই দেশের দর ঠিক হয়, আর টিসিবি ও কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের দৈনিক দরও ঢাকার বাজার ধরেই।
- খুব উপযোগীফরিদপুর · পেঁয়াজের বড় উৎপাদন এলাকা; ২০২৬ সালের মৌসুমে এখানকার দরপতন ও পচনের খবরই সবচেয়ে বেশি এসেছে।
- খুব উপযোগীকুষ্টিয়া · পেঁয়াজ ও রসুন দুটোরই এলাকা, আর ঢাকা-খুলনা সড়কে মাল পাঠানো সহজ।
- খুব উপযোগীপাবনা · দেশের অন্যতম প্রধান পেঁয়াজ অঞ্চল; মৌসুমে হাটে মাল প্রচুর আর দর সবচেয়ে কম থাকে।
- খুব উপযোগীরাজবাড়ী · পেঁয়াজ অঞ্চল, আর সরকারের এয়ার-ফ্লো সংরক্ষণ মেশিন বসানোর কাজ এখানেই সবচেয়ে এগিয়ে।
- সম্ভবচাঁপাইনবাবগঞ্জ · সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি হয়; আমদানির খবর এখানকার দরে সঙ্গে সঙ্গে লাগে।
- সম্ভবদিনাজপুর · হিলি স্থলবন্দর এখানে; ভারত থেকে পেঁয়াজ ঢুকলে সবার আগে এই বাজারের দর পড়ে।
- সম্ভবমেহেরপুর · সীমান্তঘেঁষা পেঁয়াজ এলাকা; দাম কম থাকে, তবে ভারতীয় পেঁয়াজ ঢুকলে প্রভাব এখানেই আগে পড়ে।
- সম্ভবনাটোর · রসুন ও মসলা ফসলের এলাকা; মৌসুমে রসুন কেনার জন্য সুবিধাজনক।
- সম্ভবসাতক্ষীরা · ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আসে; মজুদদারের জন্য এটা সুযোগ আর ঝুঁকি দুটোই।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিনষ্ট হওয়া: পচনই এই ব্যবসার প্রধান শত্রু। ১৫ এপ্রিল ২০২৬-এর হিসাবে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশই সংরক্ষণের ব্যবস্থার অভাবে নষ্ট হয়, বছরে ৬ থেকে ৭ লাখ টন। ঘটনাটা বিরল নয়, স্বাভাবিক। ২৬ মে ২০২৬-এ প্রকাশিত খবরে এক চাষি ৪৫০ মণ পেঁয়াজ রেখে ৪০৫ মণই হারিয়েছেন — অর্থাৎ ৯০ শতাংশ। হাইব্রিড জাতে পানি বেশি থাকে বলে সেগুলো আরও দ্রুত পচে।
- বেশিচাহিদা: দাম ধরে রাখার বাজি একতরফা নয়। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ দেশি পেঁয়াজের ঢাকার খুচরা দর ছিল ৳৫০–৫৫, যা এক বছর আগের তুলনায় ৩০ শতাংশ কম। ২৬ মে ২০২৬-এ মাঠপর্যায়ে দর ছিল মণপ্রতি ৳৭০০–১,০৫০, আগের বছর একই সময়ে ৳১,৮০০–২,০০০। যে ব্যবসায়ী আগের বছরের দর দেখে এবার কিনেছিলেন, তিনি অর্ধেকেরও কম দাম পেয়েছেন।
- বেশিনির্ভরশীলতা: ভারত থেকে আমদানি একটাই ঘোষণায় পুরো মজুদের দাম নামিয়ে দিতে পারে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে প্রায় ৮৬ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে, অথচ উৎপাদন ছিল চাহিদার চেয়ে বেশি। মজুদ বসিয়ে রাখা অবস্থায় আমদানির দরজা খুলে গেলে বেরোনোর পথ থাকে না — বিক্রি করতে গেলে সবাই একসঙ্গে বেচতে নামে।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: কৃষি বিপণন আইন, ২০১৮ এর ১৯ ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া গুদাম চালানো, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা, চাহিদা থাকা সত্ত্বেও গুদাম থেকে বিক্রি করতে অস্বীকার করা, বা সরকার-নির্ধারিত হারের বেশি মুনাফা নেওয়া — সবগুলোই অপরাধ, শাস্তি ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৳১ লাখ পর্যন্ত জরিমানা বা দুটোই, আর একই অপরাধ আবার করলে দ্বিগুণ। ভ্রাম্যমাণ আদালত এই আইনের অধীনে দণ্ড দিতে পারে, তাই দাম বাড়ার সময় অভিযানও বাড়ে।
- বেশিচলতি মূলধন: টাকা মৌসুমে একবারে বের হয়ে যায় আর মাসের পর মাস গুদামে বসে থাকে। এই সময়ে নতুন করে কেনার সুযোগ থাকে না, আর ধারে কিনে মজুদ করলে সুদ চলতেই থাকে যখন মালের দাম পড়ছে। তিন থেকে আট মাস টাকা আটকে থাকা এখানে স্বাভাবিক।
সূত্র
কৃষি বিপণন আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৪ নং আইন) — ধারা ৫, ৬, ৮, ৯, ১৬, ১৯, ২৬
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: বিক্রয় মূল্য · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
মণে দাম ৫ হাজার ছাড়াল, অথচ আড়তে পেঁয়াজই নেই
সাঁথিয়ায় দশ দিনে পেঁয়াজের দাম মণে ৩,২০০–৩,৪০০ থেকে ৫,০০০–৫,৪০০ টাকায় ওঠে, কিন্তু সরবরাহ বন্ধ — ১০ ট্রাকের হাটে এল আধা ট্রাক।
- কারণ
- সরবরাহকারীর সমস্যা, নির্ভরশীলতা
একই রকম আরও ব্যবসা
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামুদি দোকান
পাড়ার প্রতিদিনের জিনিস বিক্রির দোকান। কেজিতে লাভ কয়েক টাকা, তাই আয় নির্ভর করে পরিমাণে — আর দোকান বন্ধ হয় বাকির টাকা আটকে গিয়ে।
- পুঁজি
- ৳৮০ হাজার – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ১০ – ৩০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাঘাট থেকে শহরে তাজা মাছ
ভোরে ঘাট থেকে কেনা, বরফে ঢেকে দুপুরের আগে শহরের দোকানে।
- পুঁজি
- ৳৮০ হাজার – ৳১.৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৩ – ৭ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাগাঁইট কাপড়ের ব্যবসা
বিদেশি পুরনো কাপড় গাঁইট ধরে কিনে বেছে পিস হিসাবে বিক্রি। জ্যাকেটের গাঁইট ৳১৫,০০০, খুচরা পিস ৳২০–২,০০০; তবে গাঁইট বন্ধ অবস্থায় কিনতে হয়, ভেতরে কী আছে কেউ জানে না।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাফেসবুক পেজে পোশাক বিক্রি
পাইকারি বাজার থেকে থ্রিপিস ও শাড়ি কিনে ফেসবুক লাইভে বিক্রি, কুরিয়ারে ডেলিভারি।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳১.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ২১ দিন
