মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

শৌখিন মাছের চাষ

চৌবাচ্চা বা অ্যাকুরিয়ামে গাপ্পি, মলি, গোল্ডফিশ, এনজেল জাতীয় রঙিন মাছ বাচ্চা দিইয়ে বিক্রি করা। গোটা দেশের পাইকারি বাজার একটাই — ঢাকার কাটাবন, যেখানে জরিপে ৪০টি দোকান মিলেছিল।

  • শেষ পর্যালোচনা: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
শৌখিন মাছের চাষ

শৌখিন মাছের চাষ

শুরুর পুঁজি
৳১,০০০ – ৳১৫,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম বিক্রি
৯০ – ১২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৪ – ৩৬ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ঘরে বসে · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

চৌবাচ্চা, হাউজ বা কাচের অ্যাকুরিয়ামে রঙিন মাছ পালন করে বাচ্চা তুলে বিক্রি করা। বাংলাদেশে এই ব্যবসার দুটি আলাদা চেহারা আছে। একটা হলো আমদানির ব্যবসা — থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, মালয়েশিয়া ও জাপান থেকে মাছ এনে ঢাকার কাটাবনে ছাড়া হয়। কাটাবনই গোটা দেশের পাইকারি কেন্দ্র; একটি জরিপে সেখানে ৪০টি অ্যাকুরিয়ামের দোকান পাওয়া গিয়েছিল আর ৩৮টি পরিবারের ১৪৯ প্রজাতির ২৭০ ধরনের মাছ বেচাকেনা হতে দেখা গিয়েছিল। অন্যটা হলো ছোট চাষির ব্যবসা — বাড়ির উঠানে চৌবাচ্চা বানিয়ে গাপ্পি, মলি, প্লাটি জাতীয় মাছ বাচ্চা দিইয়ে বাড়ানো। এই মাছগুলো ডিম পাড়ে না, সরাসরি বাচ্চা দেয়, তাই হ্যাচারি লাগে না। দিনাজপুরের রাকিব ২০২৫ সালের অক্টোবরে বলেছেন, তিনি ৩৬০ টাকায় ছয়টি গাপ্পি কিনে শুরু করেছিলেন, এখন ৪৫টি চৌবাচ্চায় ১৮ প্রজাতির মাছ আছে আর মাসে আয় ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা; তাঁর মাছ ও উপকরণের দাম ১৩ থেকে ১৫ লাখ টাকা। দাম নিয়ে সূত্রগুলো এক জায়গায় দাঁড়ায় না। ২০১৮-১৯ সালের জরিপে কাটাবনে গাপ্পি জোড়া ৪০–৮০ টাকা, মলি ৬০–৩০০, প্লাটি ৬০–১৮০, এনজেল ৫০–৮৫০ আর গোল্ডফিশ ৮০–২,০০০ টাকা ছিল। ২০২০ সালের এক প্রতিবেদনে আবার ভালো জাতের গাপ্পি জোড়া ৪০০ টাকা থেকে শুরু আর ফাইটার জোড়া ১,৫০০–২,৫০০ টাকা বলা হয়েছে। দুটোই সত্যি — সাধারণ জাত আর নামকরা জাতের মধ্যে দামের ফারাক দশ-বিশ গুণ।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳১০,০০০ – ৳৩৫,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৪০ – ৳২,০০০ / এককবিতর্কিত
পরিবর্তনশীল খরচ৳১৫ – ৳৪০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৫০% – ৯০%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৯০ – ১২০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৪ – ৩৬ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৬০ – ১২০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১০% – ৪০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৩ – ৪৫সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • এয়ার পাম্প ও এয়ার স্টোন, বিদ্যুৎ গেলে চালানোর ব্যাটারি বা আইপিএস, ছাঁকনি জাল, বাচ্চা আলাদা করার ছোট পাত্র, পলিথিনের ব্যাগ ও অক্সিজেন সিলিন্ডার। দাম এখানে যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
  • মা-বাবা মাছ। ২০১৮-১৯ সালের কাটাবন জরিপে জোড়া গাপ্পি ৳৪০–৮০, মলি ৳৬০–৩০০, প্লাটি ৳৬০–১৮০, এনজেল ৳৫০–৮৫০, গোল্ডফিশ ৳৮০–২,০০০। ২০২০ সালের প্রতিবেদনে ভালো জাতের গাপ্পি জোড়া ৳৪০০ থেকে ৳৫,০০০। দুটোই পুরনো তথ্য।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০, ৩–৫ কর্মদিবসে দেয়।লাইসেন্স
  • মা মাছ কখন বাচ্চা দেবে চেনা, বাচ্চা আলাদা করা, পানির পচন ও ছত্রাকের রোগ ধরা, আর জ্যান্ত মাছ প্যাক করা। জরিপে দেখা গেছে ২৩ প্রজাতির ৭৬ ধরনের মাছ দেশেই প্রজনন করা হচ্ছে — অর্থাৎ শেখার সুযোগ আছে।দক্ষতা
  • কাটাবনের পাইকারি দোকান — দেশের প্রায় সব আমদানি করা মাছ এখান থেকেই ছড়ায়। জরিপে ৪০টি দোকান পাওয়া গিয়েছিল, আর আমদানি হয় থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, মালয়েশিয়া ও জাপান থেকে।সরবরাহকারী
  • বিদ্যুতের বিকল্প — ব্যাটারিচালিত এয়ার পাম্প বা আইপিএস। এটা সুবিধা নয়, শর্ত; পাম্প বন্ধ থাকলে ঘনবসতির চৌবাচ্চায় কয়েক ঘণ্টায় মাছ মরে যায়।সরবরাহকারী
  • সিমেন্টের চৌবাচ্চা বা হাউজ — ছায়াযুক্ত জায়গায়, পানি ঢোকানো ও বের করার ব্যবস্থাসহ। দিনাজপুরের একজনের খামারে ৪৫টি চৌবাচ্চা আছে। ২০২০ সালের হিসাবে ভাড়া করা জায়গায় মাসে ভাড়া ৳৫,০০০, বিদ্যুৎ ৳২,০০০, পানি ৳৫০০।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1অল্প দিয়ে শুরু করুন — দুই-এক জোড়া গাপ্পি বা মলি। দিনাজপুরের রাকিব ৩৬০ টাকায় ছয়টি গাপ্পি কিনে শুরু করেছিলেন।
  2. 2যে মাছ বাচ্চা দেয় সেগুলো আগে ধরুন — গাপ্পি, মলি, প্লাটি। এরা ডিম পাড়ে না, সরাসরি বাচ্চা দেয়, তাই হ্যাচারি বা ডিম ফোটানোর ঝামেলা নেই।
  3. 3সিমেন্টের চৌবাচ্চা বানান, কাচের অ্যাকুরিয়াম নয়। চৌবাচ্চা সস্তা, ভাঙে না আর অনেক মাছ ধরে; কাচের অ্যাকুরিয়াম দেখানোর জন্য, চাষের জন্য নয়।
  4. 4মা মাছ আলাদা করার ব্যবস্থা রাখুন। গাপ্পি ও মলি নিজের বাচ্চা খেয়ে ফেলে, তাই বাচ্চা হওয়ার সময় মাকে আলাদা পাত্রে নিতে হয়।
  5. 5বিদ্যুৎ না থাকলে কী হবে সেটা আগে ঠিক করুন — ব্যাটারিচালিত এয়ার পাম্প বা আইপিএস। পাম্প বন্ধ থাকলে ঘনবসতির চৌবাচ্চায় কয়েক ঘণ্টাতেই মাছ মরে।
  6. 6শীতের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখুন। পানি ঠান্ডা হলে বাচ্চা মরে আর বাড়ন্ত থেমে যায়; হিটার না থাকলে চৌবাচ্চা ঢেকে দিতে হয়।
  7. 7কাটাবনে গিয়ে নিজে দেখে আসুন কোন মাছ চলছে আর কোন দোকান কত দেয়। গোটা দেশের পাইকারি দর ওখানেই ঠিক হয়; জরিপে সেখানে ৪০টি দোকান পাওয়া গিয়েছিল।
  8. 8ফেসবুকে নিজের পেজ খুলুন আর মাছের ছবি ও ভিডিও নিয়মিত দিন। রাকিবের পেজে ১০ হাজারের বেশি অনুসারী, আর তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ঠাকুরগাঁওয়েও মাছ পাঠান।
  9. 9প্যাক করা শিখুন — পলিথিনে পানি এক ভাগ, অক্সিজেন দুই ভাগ, আর পাঠানোর আগে এক দিন খাবার বন্ধ। না শিখলে পথেই মাছ মরে আর টাকা ফেরত দিতে হয়।
  10. 10নতুন মাছ এনে সঙ্গে সঙ্গে মূল চৌবাচ্চায় ছাড়বেন না। আলাদা পাত্রে অন্তত এক সপ্তাহ রাখুন — বাইরে থেকে আসা একটা মাছের রোগ গোটা খামার শেষ করে দিতে পারে।
  11. 11জাত ধরে ধরে লিখে রাখুন কোনটা কবে বাচ্চা দিল আর কোন জোড়া থেকে কী রং এল। দামি জাত মানেই লাইন ধরে রাখা, আর সেটা খাতা ছাড়া হয় না।
  12. 12দোকান দিলে বা নিয়মিত বিক্রি শুরু করলে ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন — ৩ থেকে ৫ কর্মদিবসে পাওয়া যায়।

মৌসুম

  1. জানুকম
  2. ফেব্রুকম
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেবেশি
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেকম
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীঢাকা · কাটাবনই দেশের একমাত্র পাইকারি বাজার — জরিপে ৪০টি অ্যাকুরিয়ামের দোকান, ১৪৯ প্রজাতির ২৭০ ধরনের মাছ। আমদানি, পাইকারি দর আর ক্রেতা — তিনটাই এখানে।
  • সম্ভবচট্টগ্রাম · বড় শহর, শৌখিন ক্রেতা আছে আর নিজস্ব দোকানপাটও গড়ে উঠেছে; তবে পাইকারি দর এখনো কাটাবনই ঠিক করে।
  • সম্ভবদিনাজপুর · এখানকার একজন চাষি ৪৫টি চৌবাচ্চায় ১৮ প্রজাতির মাছ পালন করে মাসে ৪০–৪৫ হাজার টাকা আয় করছেন আর ফেসবুকে সরাসরি বিক্রি করছেন।
  • সম্ভবগাইবান্ধা · উত্তরাঞ্চলে ছোট পুঁজিতে চৌবাচ্চার খামার গড়ে উঠছে, তবে ঢাকায় মাছ পাঠাতে দূরত্ব বেশি বলে পথে মরার ঝুঁকি বেশি।
  • সম্ভবগাজীপুর · ঢাকার কাছে, বিদ্যুৎ তুলনামূলক ভালো আর জমি সস্তা — চৌবাচ্চা বসানোর জন্য সুবিধাজনক।
  • সম্ভবযশোর · দেশের মাছের পোনার সবচেয়ে বড় কেন্দ্র — জ্যান্ত মাছ প্যাক করা ও দূরে পাঠানোর লোক, গাড়ি ও অভ্যাস তিনটাই তৈরি।
  • সম্ভবময়মনসিংহ · মাছ চাষের পুরনো এলাকা আর বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও হ্যাচারির অভিজ্ঞতা আছে; রঙিন মাছের খামারও এখান থেকেই ছড়িয়েছে।
  • সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার গায়ে লাগা, তাই চৌবাচ্চার খামার থেকে কাটাবনে মাছ পৌঁছাতে পথে মরার ঝুঁকি কম; জায়গার ভাড়াও ঢাকার চেয়ে কম।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিনির্ভরশীলতা: গোটা দেশের পাইকারি বাজার কার্যত একটাই — ঢাকার কাটাবন। জেলার চাষিকে হয় নিজে ঢাকায় মাছ পৌঁছাতে হয়, নয় কাটাবনের দোকানদার যে দাম দেন তাতেই রাজি হতে হয়। দরদাম করার জায়গা প্রায় নেই, আর পরিবহনে মাছ মরলে ক্ষতিটাও চাষিরই।
  • মাঝারিচাহিদা: এটা শখের জিনিস, প্রয়োজনের নয়। সংসারের খরচ বাড়লে অ্যাকুরিয়ামের মাছ সবার আগে বাদ পড়ে। তার উপর কোন জাত চলবে তা বদলায় — আজ যে গাপ্পির লাইনে ভালো দাম, দুই বছর পর সেটাই সবার ঘরে, তখন দাম নেমে যায়।
  • মাঝারিনির্ভরশীলতা: ভালো জাতের মা-বাবা মাছ আসে বাইরে থেকে — থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, মালয়েশিয়া ও জাপান। আমদানি আটকে গেলে বা ডলারের দাম বাড়লে নতুন লাইন আনা যায় না, আর পুরনো লাইনে কয়েক প্রজন্মে রং ও আকার পড়ে যায়।
  • মাঝারিঅন্যান্য: বাইরে থেকে আনা একটি মাছের রোগ গোটা খামার নিয়ে যেতে পারে। নতুন মাছ আলাদা পাত্রে কয়েক দিন না রেখে মূল চৌবাচ্চায় ছেড়ে দেওয়াই এই ব্যবসার সবচেয়ে সাধারণ বড় ভুল, আর ক্ষতিটা ধরা পড়ে এক-দুই সপ্তাহ পরে।
  • বেশিনষ্ট হওয়া: জ্যান্ত মাল, আর মরলে কিছুই থাকে না। বিদ্যুৎ কয়েক ঘণ্টা না থাকলে ঘনবসতির চৌবাচ্চায় অক্সিজেন ফুরিয়ে মাছ মরে; শীতে পানি ঠান্ডা হলে বাচ্চা মরে; আর পলিথিনে ভরে দূরে পাঠানো মাছ পথেই মরে। ২০২১ সালে লকডাউনে দোকান বন্ধ থাকায় কাটাবনে মাছ মরছিল বলে মন্ত্রণালয়কে আলাদা করে দিনে দুই ঘণ্টা দোকান খোলার ব্যবস্থা করতে হয়েছিল।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে রংপুরের একজন রঙিন মাছের খামারি

৩ হাজার টাকায় শুরু, এখন দেড় লাখ রঙিন মাছ আর মাসে ৫০ হাজার

করোনায় ক্যাম্পাস বন্ধ থাকতে ৩,০০০ টাকা আর কিছু অটো ব্রিড মাছ দিয়ে ঘরে শুরু। ৪৫ শতকের পুকুরের মাছ পাঁচ মাস পর বিক্রি হয় বড় লাভে; এখন ৩ পুকুর, ১৮ চৌবাচ্চা, মাসে আয় ৪৫–৫০ হাজার টাকা।

পুঁজি
৳৩ হাজার
চলেছে
৫ মাস
কারণ
চাহিদা কম, চলতি মূলধন

একই রকম আরও ব্যবসা

কৃষি ও খামার

রেশম চাষ ও সুতা

তুঁতপাতায় পলু পুষে গুটি ও রেশম সুতা। ডিম, চারা, উপকরণ ও প্রশিক্ষণ রেশম বোর্ড বিনা মূল্যে দেয়; বোর্ডের হিসাবে সুতার দর কেজি ৳৩,০০১–৩,৭০১।

পুঁজি
৳৩ হাজার – ৳২০ হাজার
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৩০ – ১৮০ দিন
সরকারি সূত্র
কৃষি ও খামার

হাইড্রোপনিক চাষ

মাটি ছাড়া পানিতে সবজি চাষ। ঢাকায় একটি ছাদের অবকাঠামোতেই খরচ হয়েছিল প্রায় ৳২,০০,০০০, আর ঢাকার বাইরে এখনো বাণিজ্যিক ক্রেতা প্রায় নেই।

পুঁজি
৳৪ হাজার – ৳২ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
৪৫ – ১২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

সরিষা চাষ

আমন কাটার পর আর বোরো লাগানোর আগে — মাঝের ৮০-৯০ দিনের ফসল। আগস্ট ২০২৬-এ সরিষার পাইকারি জাতীয় গড় ৳৯১.২৭ কেজি (মণে প্রায় ৳৩,৬৫১), আর সরকারি প্রণোদনায় বিঘাপ্রতি উপকরণ দেওয়া হয় ৳৫৫০.৫০ মূল্যের।

পুঁজি
৳৫ হাজার – ৳৫০ হাজার
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৭৫ – ১১০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

কেঁচো সার উৎপাদন

গোয়ালঘরের পাশে গোবর আর কেঁচো দিয়ে সার তৈরি। সার ৳১০–১৩ কেজি, খরচ ৳৬–৭; কিন্তু আসল আয় কেঁচো বিক্রিতে — কেজি ৳২,০০০।

পুঁজি
৳৫ হাজার – ৳৬০ হাজার
জনবল
১ – ২ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৫০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান