রং ও হার্ডওয়্যারের দোকান
রং, সিমেন্ট, রড, পাইপ, স্যানিটারি ও যন্ত্রপাতির খুচরা দোকান। ১২-০৩-২০২৬ তারিখে ৫০ কেজির সিমেন্ট ৳৪৭৫–৫২০ আর ৬০ গ্রেডের রড টনপ্রতি ৳৮৭,০০০–৮৮,৫০০ — দাম সপ্তাহে সপ্তাহে নড়ে।
- শেষ পর্যালোচনা: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

রং ও হার্ডওয়্যারের দোকান
- শুরুর পুঁজি
- ৳২,০০,০০০ – ৳২০,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম বিক্রি
- ১৫ – ৬০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ২০ – ৬০ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
এই দোকানের আসল কাজ দোকান খোলা নয়, মাল কিনে রাখা। সিমেন্ট, রড, রং, পাইপ, স্যানিটারি, পেরেক, কব্জা, প্লাইউড — একেকটা আলাদা সরবরাহকারীর কাছ থেকে আসে, আর প্রতিটাতেই আগে টাকা বেরোয়, পরে ফেরে। দাম স্থির থাকে না। ১২ মার্চ ২০২৬-এর বাজার প্রতিবেদনে দশ দিনে রডের দাম টনে ১০ হাজার টাকা বেড়ে ৭৫ গ্রেডের রড ৳৯০,০০০–৯৫,০০০ হয়েছে (বিএসআরএম ৯৫ হাজার, কেএসআরএম ৯১ হাজার, জিপিএইচ ৯২ হাজার), ৬০ গ্রেড ৳৮৭,০০০–৮৮,৫০০; আর তিন দিনে সিমেন্ট বস্তায় ২০–২৫ টাকা বেড়ে রুবি ৳৫২০, কনফিডেন্স ৳৫০০, রয়েল ৳৪৯৫, সেভেন রিংস ৳৪৯০, রাজমিস্ত্রি ৳৪৮০, প্রিমিয়ার ৳৪৭৫। গুদামে দশ টন রড থাকলে এই এক ধাক্কায় এক লাখ টাকা লাভ বা লোকসান হয়ে যায় — দোকানির হাতে কিছু নেই। দ্বিতীয় কথা বাকি। রাজমিস্ত্রি ও ঠিকাদারকে বাকিতে মাল দিতে হয়, আর সেই টাকা সময়মতো না উঠলে ব্যবসার চাকা থেমে যায়। তৃতীয় কথা ডিলারশিপ। বার্জারসহ বড় ব্র্যান্ডগুলো ডিলার হওয়ার শর্ত, জামানত বা এলাকা কোথাও প্রকাশ করে না — বার্জারের ওয়েবসাইটে শুধু “Become A Dealer” লেখা একটা যোগাযোগ ফরম আছে, তার বেশি কিছু নয়। তাই জামানত কত, সেটা কোম্পানির লোকের মুখ থেকেই জানতে হবে। রং আবার বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক তালিকায় — ইমালশন, ডিসটেম্পার, সিমেন্ট পেইন্ট ও সিনথেটিক এনামেল সবই আছে; সিমেন্ট (BDS EN 197-1:2023) আর রিবড রড (BDS ISO 6935-2:2021)-ও আছে। অর্থাৎ সনদহীন মাল বেচলে দায় দোকানের ওপরও পড়ে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১,০০,০০০ – ৳৮,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৪৭৫ – ৳৫২০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৪৩৫ – ৳৫০৫ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৩% – ৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ১৫ – ৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ২০ – ৬০ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ১৫ – ৯০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ১% – ৪% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৭ – ৪০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- ওজনের দাঁড়িপাল্লা, রঙের টিনট মেশিন (ব্র্যান্ড দিলে), রড কাটার যন্ত্র, মাল টানার ঠেলা ও খাতা-কলমের হিসাব।যন্ত্রপাতি
- প্রথম মজুত। ছোট দোকানে মাসে ২০০ বস্তা সিমেন্টের সমান মাল ধরলে ৳১,০০,০০০; সিমেন্ট-রড-রং মিলিয়ে বড় দোকানে প্রায় ৳৮,০০,০০০।শুরুর মাল
- বিএসটিআই সনদপ্রাপ্ত পণ্য। ইমালশন পেইন্ট, ইকোনমি ইমালশন (ডিসটেম্পার), সিমেন্ট পেইন্ট, সিনথেটিক এনামেল, সিমেন্ট (BDS EN 197-1:2023) ও রিবড রড (BDS ISO 6935-2:2021) — সবই বিএসটিআইয়ের ৩১৫টি বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায়।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স, সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে। ঢাকা উত্তরে অনলাইনে আবেদন, ৩ কর্মদিবসে ইস্যু, নবায়ন ২ কর্মদিবস। ফি সিটি কর্পোরেশন আদর্শ কর তফসিল, ২০১৬-এর ১০(৪) ধারা অনুযায়ী; নির্দিষ্ট অঙ্ক আমাদের সূত্রে পড়া যায়নি। প্রতি অর্থবছরে নবায়ন।লাইসেন্স
- কোন কাজে কী লাগে তা বলে দেওয়ার ক্ষমতা — কত বস্তা সিমেন্টে কত ফুট ঢালাই, কত লিটার রঙে কত বর্গফুট দেয়াল। রাজমিস্ত্রি এই পরামর্শের জন্যই দোকান বেছে নেন।দক্ষতা
- রঙের ব্র্যান্ডের ডিলারশিপ এবং সিমেন্ট ও রডের পরিবেশক। জামানতের অঙ্ক, এলাকার সীমা, মাসিক লক্ষ্যমাত্রা ও বাকির মেয়াদ কোনো কোম্পানি প্রকাশ করে না — বার্জারের ওয়েবসাইটে শুধু “Become A Dealer” যোগাযোগ ফরম আছে।সরবরাহকারী
- রাস্তার ধারে দোকান, সঙ্গে শুকনো ও ছাউনি দেওয়া গুদাম। সিমেন্ট শুকনো মেঝেয় আর রড ছায়ায় রাখতে হয়। ট্রাক ঢোকার মতো রাস্তা দরকার।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন কী বেচবেন। শুধু রং, নাকি রঙের সঙ্গে সিমেন্ট-রড। সিমেন্ট-রডে বিক্রি বেশি কিন্তু টাকা আটকায় বেশি, আর দাম নিজের হাতে নেই।
- 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন। ঢাকা উত্তরে অনলাইনে আবেদন, ৩ কর্মদিবস; প্রতি বছর নবায়ন, ২ কর্মদিবস।
- 3দোকানের সঙ্গে গুদাম নিন। সিমেন্ট ভেজা মেঝেতে রাখলে জমে যায়, আর রড খোলা আকাশের নিচে রাখলে মরিচা ধরে — দুটোই সরাসরি লোকসান।
- 4রঙের ব্র্যান্ডের এলাকার বিক্রয় অফিসে গিয়ে ডিলার হওয়ার শর্ত জেনে নিন — জামানত কত, এলাকা কতটুকু, মাসে কত মাল তুলতে হবে, বাকির মেয়াদ কত দিন। এসব কোনো কোম্পানি ছাপে না, মুখে জানতে হয়। লিখিত চুক্তি ছাড়া জামানত দেবেন না।
- 5সিমেন্ট ও রডের জন্য আলাদা করে পরিবেশকের সঙ্গে কথা বলুন। কোন ব্র্যান্ড কত দিনের বাকি দেয়, আর কত বস্তায় দাম কমে — এই দুটোই আগে জেনে নিন।
- 6প্রথম চালানে দ্রুত বিক্রি হয় এমন মাল বেশি নিন — সিমেন্ট, পেরেক, তার, পাইপ, সাধারণ রং। ধীরে বিক্রি হয় এমন মাল (দামি স্যানিটারি, বিশেষ রং) অর্ডার পেলে তুলবেন।
- 7বিএসটিআইয়ের সনদ আছে এমন মাল তুলুন। ইমালশন রং, ডিসটেম্পার, সিমেন্ট পেইন্ট, সিনথেটিক এনামেল, সিমেন্ট আর রিবড রড — সবই বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক তালিকাভুক্ত।
- 8বাকির নিয়ম আগেই ঠিক করুন। কাকে কত টাকা পর্যন্ত বাকি, কত দিনের জন্য — খাতায় লিখে রাখুন। রাজমিস্ত্রি ও ঠিকাদারের বাকি সময়মতো না উঠলে ব্যবসার চাকা থেমে যায়।
- 9রড আর সিমেন্টের দাম প্রতি সপ্তাহে দেখে নিন। দশ দিনে টনে ১০ হাজার টাকা নড়তে পারে — দাম বাড়ার খবর পেলে আগে তুলুন, কমার খবরে মজুত হালকা করুন।
- 10রঙের জন্য শেড কার্ড আর মিশ্রণের হিসাব রাখুন। খদ্দের যে রং চায় তা দোকানে না থাকলেও মিশিয়ে দেওয়া গেলে বিক্রিটা হাতছাড়া হয় না।
- 11প্রতি মাসে গুদাম মিলিয়ে দেখুন কোন মাল ছয় মাস ধরে পড়ে আছে। সেটাই মরা মাল — ছাড় দিয়ে ছেড়ে দিন, টাকাটা ঘুরুক।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলবেশি
- মেস্বাভাবিক
- জুনকম
- জুলাইকম
- আগস্টকম
- সেপ্টেকম
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দর দিয়ে ক্লিংকার ও স্টিল স্ক্র্যাপ ঢোকে, সিমেন্ট কারখানাও কাছেই — সরবরাহের দিক থেকে সুবিধাজনক।
- খুব উপযোগীঢাকা · সবচেয়ে বড় নির্মাণ বাজার, আর রড-সিমেন্টের দর এই বাজার ধরেই ছাপা হয়।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · কারখানা ও শ্রমিক-বসতি বাড়ছে, তাই ছোট ছোট নির্মাণকাজ সারা বছর চলে।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার লাগোয়া শিল্প ও নির্মাণ এলাকা, নদীপথে সিমেন্ট-রড আসে বলে মাল তোলা সহজ।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরাঞ্চলের বাণিজ্যকেন্দ্র, আশপাশের জেলায় মাল ছড়ায় এখান থেকে।
- সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়কের ধারে বড় বাজার, প্রবাসী আয়ে বাড়ি তোলার কাজ চলে।
- সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর ও বন্দর-সংলগ্ন এলাকা, আশপাশের উপজেলায় মাল যায় এখান থেকে।
- সম্ভবময়মনসিংহ · নতুন বিভাগীয় শহর, সরকারি অবকাঠামোর কাজ চলছে।
- সম্ভবরাজশাহী · বিভাগীয় শহরে সরকারি ও বেসরকারি নির্মাণকাজ চলতে থাকে।
- সম্ভবসিলেট · প্রবাসী আয়ে বাড়ি ও দোকান তোলার কাজ বেশি, দামি রং ও স্যানিটারির খদ্দেরও মেলে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচলতি মূলধন: দাম এক সপ্তাহেই পাল্টে যায়। ২০২৬ সালের ১২ মার্চের প্রতিবেদনে দশ দিনে রডের দাম টনে ১০ হাজার টাকা বেড়েছে (৭৫ গ্রেড ৳৮০,০০০–৮৩,০০০ থেকে ৳৯০,০০০–৯৫,০০০), আর তিন দিনে সিমেন্ট বস্তায় ২০–২৫ টাকা। গুদামে ১০ টন রড থাকলে এতে এক লাখ টাকা লাভ বা লোকসান — উল্টো দিকেও একই।
- বেশিবাকিতে বিক্রি: রাজমিস্ত্রি ও ঠিকাদারকে বাকিতে মাল দিতে হয়, আর সেই টাকা সময়মতো না উঠলে ব্যবসার চাকা থেমে যায়। কত দিনে টাকা ওঠে তার কোনো সংখ্যা আমরা সূত্রে পাইনি — ডিলারের বাকির মেয়াদও কেউ প্রকাশ করে না। তাই নিজের চোখে দেখে খাতায় লিখে সীমা বেঁধে দেওয়া ছাড়া উপায় নেই।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: রঙের ডিলারশিপ কোম্পানির হাতে। জামানত, এলাকা আর মাসিক লক্ষ্যমাত্রা কোথাও লেখা নেই, সবই মুখের কথায় ঠিক হয়। এলাকার ভেতরে দ্বিতীয় ডিলার বসালে বা লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে দিলে দোকানির কিছু বলার থাকে না — তাই জামানত দেওয়ার আগে লিখিত চুক্তি নিন।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: রং, সিমেন্ট আর রড তিনটিই বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক সনদের তালিকায়। সনদ ছাড়া মাল তাকে থাকলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দোকানও ধরা পড়ে — বিদ্যুতের তারের ক্ষেত্রে এমন অভিযানে দোকানকে ৳১০,০০০ জরিমানা করা হয়েছে।
- মাঝারিচাহিদা: এই ব্যবসা নির্মাণকাজের ওপর বসে আছে। ১২ মার্চ ২০২৬-এর প্রতিবেদনে দাম বাড়ার একটি কারণ হিসেবেই বলা হয়েছে, নির্বাচনের পর নির্মাণকাজের চাহিদা ফিরে এসেছে। উল্টোটাও হয় — কাজ বন্ধ থাকলে গুদামভর্তি মাল নিয়ে বসে থাকতে হয়।
সূত্র
Berger Paints Bangladesh — Sales Offices / “Become A Dealer” যোগাযোগ ফরম
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, requirements.SUPPLIER · বাংলাদেশ
Berger Paints Bangladesh — অন্দরের রঙের পণ্য ও প্যাক আকার
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: বিক্রয় মূল্য · বাংলাদেশ
List of 315 Products Brought Under Mandatory Certification Marks
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: requirements.INVENTORY · বাংলাদেশ
Retail and Store Rack for Supermarket — Nupa Enterprise, South Banasree (bikroy.com listing)
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · দক্ষিণ বনশ্রী, খিলগাঁও, ঢাকা
- সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · খিলগাঁও চৌরাস্তা, ঢাকা
- সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · মিরপুর, ঢাকা
- সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · পশ্চিম কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা
ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন পদ্ধতি
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকা
হার্ডওয়্যার ব্যবসার আইডিয়া: শুরু থেকে সফল হওয়ার পূর্ণাঙ্গ গাইড
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: capitalMinPaisa · বাংলাদেশ
রডের দাম ১০ দিনে টনপ্রতি ১০,০০০ টাকা বাড়ল; সিমেন্ট বস্তায় ২৫ টাকা বেশি
সংগ্রহ: ১২ মার্চ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, শুরুর পুঁজি, দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা, মাসিক চলতি মূলধন, বিক্রয় মূল্য, risks.DEMAND · ঢাকার নির্মাণসামগ্রীর বাজার
নকল বৈদ্যুতিক তার বিক্রির অপরাধে জরিমানা, দোকান সিলগালা
সংগ্রহ: ২১ জুল, ২০২২যে হিসাবের সূত্র: risks.COMPLIANCE · নবাবপুর ইলেকট্রিক মার্কেট, ঢাকা
- সংগ্রহ: ৩১ জানু, ২০১৬
যে হিসাবের সূত্র: requirements.LICENSE · বাংলাদেশের সকল সিটি কর্পোরেশন
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাকসমেটিকস দোকান
ক্রিম, শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ ও সাজসজ্জার পণ্য বিক্রির দোকান। বিএসটিআই-এর বাধ্যতামূলক তালিকায় অন্তত ১৮টি প্রসাধনী — সনদ ছাড়া বা কাগজবিহীন আমদানি করা মাল তুললে দায় দোকানদারের।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাচশমার দোকান
ফ্রেম আর লেন্স এনে দোকানে বসে চশমা বানিয়ে দেওয়া। একজোড়া সাধারণ চশমা ৳৬৪৯ থেকে ৳৫,৪০০ (অনলাইন দর, ২১-০৯-২০২৬)। বিএসটিআইয়ের কোনো সনদ লাগে না, ট্রেড লাইসেন্সই একমাত্র কাগজ।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাপোষা প্রাণীর খাবার ও সামগ্রীর দোকান
বিড়াল-কুকুরের আমদানি করা খাবার, লিটার ও সরঞ্জামের দোকান। শুকনো খাবার কেজিপ্রতি ৳৪৮৭ থেকে ৳১,৯০০ (২১-০৯-২০২৬)। খাবারে আমদানি শুল্ক ২৫%, আর চাহিদা এখনো মূলত ঢাকাকেন্দ্রিক।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১০ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামাছের আড়ত
চাষির মাছ নিলামে তুলে কমিশনে বিক্রি। কমিশন প্রায় ৩ শতাংশ, আর চাষিকে ধরে রাখতে বিনা সুদে দাদন দিতে হয় — লাভটা আসলে ভলিউমে।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১২ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
