মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

ফ্ল্যাট ও জমি ব্রোকারেজ

ক্রেতা ও বিক্রেতাকে মিলিয়ে দিয়ে কমিশন নেওয়া। ব্রোকারির জন্য আলাদা সরকারি লাইসেন্স লাগে না, পুঁজি বলতে একটা ফোন; ঢাকায় ফ্ল্যাট বিক্রি হয় ১ কোটি থেকে ১১ কোটি টাকায়।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
ফ্ল্যাট ও জমি ব্রোকারেজ

ফ্ল্যাট ও জমি ব্রোকারেজ

শুরুর পুঁজি
৳১,০০০ – ৳১,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম বিক্রি
৩০ – ২৭০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
২ – ১২ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ঘুরে ঘুরে সেবা · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

ক্রেতা আর বিক্রেতাকে মিলিয়ে দেওয়া — ফ্ল্যাট, জমি, দোকান বা ভাড়ার বাড়ি। এটা ডেভেলপারি নয়, আর দুটোকে এক করে ফেললে বড় ভুল হয়। রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী যে প্রতিষ্ঠান ভবন বানিয়ে বিক্রি করে তাকে ডেভেলপার হিসেবে নিবন্ধন নিতে হয়, আর নিবন্ধন ছাড়া উন্নয়নকাজ করলে শাস্তি আছে। কিন্তু ওই আইনের কোথাও ব্রোকার, দালাল বা এজেন্টের জন্য আলাদা নিবন্ধন বা লাইসেন্সের কথা নেই। অর্থাৎ ব্রোকারির জন্য সরকারি লাইসেন্স লাগে না — ট্রেড লাইসেন্সটুকুই যথেষ্ট, আর পুঁজি বলতে একটা ফোন। ডেভেলপারি করতে গেলে জমি, নকশার অনুমোদন আর কোটি টাকার নির্মাণ লাগে; ব্রোকারিতে তার কিছুই লাগে না। লেনদেনের অঙ্ক কেমন? ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ একটি বড় সম্পত্তি ওয়েবসাইটে ঢাকার ফ্ল্যাট বিক্রির চাওয়া দাম ছিল গুলশান ও বনানীতে ১ কোটি টাকা থেকে, উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরে ৩ কোটি ৩০ লাখ, গুলশান ২-এ ৫ কোটি আর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। অর্থাৎ শতকরা এক টাকা কমিশনেও একটি ফ্ল্যাটে এক লাখ টাকার বেশি হয়। কিন্তু ব্রোকাররা আসলে কত শতাংশ নেন, তা বাংলাদেশে কোথাও প্রকাশিত নেই — এই পাতায় তাই সেই সংখ্যা দেওয়া হয়নি। আর টাকা আসে একদম শেষে, দলিল রেজিস্ট্রির দিন। ক্রেতা-বিক্রেতা পরিচয় হয়ে যাওয়ার পর তাঁরা নিজেরা মিটিয়ে নিলে ব্রোকারের হাতে কিছুই থাকে না — তাই দেখানোর আগেই কমিশনের হার লিখিতভাবে ঠিক করে নেওয়াটাই এই ব্যবসার একমাত্র আসল কাজ।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৩,০০০ – ৳২৫,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳১০,০০০ – ৳২,০০,০০০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
পরিবর্তনশীল খরচ৳৩,০০০ – ৳৩০,০০০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৭০% – ৮৫%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৩০ – ২৭০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়২ – ১২ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৩০ – ১৮০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার২০% – ৪০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা২ – ৬সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • একটা ফোন যাতে ছবি ও ভিডিও তোলা যায়, আর যাতায়াতের ব্যবস্থা। বাড়তি কোনো যন্ত্রপাতি, দোকান বা মজুদ লাগে না — এখানেই ব্রোকারির সঙ্গে ডেভেলপারির পার্থক্য।যন্ত্রপাতি
  • কোনো সম্পত্তি নিজের কিনতে হয় না। ব্রোকার শুধু মেলান; জমি বা ফ্ল্যাটে টাকা আটকায় না। যে মুহূর্তে নিজে কিনে রাখতে শুরু করেন, সেটা আর ব্রোকারি থাকে না — তখন পুঁজির অঙ্ক কোটি টাকার ঘরে চলে যায়।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কার্যদিবসে পাওয়া যায়। ব্রোকারির জন্য এটিই একমাত্র কাগজ।লাইসেন্স
  • ব্রোকার বা এজেন্টের জন্য আলাদা কোনো সরকারি নিবন্ধন নেই। রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৪৮ নং আইন) কেবল রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারকে নিবন্ধন করায় (ধারা ৫), আর নিবন্ধন ছাড়া উন্নয়নকাজ করলে দণ্ডের বিধান রেখেছে (ধারা ১৯)। নিজে ভবন বানিয়ে বিক্রি করতে চাইলে তখন এই নিবন্ধন বাধ্যতামূলক হয়ে যায়।লাইসেন্স
  • কাগজ পড়তে পারা — দলিল, খতিয়ান ও নামজারি, খাজনার দাখিলা, এবং অনুমোদিত নকশা। মৌজা রেট আর বাজারদরের পার্থক্য বোঝা, আর রেজিস্ট্রির খরচ কোন হিসাবে বসে তা জানা।দক্ষতা
  • সম্পত্তির খবরের উৎস — বাড়িওয়ালা, ভবনের ম্যানেজার ও দারোয়ান, স্থানীয় দোকানদার, আর অনলাইন তালিকার ওয়েবসাইট। একই সম্পত্তি অনেক ব্রোকারের কাছে থাকে, তাই খবর কত আগে পেলেন সেটাই পার্থক্য গড়ে দেয়।সরবরাহকারী
  • আলাদা অফিস লাগে না; ফোন আর যাতায়াতেই কাজ চলে। এলাকায় নাম হলে অনেকে ছোট একটা অফিস নেন, তবে সেটা বাধ্যতামূলক নয়।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1একটা এলাকা বেছে নিয়ে সেটাই ভালো করে চিনুন — কোন ভবন কবে হয়েছে, কোন রাস্তায় পানি ওঠে, কোথায় গ্যাসের লাইন আছে। যে ব্রোকার এলাকা চেনেন না, তিনি শুধু ঠিকানা বলে দেওয়ার লোক।
  2. 2বিক্রি বা ভাড়া হবে এমন সম্পত্তির নিজের তালিকা বানান। বাড়িওয়ালা, দারোয়ান, ভবনের ম্যানেজার আর স্থানীয় দোকানদারের কাছ থেকেই খবর আসে — বিজ্ঞাপন দেখে নয়।
  3. 3সম্পত্তি দেখানোর আগেই মালিকের সঙ্গে কমিশনের হার আর কে দেবে তা লিখিতভাবে ঠিক করুন। এটাই এই ব্যবসার সবচেয়ে জরুরি ধাপ — মুখের কথায় কাজ শুরু করলে শেষে হাত খালি থাকে।
  4. 4কাগজ যাচাই করুন — দলিল, নামজারি (খতিয়ান), হালনাগাদ খাজনার দাখিলা, আর ফ্ল্যাট হলে রাজউক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত নকশা ও ভবনের অনুমোদন। কাগজ না দেখে ক্রেতা আনলে দায় আপনার উপরেই পড়ে।
  5. 5জমি হলে মৌজা রেট দেখে নিন। সরকারি মৌজা রেট আর বাজারদর আলাদা — একটি তালিকায় কাঁচপুরের জমির বিজ্ঞাপনে সরকারি মৌজা রেট দেখানো হয়েছিল শতাংশপ্রতি ৳৪৪,৮১,৭৭২। রেজিস্ট্রির খরচ এই রেটের উপর বসে, তাই দুই দর আলাদা করে ক্রেতাকে বোঝানো আপনার কাজ।
  6. 6ক্রেতাকে আগে জিজ্ঞেস করুন টাকা কোথা থেকে আসছে — নগদ, ব্যাংক ঋণ, না প্রবাসী আত্মীয়ের পাঠানো টাকা। এটা না জেনে দশটা ফ্ল্যাট দেখালে দশ দিনই নষ্ট।
  7. 7দেখানোর সময় একসঙ্গে যান, আর ক্রেতা-বিক্রেতাকে সরাসরি নম্বর দেওয়ার আগে চুক্তির বিষয়টা পরিষ্কার রাখুন। পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পর দুই পক্ষ নিজেরা মিটিয়ে নিলে আপনার আর করার কিছু থাকে না।
  8. 8দরদামে দুই পক্ষের কাছেই সত্যি কথা বলুন। বিক্রেতাকে বেশি আর ক্রেতাকে কম বলে দর ঠিক করালে দলিলের দিনেই সেটা ধরা পড়ে আর পুরো লেনদেন ভেঙে যায়।
  9. 9সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রির দিন নিজে উপস্থিত থাকুন, আর সেদিনই কমিশন বুঝে নিন। রেজিস্ট্রি হয়ে গেলে টাকা আদায়ের জোর অনেক কমে যায়।
  10. 10নিয়মিত কাজ হলে সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন। মনে রাখবেন, ব্রোকারির জন্য আলাদা সরকারি নিবন্ধন লাগে না; কিন্তু নিজে ভবন বানিয়ে বিক্রি করতে গেলে তখন ডেভেলপার হিসেবে নিবন্ধন নিতেই হবে।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দরকেন্দ্রিক অর্থনীতি আর ঢাকার পরে সবচেয়ে বড় ফ্ল্যাট বাজার; বাণিজ্যিক জায়গা ও গুদামের চাহিদাও আলাদা করে আছে।
  • খুব উপযোগীঢাকা · দেশের ফ্ল্যাট বাজারের প্রায় পুরোটাই এখানে। ১৬-০৯-২০২৬ তারিখে একটি সম্পত্তি ওয়েবসাইটে ঢাকার চাওয়া দাম ছিল গুলশান-বনানীতে ১ কোটি থেকে, উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরে ৩ কোটি ৩০ লাখ, গুলশান ২-এ ৫ কোটি, বসুন্ধরা আবাসিকে ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · কারখানা ও আবাসনের বিস্তার একসঙ্গে চলছে; শ্রমিক আবাসনের ভাড়ার বাজার বড়, আর ঢাকার দাম বাড়ায় ক্রেতা এদিকে সরছেন।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার লাগোয়া শিল্প এলাকা; কাঁচপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে জমি ও কারখানার শেড বিক্রির বিজ্ঞাপন নিয়মিত ওঠে, আর প্রস্তাবিত মেট্রোরেল লাইন-৪ কমলাপুর থেকে মদনপুর পর্যন্ত যাওয়ার কথা।
  • খুব উপযোগীসিলেট · প্রবাসী পরিবারের টাকায় জমি ও ফ্ল্যাট কেনার প্রবণতা বেশি; ক্রেতা দেশের বাইরে থাকায় দেখানো, কাগজ যাচাই ও দলিলের কাজ ব্রোকারকেই সামলাতে হয়, তাই কাজের পরিধি বড়।
  • সম্ভবকক্সবাজার · পর্যটনকেন্দ্রিক জমি ও ফ্ল্যাট কেনাবেচা; তবে জমির শ্রেণি, পাহাড় ও বনভূমির বিধিনিষেধ থাকায় কাগজ যাচাই এখানে সবচেয়ে ঝুঁকির কাজ।
  • সম্ভবকুমিল্লা · প্রবাসী আয়ের বড় জেলা আর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপরে; জেলা শহরে ফ্ল্যাটের বাজার ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে।
  • সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর, তবে লেনদেন ঢাকার তুলনায় অনেক কম আর দামও কম — একই খাটুনিতে কমিশন ছোট হয়।
  • সম্ভবমুন্সীগঞ্জ · পদ্মা সেতুর পর ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হওয়ায় জমির বেচাকেনা বেড়েছে; বেশির ভাগ লেনদেন জমির, ফ্ল্যাটের নয়।
  • সম্ভবরাজশাহী · বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি দপ্তরকেন্দ্রিক ভাড়ার বাজার আছে; বিক্রির চেয়ে ভাড়ার কাজ বেশি, তাই আয়ও ছোট ছোট।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিবাকিতে বিক্রি: পুরো আয় ঝুলে থাকে একটা দিনের উপর — দলিল রেজিস্ট্রির দিন। তার আগে সম্পত্তি দেখানো, কাগজ যাচাই, দরদাম — সব কাজ বিনা পয়সায়। দলিল না হলে এক টাকাও নেই, আর মাঝপথে ক্রেতার ব্যাংক ঋণ আটকে গেলে বা বিক্রেতা মত বদলালে কয়েক মাসের খাটুনি একসঙ্গে শেষ। যাতায়াত আর ফোনের টাকা ততক্ষণে ব্রোকারের পকেট থেকে বেরিয়ে গেছে।
  • বেশিঅন্যান্য: পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পর দুই পক্ষ নিজেরা মিটিয়ে নিতে পারে, আর তখন ব্রোকারের হাতে কিছুই থাকে না। ব্রোকারির জন্য কোনো সরকারি নিবন্ধন বা লাইসেন্স নেই, তাই কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে অভিযোগ করারও জায়গা নেই — লিখিত চুক্তি ছাড়া আইনি দাবি প্রমাণ করা কঠিন। এটা কত ঘন ঘন ঘটে তার কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি, কিন্তু এই ব্যবসার লোকেরা এটাকেই প্রধান ঝুঁকি বলেন।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: কাগজে গোলমাল থাকলে দায় ব্রোকারের উপরেও আসে। ভুয়া দলিল, একই জমি একাধিকবার বিক্রি, নামজারি না হওয়া বা অনুমোদিত নকশার বাইরে তোলা তলা — এসব পরে বেরোলে ক্রেতা প্রথমে ব্রোকারকেই ধরেন। নিজে ভবন বানিয়ে বিক্রি করতে গেলে আবার রিয়েল এস্টেট আইন ২০১০-এর অধীনে ডেভেলপার নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, আর নিবন্ধন ছাড়া উন্নয়নকাজ করলে দণ্ড আছে — অনেকে না বুঝে এই সীমা পার করে ফেলেন।
  • মাঝারিচাহিদা: লেনদেনের সংখ্যা ব্রোকারের হাতে নেই। সুদের হার, রেজিস্ট্রির খরচ, নির্বাচন বা অস্থিরতা — যে কোনো একটাতেই ক্রেতারা অপেক্ষা করতে শুরু করেন, আর তখন তালিকায় সম্পত্তি থাকলেও ক্রেতা থাকে না। একই সম্পত্তি বহু ব্রোকারের কাছে থাকে বলে অল্প কাজের সময় প্রতিযোগিতাও বাড়ে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

একই রকম আরও ব্যবসা

ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

জমি জরিপ ও আমিন সেবা

শিকল-ফিতা বা যন্ত্র দিয়ে জমি মেপে দেওয়া, নকশার সঙ্গে দখল মিলিয়ে দেখা। কাগজের খরচ এখন সরকারি ওয়েবসাইটেই বাঁধা — মৌজা ম্যাপ ৳৬৩০, অনলাইনে খতিয়ান ৳১০০। আমিনের নিজের ফির কোনো সরকারি হার নেই।

পুঁজি
৳১ হাজার – ৳৬১ হাজার
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৩ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

দলিল লেখক

সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বসে জমির দলিল লেখার কাজ। জেলা রেজিস্ট্রারের সনদ লাগে — ফি ৳১,০০০, প্রতি বছর ৳২৫০ দিয়ে নবায়ন। সরকারি পারিশ্রমিক প্রতি ৩০০ শব্দে ৳১০–১৫, কিন্তু টিআইবির গবেষণায় বাস্তবে নেওয়া হয় মক্কেলপ্রতি ৳৫০০–৫,০০০।

পুঁজি
৳১.৩ হাজার – ৳৩ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
৩০ – ১৮০ দিন
বিতর্কিত
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

বীমা এজেন্ট

কমিশনে চলা কাজ, পুঁজি প্রায় শূন্য। লাইফ বীমায় প্রথম বছরের প্রিমিয়ামের সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ কমিশন, আর নন-লাইফে ব্যক্তি এজেন্টের কাজ ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে বন্ধ।

পুঁজি
৳৫০০ – ৳১৫ হাজার
জনবল
১ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

অনলাইন কোর্স বিক্রি

নিজের জানা কাজ শেখানোর কোর্স বানিয়ে বিক্রি। পুঁজি প্রায় শূন্য, কোর্সের দাম ৳১,২৫০–৮,৮০০; তবে নতুন কোর্সের প্রথম ব্যাচে ভর্তি হয় মাত্র ১৬–৭২ জন।

পুঁজি
৳০ – ৳৯০ হাজার
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
১৪ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান