চায়ের দোকান ও ক্যাফে
এক কেজি চা পাতায় প্রায় ২৫০ কাপ; কাপ বিক্রি হয় ৳৫–৩০। ২০ হাজার টাকায় চুলা-সিলিন্ডার-কাপ আর সপ্তাহখানেকের মাল হয়, দোকানের জামানত বা ফ্রিজ হয় না।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

চায়ের দোকান ও ক্যাফে
- শুরুর পুঁজি
- ৳২০,০০০ – ৳১,৫০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৭ – ৩০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ২ – ৪ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · সহজ
ব্যবসাটি সম্পর্কে
রাস্তার পাশে বা বাজারের এক কোণে ছোট একটা ঘর, একটা চুলা, কিছু কাপ আর একটা বেঞ্চ — চায়ের দোকান এভাবেই শুরু হয়। হাতে টাকা না থাকলে মানুষ প্রথমে এই ব্যবসার কথাই ভাবে। কিন্তু কম টাকা মানে সহজ নয়। দেশে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ছয় কোটি কাপ চা বিক্রি হয়, আর তার জন্য লাগে প্রায় দুই লাখ ষাট হাজার কেজি পাতা — অর্থাৎ এক কেজি পাতায় আড়াইশো কাপের মতো চা হয়। গ্রামে-মফস্বলে এক কাপ ৳৫–১০, শহরে ৳১৫–২০, আর মালাই চা বা বিশেষ চায়ে দাম ৳৩০ পর্যন্ত ওঠে। খরচের দিকটা এরকম। ২০২৬-২৭ নিলামবর্ষে চট্টগ্রাম নিলামে চায়ের গড় দর প্রতি কেজি ৳২৮০.৮৮, আর ২৪ আগস্টের নিলামে ৳৩০৬.৭৬। দোকানে কেনা প্যাকেট ডাস্ট চা পড়ে কেজি ৳৪৪০–৪৬২। চিনি ৳১১০–১১৫ কেজি, কনডেন্সড মিল্কের ৪০০ গ্রামের টিন ৳১০৫, আর ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার ৳১,৫৮৫। ২০ হাজার টাকায় কী হয় আর কী হয় না, সেটা আগে বোঝা দরকার। এই টাকায় একটা ডাবল চুলা (৳১,৪৩৬–৪,৯০০), একটা সিলিন্ডার, কেটলি-কাপ-গ্লাস আর সপ্তাহখানেকের পাতা-চিনি-দুধ হয়ে যায়। হয় না দোকানের জামানত, হয় না ফ্রিজ, আর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স ও নিরাপদ খাদ্য নিবন্ধন একসঙ্গে সামলানোও কঠিন। আরেকটা খরচ কেউ হিসাবের খাতায় লেখে না। ফুটপাতে বসলে লাইনম্যানকে দিনে ৳৫০–৫০০ দিতে হয়, কোনো কোনো দোকানে মাসে ৳৫–১০ হাজার। চট্টগ্রামে ভাসমান দোকানিরা দিনে ৳১০০–১৫০ দেন বলে জানিয়েছেন। উচ্ছেদ অভিযানও নিয়মিত — চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মাসে ২৫–৩০টি অভিযান চালায়। জায়গা আর ওই চাঁদাটাই শেষ পর্যন্ত ঠিক করে দেয়, দোকান টিকবে না উঠে যাবে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৬,০০০ – ৳৩০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৫ – ৳৩০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৪ – ৳১২ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৩০% – ৬০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৭ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ২ – ৪ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ৭ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২% – ১০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১৫০ – ৬০০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- গ্যাসের ডাবল চুলা (৳১,৪৩৬–৪,৯০০), ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার (৳১,৫৮৫), কেটলি, ছাঁকনি, কাপ-গ্লাস, চামচ, পানির ড্রাম, বেঞ্চ ও টেবিল। ফ্রিজ থাকলে দুধ ও পাশের খাবার রাখা যায়।যন্ত্রপাতি
- ডাস্ট বা বিওপি গ্রেডের চা পাতা (খুচরা কেজি ৳৪৪০–৪৬২), চিনি (৳১১০–১১৫ কেজি), কনডেন্সড মিল্ক (৪০০ গ্রাম টিন ৳১০৫) বা গুঁড়া দুধ (ড্যানো ডেইলি পুষ্টি ১ কেজি ৳৭৭০), আদা-এলাচ, বিস্কুট ও পাশের খাবার।শুরুর মাল
- নিরাপদ খাদ্য নিবন্ধন — বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। নতুন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ ৩ বছর। ২০২৬ সালের নিরাপদ খাদ্য (নিবন্ধন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা অনুযায়ী রাস্তার খাবার বিক্রেতাদের জন্যও এটি বাধ্যতামূলক।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কর্মদিবসে ইস্যু হয়।লাইসেন্স
- চা বানানোর হাত — একই স্বাদ প্রতিদিন। খদ্দের স্বাদ বদলালে চলে যায় এবং সহজে ফেরে না।দক্ষতা
- পাইকারি মুদি দোকান বা চা ডিলার, আর একটা নিয়মিত এলপিজি ডিলার। সিলিন্ডারের দাম বিইআরসি ঠিক করে দেয়।সরবরাহকারী
- রাস্তার পাশে বা বাজারে ছোট দোকান বা চালা, পানি ও বসার জায়গাসহ। ফুটপাতে বসলে জামানত লাগে না, কিন্তু সিটি কর্পোরেশনের উচ্ছেদ অভিযান চলে — চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মাসে ২৫–৩০টি অভিযান চালায়।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1জায়গা ঠিক করুন — বাসস্ট্যান্ড, বাজারের মোড়, কারখানার গেট, কলেজের সামনে বা মহাসড়কের পাশে। চায়ের দোকানে জায়গাই আসল পুঁজি।
- 2ফুটপাতে না দোকানঘরে বসবেন, আগে ঠিক করুন। ফুটপাতে জামানত লাগে না, কিন্তু প্রতিদিন চাঁদা দিতে হয় আর উচ্ছেদের ঝুঁকি থাকে।
- 3সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন। ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০ আর ব্যবসার ধরন অনুযায়ী লাইসেন্স ফি।
- 4নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন নিন। নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর; রাস্তার খাবার বিক্রেতাও এর আওতায়।
- 5চুলা, সিলিন্ডার, কেটলি, কাপ-গ্লাস, পানির ব্যবস্থা আর বসার বেঞ্চ কিনুন। ডাবল চুলা ৳১,৪৩৬–৪,৯০০, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ৳১,৫৮৫।
- 6পাতা, চিনি ও দুধের সরবরাহ ঠিক করুন। পাইকারি দোকান থেকে বস্তা বা কার্টনে কিনলে খুচরার চেয়ে সস্তা পড়ে — ডাস্ট চা খুচরায় কেজি ৳৪৪০–৪৬২।
- 7শুরুতেই হিসাব করুন এক কেজি পাতায় আপনার কত কাপ হয় আর এক টিন কনডেন্সড মিল্কে কত কাপ যায়। এই দুটো সংখ্যা জানলে কাপের দাম ঠিক করা সহজ।
- 8চায়ের সঙ্গে বিস্কুট, কলা, কেক, পান-সিগারেট রাখুন। বেশির ভাগ দোকানে এই পাশের বিক্রিটাই টিকিয়ে রাখে।
- 9বাকির খাতা রাখুন, কিন্তু কার কত বাকি তা প্রতিদিন লিখুন। আশপাশের দোকানদাররা মাস শেষে শোধ করেন, ভুলে গেলে টাকাটাই মার যায়।
- 10সকাল ও সন্ধ্যা — এই দুই সময়ে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। শীতকালে বিক্রি বাড়ে, প্রচণ্ড গরমে কমে; সেই অনুযায়ী মাল কিনুন।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলকম
- মেকম
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দর, স্টেশন রোড ও নতুন ব্রিজ এলাকায় ভাসমান দোকান অনেক; নগরের ৭১ শতাংশ ফুটপাত দখলে আছে।
- খুব উপযোগীঢাকা · অফিস, কারখানা ও বাসস্ট্যান্ড ঘিরে সারা দিন খদ্দের; তবে ফুটপাতের চাঁদা ও উচ্ছেদ এখানেই সবচেয়ে বেশি।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · চান্দনা চৌরাস্তা, বোর্ডবাজার ও কোনাবাড়ীর কারখানার গেটে শিফট বদলের সময় চায়ের বিক্রি সবচেয়ে বেশি।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঘন বসতি ও কারখানা; ঢাকার সঙ্গে যাতায়াতের পথে বাসস্ট্যান্ডে সারা দিন ভিড়।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; বাজার ও বাসস্ট্যান্ডে দিনভর চাহিদা।
- সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ধারে যাত্রীবিরতির দোকানে রাতভর বিক্রি হয়।
- সম্ভবমৌলভীবাজার · শ্রীমঙ্গল নিলাম কেন্দ্র এখানেই; ২০২৬-২৭ বছরে শ্রীমঙ্গলে গড় নিলাম দর কেজি ৳২৬৪.০৬।
- সম্ভবপঞ্চগড় · পঞ্চগড় নিলাম কেন্দ্রে গড় দর কেজি ৳২৫৩.৮৩ — দেশের তিন কেন্দ্রের মধ্যে সবচেয়ে কম, তাই পাতা সস্তা।
- সম্ভবশরীয়তপুর · আংগারিয়া বাইপাসে মালাই চায়ের দোকান ঘিরে ভিড় হয়; বিকেল ৪টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বিক্রি চলে।
- সম্ভবসিলেট · চা বাগানের এলাকা বলে পাতা কাছেই মেলে, আর প্রবাসী পরিবারের এলাকায় ক্যাফেধর্মী দোকানও চলে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিঅন্যান্য: ফুটপাতে বসলে চাঁদা দিতেই হয়। ২০২৬ সালের মে মাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী গুলিস্তানে ২৫–৩০ হাজার হকারের প্রতিটি দোকান থেকে লাইনম্যানরা দিনে ৳৫০ থেকে ৳৫০০ পর্যন্ত তোলে, কিছু দোকান থেকে মাসে ৳৫–১০ হাজার। চট্টগ্রামের নতুন ব্রিজ এলাকার এক ভাসমান ব্যবসায়ী বলেছেন, দিনে ৳১০০–১৫০ না দিলে বসতেই দেয় না। এই টাকা কোনো রসিদে ওঠে না, আর লাভের হিসাব থেকে সরাসরি কাটা যায়।
- বেশিঅন্যান্য: উচ্ছেদ। সিটি কর্পোরেশনগুলো নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ও উচ্ছেদ অভিযান চালায় — চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন মাসে প্রায় ২৫–৩০টি অভিযান হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনও ২০২৬ সালের আগস্টে ফুটপাত দখলের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে। এক দিনের অভিযানে চুলা, বেঞ্চ ও চালা সব যেতে পারে।
- মাঝারিচলতি মূলধন: কাপের দাম আটকে থাকে, খরচ বাড়ে। কাপ ৳১০ থেকে ৳১২ করলে খদ্দের পাশের দোকানে চলে যায়, কিন্তু চা পাতার নিলাম দর ২০২৫-২৬ বছরের গড় ৳২৪৫.৫০ থেকে ২০২৬-২৭ বছরে ৳২৮০.৮৮ হয়েছে — এক বছরে প্রায় ১৪ শতাংশ বেশি। চিনি ও দুধের দামও নিজের হাতে নেই।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: ট্রেড লাইসেন্স আর নিরাপদ খাদ্য নিবন্ধন দুটোই লাগে। ২০২৬ সালের নিরাপদ খাদ্য প্রবিধানমালায় রাস্তার খাবার বিক্রেতারাও নিবন্ধনের আওতায় এসেছেন — নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০, তিন বছর মেয়াদ। কাগজ ছাড়া চললে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা হয়।
- মাঝারিচাহিদা: বিক্রি পুরোপুরি জায়গার উপরে। কারখানার গেটের দোকান কারখানা বন্ধ হলে মরে যায়, কলেজের সামনের দোকান ছুটিতে বসে থাকে, আর মহাসড়কের দোকান রাস্তা বন্ধ হলেই খালি। শীতে বিক্রি বাড়ে, প্রচণ্ড গরমে কমে।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: মাসিক চলতি মূলধন · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
LPG price cut by Tk 13, 12kg cylinder now Tk 1,585 (BERC, কার্যকর ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
সংগ্রহ: ২ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
চায়ের নিলাম বাজার — ২০২৬-২৭ চা নিলামবর্ষের নিলামভিত্তিক গড় দর
সংগ্রহ: ৩০ আগ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: মাসিক চলতি মূলধন · চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল ও পঞ্চগড় নিলাম কেন্দ্র
All food businesses now need safety registration
সংগ্রহ: ২২ জুল, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
১০ হাজার টাকার ধার থেকে দিনে ১,২০০ কাপ চা
বাবার ধার করা ১০,০০০ টাকায় প্রায় ৩৫ বছর আগে শুরু হওয়া চায়ের দোকানে এখন দিনে ১,০০০–১,২০০ কাপ চা বিক্রি হয়, দাম কাপপ্রতি ৫ থেকে ৬০ টাকা; দোকানের আয়েই উঠেছে ৩৫ লাখ টাকার তিনতলা বাড়ি।
- পুঁজি
- ৳১০ হাজার
- কারণ
- নিয়মিত ক্রেতা, চাহিদা কম
একই রকম আরও ব্যবসা
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণমুড়ির কারখানা
চাল ভেজে মুড়ি বানিয়ে বিক্রি। এক কেজি চালে মুড়ি হয় ৯০০ গ্রাম, মোটা চাল ৳৫০–৫৫ কেজি — তাই মেশিনের মুড়িতে কেজিতে থাকে ৪–৬ টাকা, আর হাতে ভাজা খাঁটি মুড়ি পাইকারি ৳৯০ কেজি।
- পুঁজি
- ৳২০ হাজার – ৳২ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণআচার তৈরি
আম-জলপাই-রসুনের আচার বানিয়ে বয়ামে বিক্রি। দোকানে ব্র্যান্ডের আচার কেজি ৳৩৭৫–৫২৫, আর মোড়কে বিক্রি করলে ঘরের রান্নাঘরেও ৳১,০০০-এর নিরাপদ খাদ্য নিবন্ধন লাগে।
- পুঁজি
- ৳২০ হাজার – ৳৯০ হাজার
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১৪ – ২৮ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণখেজুর ও আখের গুড়
শীতের তিন মাসে খেজুর বা আখের রস জ্বাল দিয়ে গুড় ও পাটালি বানিয়ে বিক্রি। যশোরে গুড় ৳৩৪০ কেজি, পাটালি ৳৫০০ পর্যন্ত। সবচেয়ে বড় লড়াই দামের নয়, ভেজালের।
- পুঁজি
- ৳২৫ হাজার – ৳২ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ৪০ – ৬০ দিন
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণখই ও বাতাসা তৈরি
ধান ভেজে খই আর চিনি-গুড় জ্বাল দিয়ে বাতাসা-কদমা বানানো। চিনির পাইকারি ৳১০২–১০৩ কেজি, বাতাসা বিক্রি ৳১৯০–৩০০ কেজি। পুঁজি খুব কম, বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স লাগে না।
- পুঁজি
- ৳১৫ হাজার – ৳১.৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ১০ – ৪০ দিন
