খেলনা ও উপহারের দোকান
খেলনা ও উপহারসামগ্রীর খুচরা দোকান। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ অনলাইনে খেলনার দাম ৳৫৮ থেকে ৳৩,৮১৫। আমদানি করা খেলনায় সরকারি আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ, আর বিক্রির বড় অংশ ঈদ ও বৈশাখের কয়েকটা সপ্তাহে।
- শেষ পর্যালোচনা: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

খেলনা ও উপহারের দোকান
- শুরুর পুঁজি
- ৳১,৫০,০০০ – ৳১৪,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৩ – ৪৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ১২ – ৩৬ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
খেলনা আর উপহারসামগ্রী বেচার দোকান। দেশের খেলনার বাজার নিয়ে যে হিসাব পাওয়া যায় তা প্রায় ৭,০০০ কোটি টাকার, যার মধ্যে দেশি সরবরাহ প্রায় ৪,০০০ কোটি আর আমদানি প্রায় ৩,০০০ কোটি টাকা (ডিসেম্বর ২০২৫)। অর্থাৎ 'সব খেলনাই চীন থেকে আসে' কথাটা পুরোপুরি ঠিক নয় — আমদানি বাজারের প্রায় ৪৩ শতাংশ, বাকিটা দেশে তৈরি, আর দেশে শতাধিক কারখানা আছে। তবে দোকানের তাকে যা সাজানো থাকে তার বেশির ভাগই চীন থেকে আসা, আর সেগুলো ঢাকার পুরান ঢাকা-চকবাজারসহ পাইকারি বাজার ঘুরে খুচরা দোকানে পৌঁছায়। আমদানির খরচ সরকারি তফসিলে লেখা আছে: এইচএস ৯৫০৩ (তেপায়া গাড়ি, পুতুল, অন্যান্য খেলনা ও ধাঁধা) — আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ; উৎসবের সামগ্রী (৯৫.০৫) ২৫ শতাংশ; খেলাধুলার সরঞ্জাম (৯৫.০৬) ১০ শতাংশ। এটি শুধু শুল্ক, এর উপর মূসক ও অন্যান্য কর বসে; সব মিলিয়ে পণ্যভেদে ৫২ শতাংশ পর্যন্ত যেতে পারে বলে একটি প্রতিবেদন বলছে। দোকানের দিক থেকে দাম কেমন, সেটা দেখা যায়: সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ অনলাইনে ৫৩ পিসের লেগো সেট ৳২৫৫, কাঠের খেলনার ২৩ পিসের সেট ৳৬০০, বুদ্বুদের বন্দুক ৳৮১৫, চুম্বকের ব্লক ৳১,০৮০, আর বাচ্চাদের ছোট ক্যামেরা ৳১,৪৮৫। শিক্ষামূলক খেলনার দাম ৳১০০ থেকে ৳৪,০০০ পর্যন্ত। সবচেয়ে বড় কথাটা নগদ টাকার: এই ব্যবসার আয় সারা বছর সমান নয়। ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, পয়লা বৈশাখ আর পূজার কয়েকটি সপ্তাহেই বিক্রির বড় অংশ হয়, আর তার আগে মাল তুলতে টাকা আগেই বেরিয়ে যায়।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৩০,০০০ – ৳২,৫০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৫৮ – ৳৩,৮১৫ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৩৫ – ৳২,২৮৯ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৩০% – ৪০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৩ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১২ – ৩৬ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৩০ – ১২০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৪ – ৩০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- তাক ও কাচের শোকেস, ভালো আলো, ব্যাটারিচালিত খেলনা পরীক্ষা করার জন্য ব্যাটারি ও টেস্টার, আর অনলাইনে ছবি দিতে একটি ফোন। দাম এখানে যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
- নানা দামের খেলনার মজুত। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর খুচরা দরে খেলনা ৳৫৮ থেকে ৳৩,৮১৫; শিক্ষামূলক খেলনা ৳১০০–৪,০০০। উৎসবের আগে মজুত কয়েক গুণ বাড়াতে হয়। পাইকারি দর ও ছাড়ের হার কোনো সূত্র থেকে যাচাই করা যায়নি — চকবাজারে গিয়ে নিজে দর নিতে হবে।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০; ৩–৫ কর্মদিবসে দেয়, প্রতি বছর নবায়ন। ডিএনসিসি এলাকায় আবেদন অনলাইনে; ইস্যু ৩ কর্মদিবস, নবায়ন ২ কর্মদিবস, ফি সিটি কর্পোরেশন আদর্শ কর তফসিল, ২০১৬-এর ১০(৪) ধারা অনুযায়ী।লাইসেন্স
- কোন বয়সের বাচ্চার জন্য কোন খেলনা, তা বলে দিতে পারা; ছোট খুচরা অংশ ও নিম্নমানের রং চিনতে পারা; আর উৎসবের আগে কত মাল তুলতে হবে তার হিসাব রাখা। এই তৃতীয়টাই বছরের লাভ-ক্ষতি ঠিক করে দেয়।দক্ষতা
- পাইকারি বাজারের সরবরাহকারী — পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকা এই ব্যবসার পরিচিত পাইকারি কেন্দ্র, আর আমদানিকারক ও পাইকাররা সেখানেই বসেন। দেশে তৈরি খেলনার কারখানাও আছে শতাধিক, তাই আমদানি ছাড়াও দেশি সরবরাহের লাইন খোলা যায়।সরবরাহকারী
- বাচ্চা নিয়ে মানুষ হাঁটে এমন জায়গায় দোকান, কাচের শোকেস ও সামনে খোলা সাজানোর জায়গা। খেলনা দেখা না গেলে বিক্রি হয় না। দোকান ভাড়ার অঙ্ক এখানে যাচাই করা যায়নি।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন দোকান কী ধরনের হবে — শুধু খেলনা, নাকি খেলনার সঙ্গে জন্মদিন-বিয়ের উপহার ও মোড়কের সামগ্রী। উপহার যোগ করলে উৎসবের বাইরের মাসগুলোতেও কিছু বিক্রি থাকে।
- 2জায়গা বাছুন যেখানে বাচ্চা নিয়ে মানুষ হাঁটে — স্কুলের গেট, বাজারের মোড়, বা শপিং কমপ্লেক্সের নিচতলা। খেলনার দোকানে বাচ্চাই ক্রেতাকে টেনে আনে।
- 3সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন — ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০; ৩–৫ কর্মদিবসে।
- 4পুরান ঢাকার চকবাজারসহ পাইকারি বাজারে গিয়ে কয়েকটি দোকান ঘুরে দর নিন। একই খেলনার দর দোকানভেদে আলাদা হয়, আর কত পিস নিলে কত ছাড় তা আগে জেনে নিতে হয়।
- 5প্রথম চালান ছোট রাখুন আর বিভিন্ন দামের খেলনা মিশিয়ে নিন — ৳১০০-এর নিচে কিছু, ৳৫০০-এর ঘরে কিছু, আর ৳১,৫০০ থেকে ৳৪,০০০-এর কয়েকটি। কোনটা চলে তা দুই মাসেই বোঝা যায়।
- 6আমদানি করা খেলনার দামে শুল্ক ধরা আছে মনে রাখুন — সরকারি তফসিলে এইচএস ৯৫০৩-এ আমদানি শুল্ক ২৫%, আর মূসকসহ মোট কর পণ্যভেদে আরও বেশি। পাইকারের দর কমানোর জায়গা তাই সীমিত।
- 7উৎসবের মাল অন্তত এক-দুই মাস আগে তুলুন। ঈদুল ফিতর, পয়লা বৈশাখ ও ঈদুল আজহা — ২০২৬ সালে এই তিনটি পড়েছে মার্চ থেকে মে-র মধ্যে, আর ওই সময়ে পাইকারি বাজারে ভিড় ও দাম দুটোই বাড়ে।
- 8উৎসবের মাল নেওয়ার আগে হিসাব করুন বিক্রি না হলে কী হবে। খেলনা পচে না, কিন্তু টাকা মরে থাকে — পরের উৎসব চার মাস পরে।
- 9বৈদ্যুতিক ও ব্যাটারিচালিত খেলনা কেনার সময় নিজে চালিয়ে দেখুন। ফেরত দেওয়ার ঝামেলা পাইকারি বাজারে কঠিন, আর নষ্ট মাল ফেরত না নিলে ক্ষতিটা দোকানের।
- 10ছোট বাচ্চার খেলনায় খুলে আসা ছোট অংশ ও রঙের মান দেখে নিন। খেলনা এখনো বিএসটিআই-এর বাধ্যতামূলক ৩১৫ পণ্যের তালিকায় নেই, কিন্তু প্লাস্টিক খেলনায় বিষাক্ত উপাদান নিয়ে বিধিমালার দাবিতে আইনি নোটিশ হয়েছে, আর বাবা-মায়েরা এখন জিজ্ঞেস করেন।
- 11জন্মদিন ও উপহারের মোড়ক, কাগজ, ফিতা ও কার্ড রাখুন। এগুলোর দাম কম কিন্তু প্রায় প্রতিদিনই বিক্রি হয়, আর ওটাই উৎসবহীন মাসে দোকান চালু রাখে।
- 12ফেসবুক বা অনলাইন পাতায় ছবি দিয়ে বিক্রির লাইন খুলুন। শিক্ষামূলক খেলনার ক্রেতারা অনলাইনে খোঁজেন, আর সেখানে ৳১,০০০-এর উপরের খেলনাও বিকোয়।
মৌসুম
- জানুকম
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চবেশি
- এপ্রিলবেশি
- মেবেশি
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইকম
- আগস্টকম
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোবেশি
- নভেকম
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · আমদানির চালান বন্দর দিয়েই ঢোকে, তাই পাইকারি দর এখানে প্রায়ই ঢাকার কাছাকাছি বা কম; বড় শহরের ক্রেতাও আছে।
- খুব উপযোগীঢাকা · পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকা খেলনা ও উপহারসামগ্রীর পরিচিত পাইকারি কেন্দ্র; আমদানিকারক ও পাইকাররা এখানেই বসেন, তাই খুচরা দোকান মাল তুলতে পারে সবচেয়ে কম খরচে ও সবচেয়ে তাড়াতাড়ি।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · পোশাক শিল্পের বড় শ্রমজীবী জনগোষ্ঠী, আর ঈদে বোনাস পাওয়ার পর কম দামের খেলনার বিক্রি বাড়ে; ঢাকার পাইকারি বাজার এক ঘণ্টার পথ।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · শিল্প এলাকা ও ঘন জনবসতি, আর পুরান ঢাকার পাইকারি বাজার কাছেই — দিনে গিয়ে দিনে মাল আনা যায়।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র — আশপাশের জেলার ছোট দোকানদাররা এখান থেকে ভেঙে নেন, তাই খুচরার সঙ্গে আধা-পাইকারিও চলে।
- সম্ভবকক্সবাজার · পর্যটক পরিবার বাচ্চাদের জন্য খেলনা ও স্মৃতি-উপহার কেনে, কিন্তু বিক্রি পর্যটন মৌসুমে আটকে থাকে — মৌসুমের ঝুঁকি এখানে দ্বিগুণ।
- সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর, দুই পাইকারি বাজারের মাঝখানে; প্রবাসী আয়ের কারণে উৎসবে খরচের সামর্থ্যও বেশি।
- সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর ও আশপাশের জেলার ক্রেতা; তবে মাল আনতে ঢাকার উপর নির্ভর করতে হয়।
- সম্ভবরাজশাহী · বিভাগীয় শহরের ক্রেতা আছে, কিন্তু পাইকারি বাজার ঢাকায় বলে পরিবহন খরচ ও সময় দুটোই বেশি।
- সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ঘনত্ব বেশি, আর ঈদে দেশে আসা আত্মীয়রা বাচ্চাদের জন্য উপহার কেনেন — দামি খেলনার ক্রেতা এখানে তুলনামূলক বেশি।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচলতি মূলধন: আয় সারা বছর সমান নয়, খরচ সমান। ঈদুল ফিতর, পয়লা বৈশাখ ও ঈদুল আজহা ২০২৬ সালে পড়েছে মার্চ থেকে মে-র মধ্যে, আর পূজা আসে শরতে — বাকি মাসগুলোতে বিক্রি পড়ে যায় কিন্তু ভাড়া ও বেতন চলতেই থাকে। উৎসবের মাল তুলতে টাকা বেরোয় এক-দুই মাস আগে, ফিরে আসে উৎসবের সপ্তাহে। একটি উৎসব খারাপ গেলে সেই টাকা পরের উৎসব পর্যন্ত, প্রায় চার মাস, মালেই আটকে থাকে।
- বেশিনির্ভরশীলতা: দোকানের তাকের বেশির ভাগ মালই আমদানি করা, আর দোকানদারের হাতে তার দাম বা সরবরাহের কিছুই নেই। শুল্ক বাড়লে, ডলারের দর বাড়লে বা এলসি আটকে গেলে পাইকারি দর বেড়ে যায় আর খুচরা দাম সঙ্গে সঙ্গে বাড়ানো যায় না। সরকারি তফসিলে খেলনায় আমদানি শুল্ক ২৫%, আর মূসকসহ মোট কর পণ্যভেদে ৫২% পর্যন্ত যেতে পারে বলে একটি প্রতিবেদন বলছে।
- মাঝারিচাহিদা: খেলনা প্রয়োজনের জিনিস নয়। পরিবারের খরচ চাপে পড়লে সবার আগে বাদ যায় খেলনা। এক উদ্যোক্তার হিসাব অনুযায়ী দেশে ০–৮ বছরের প্রায় তিন কোটি শিশু থাকলেও আমদানি করা খেলনা পৌঁছায় তার মাত্র ২০ শতাংশের কাছে, আর তারাও মূলত উচ্চ-মধ্যবিত্ত। অর্থাৎ দামি খেলনার ক্রেতা সংখ্যায় কম, আর তাঁরাই সবচেয়ে আগে খরচ কমান।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: খেলনার মান নিয়ে নিয়ম কী দাঁড়াবে তা অনিশ্চিত। বিএসটিআই-এর বাধ্যতামূলক সনদের ৩১৫ পণ্যের তালিকায় (২০২৫) খেলনা নেই, কিন্তু ২০১৯ সালেই প্লাস্টিক খেলনায় সিসা ও ক্রোমিয়ামের মতো বিষাক্ত উপাদান পাওয়ার গবেষণা দেখিয়ে বিধিমালার দাবিতে সরকারের ১১ জন কর্মকর্তাকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। খেলনা যদি কখনো বাধ্যতামূলক তালিকায় ওঠে, তবে সনদ ছাড়া মাল বিক্রি বন্ধ হবে আর তাকে থাকা মজুতের একটা অংশ হঠাৎ অবিক্রেয় হয়ে যেতে পারে। কবে বা আদৌ হবে কি না, বলা যাচ্ছে না — এটাই ঝুঁকি।
- মাঝারিঅন্যান্য: খেলনা ভাঙে, ব্যাটারিচালিত খেলনা কাজ করে না, আর ক্রেতা ফেরত দিতে আসেন। পাইকারি বাজারে নষ্ট মাল ফেরত নেওয়ার নিয়ম কড়া নয়, তাই ক্ষতিটা খুচরা দোকানেরই। ছোট দোকানে এক চালানে কয়েকটি নষ্ট মাল সেই চালানের লাভ খেয়ে ফেলে।
সূত্র
Bangladesh Customs Tariff, Chapter 95 — Toys, games and sports requisites (অর্থবছর ২০২৬-২৭ তফসিল)
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: risks.DEPENDENCY · বাংলাদেশ
List of 315 Products Brought Under Mandatory Certification Marks (এসআরও ০৩-০৬-২০২৫)
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: risks.COMPLIANCE · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: requirements.SUPPLIER, risks.DEPENDENCY · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকা
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ ও ফি
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: requirements.LICENSE · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাপাথর ও বালু ব্যবসা
নদী থেকে ওঠা পাথর-বালু কিনে নির্মাণের বাজারে বিক্রি। পঞ্চগড়ে ১০০ ঘনফুটের এক ট্রাক্টর পাথর ৳৮,০০০, আর ঢাকায় দেশি থ্রি-ফোর পাথর ঘনফুট ৳১২৩–১২৫ — মাঝখানের পুরোটাই ট্রাকভাড়া আর ইজারার মাশুল।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৩৬৫ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাবাচ্চাদের পোশাকের দোকান
০–১২ বছরের বাচ্চাদের জামাকাপড়ের খুচরা দোকান। পাঞ্জাবি সেট ৳২৬০–৯৮৫, ফ্রক ৳১৫০–৬৫০। বাচ্চা বড় হয়ে যায় বলে মাল পড়ে থাকে না — বড়দের বুটিকের চেয়ে এটাই বড় সুবিধা।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৭ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ২০ – ৪৫ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাস্টেশনারি ও বইয়ের দোকান
খাতা-কলম-কাগজ ও বই বিক্রির সঙ্গে ফটোকপির দোকান। ২০৪ পৃষ্ঠার খাতা ৳৬৮, ৩০০ পৃষ্ঠার খাতা ৳১৬৯, সাদা কাগজ দিস্তা ৳৩৪–৪০। পাঠ্যবই সরকার দেয়, তাই মৌসুমের আয় আসে খাতা ও ফটোকপি থেকে।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাবীজ ও ফিড ডিলারশিপ
কৃষকের বীজ, সার, কীটনাশক ও মাছ-মুরগির খাবারের দোকান। সারে কমিশন সরকার বেঁধে দিয়েছে — এখন কেজিতে ৳২, ১ জুলাই ২০২৭ থেকে ৳৩।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳২৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ১৮০ দিন
