মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

গম চাষ

অগ্রহায়ণে বুনে চৈত্রে কাটা এক মৌসুমের ফসল। ২০২৫ সালে সরকার কৃষকের কাছ থেকে গম কিনেছে কেজি ৳৩৬ দরে, আর এক বিঘার খরচ ছিল ৳৬,০০০–৭,০০০।

  • শেষ পর্যালোচনা: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
গম চাষ

গম চাষ

শুরুর পুঁজি
৳৬,০০০ – ৳৩৫,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম বিক্রি
১০৮ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৪ – ৬ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
খামার · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

গম শীতের ফসল, এক মৌসুমেই শেষ। বিডাব্লিউএমআরআই বলছে বীজ বোনার সবচেয়ে ভালো সময় ১৫ থেকে ৩০ নভেম্বর; আগাম ও তাপসহনশীল জাত হলে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বোনা চলে। বিডাব্লিউএমআরআই গম ৫ জাতের জীবনকাল ১১২–১১৭ দিন, বারি গম ৩৩-এর ১০৮–১১২ দিন। অর্থাৎ বীজ ফেলার প্রায় চার মাসের মাথায় ফসল ঘরে। হেক্টরপ্রতি ১২০–১৩০ কেজি বীজ লাগে, বিঘায় প্রায় ১৬–১৭ কেজি। বিএডিসির ২০২৬-২৭ বর্ষের দর অনুযায়ী প্রত্যায়িত গমবীজ কৃষক পর্যায়ে কেজি ৳৬৬, ভিত্তি বীজ ৳৬৯। টাকা আসে একবারেই, ফসল কাটার পর। ২০২৫ সালের অভ্যন্তরীণ গম সংগ্রহে সরকার কেজিপ্রতি ৳৩৬ দরে কিনেছে, কেনা চলেছে ২৪ এপ্রিল থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত, আর কিনেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত কৃষকের কাছ থেকে 'আগে আসলে আগে বিক্রয় করতে পারবেন' ভিত্তিতে। তালিকায় নাম না থাকলে সরকারি গুদামে গম দেওয়ার সুযোগ নেই, তখন আড়তে বেচতে হয়। এখানেই গমের বড় সমস্যা — একই জমিতে ভুট্টা বা আলু করলে টাকা বেশি ওঠে, তাই আবাদ বছরের পর বছর কমছে। ২০১৬ সালে দেশে গমের ব্লাস্ট রোগ দেখা দেওয়ার পর দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলাগুলোতে চাষিরা ভয় পেয়ে গম ছেড়েছেন। এখন ব্লাস্ট প্রতিরোধী জাত আছে, কিন্তু রোগ এলে শীষ সাদা হয়ে দানা মরে যায়, আর তখন সারা বিঘার ফসল যায়।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳১,৫০০ – ৳৭,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৩২ – ৳৩৬ / কেজিসরকারি সূত্র
পরিবর্তনশীল খরচ৳১২ – ৳২৩ / কেজিসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার২৭% – ৬৮%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১০৮ – ১৮০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৪ – ৬ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র১২০ – ২০০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৫% – ২০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৩ – ২৪সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • জমি তৈরির জন্য পাওয়ার টিলার বা লাঙল, বীজ বপন যন্ত্র থাকলে এক চলায় চাষ-বপন-মই হয়ে যায়, সেচের ব্যবস্থা (শ্যালো বা গভীর নলকূপের পানি কিনে নেওয়া) এবং কাটার পর মাড়াই যন্ত্র। বেশিরভাগ চাষি এগুলো ভাড়ায় নেন; ভাড়ার হার যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
  • বীজ — বিঘায় ১৬–১৭ কেজি (হেক্টরে ১২০–১৩০ কেজি)। বিএডিসির ২০২৬-২৭ দরে কৃষক পর্যায়ে প্রত্যায়িত ৳৬৬/কেজি, ভিত্তি ৳৬৯/কেজি; ডিলার পর্যায়ে ৳৫৮ ও ৳৬১।শুরুর মাল
  • সার — হেক্টরপ্রতি ইউরিয়া ১৫০–১৭৫ কেজি (সঙ্গে উপরি প্রয়োগে আরও ৭৫–৯০ কেজি), টিএসপি ১৩৫–১৫০, এমওপি ১০০–১১০, জিপসাম ১১০–১২৫ এবং বরিক এসিড ৬.২৫–৭.৫০ কেজি। জিংকের ঘাটতি থাকলে হেক্টরে ১২.৫ কেজি জিংক সালফেট।শুরুর মাল
  • কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষক তালিকায় নিবন্ধন। ফসল চাষের জন্য কোনো লাইসেন্স লাগে না, কিন্তু সরকারি গুদামে গম বেচতে হলে এই তালিকায় নাম থাকা বাধ্যতামূলক — ২০২৫ সালের সংগ্রহ আদেশে শর্ত হিসেবে লেখা আছে। ফি নেই।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — কেবল যদি নিজে গম কিনে-বেচার ব্যবসা করেন বা মিলে সরবরাহের চুক্তি করেন। সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ দেয়: ফরম ৳১০, আদর্শ কর ৳৩০, লাইসেন্স বই ৳৫০, প্রয়োজনে নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, ৩–৫ কর্মদিবসে। লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করলে প্রথমবার ৳৫,০০০ ও পরে দৈনিক ৳৫০০ জরিমানা। নিজের জমির ফসল নিজে বেচলে লাগে না।লাইসেন্স
  • গমের ব্লাস্ট ও পাতার দাগ রোগ চেনা এবং সময়মতো সেচ ও উপরি সার দেওয়ার হিসাব জানা। বিডাব্লিউএমআরআই গমের ব্লাস্ট রোগের আগাম সতর্কীকরণ সিস্টেম চালায়, সেটি দেখে নেওয়া যায়।দক্ষতা
  • উঁচু ও ভালো নিষ্কাশনের জমি, আর মাড়াই ও শুকানোর জন্য খোলা পাকা উঠান। ভেজা গম গুদামে নেয় না, তাই শুকানোর জায়গা না থাকলে ফসল কাটার পরেই সমস্যা।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1জমি দেখুন। গম দাঁড়ানো পানি সহ্য করে না, তাই উঁচু ও ভালো নিষ্কাশনের জমি লাগে। আগের ফসল আমন ধান হলে কাটার পরপরই জমি খালি পাওয়া যায়, সেটাই গমের সবচেয়ে ভালো সুযোগ।
  2. 2কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপজেলা অফিসে গিয়ে কৃষকের তালিকায় নাম তুলুন। সরকারি গুদামে গম বেচতে হলে এই তালিকায় নাম থাকা বাধ্যতামূলক — ২০২৫ সালের সংগ্রহ আদেশে স্পষ্ট লেখা আছে, কেনা হবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক তালিকাভুক্ত কৃষকের কাছ থেকে।
  3. 3জাত বাছুন। ব্লাস্ট রোগের এলাকায় বারি গম ৩৩ নিন — এটিই প্রথম ব্লাস্ট প্রতিরোধী জাত, ফলন ৪.৮–৫.৫ টন/হেক্টর, জীবনকাল ১০৮–১১২ দিন। দেরিতে বুনতে হলে বিডাব্লিউএমআরআই গম ৪ বা ৫ নিন, এগুলো তাপসহনশীল।
  4. 4বীজ কিনুন হিসাব করে। বিঘায় ১৬–১৭ কেজি লাগে (হেক্টরে ১২০–১৩০ কেজি, গজানোর ক্ষমতা ৮০ ভাগের বেশি হলে)। বিএডিসির ২০২৬-২৭ দরে কৃষক পর্যায়ে প্রত্যায়িত বীজ কেজি ৳৬৬, ভিত্তি বীজ ৳৬৯। নিজের রাখা গম বীজ হিসেবে দিলে গজানো কম হয়।
  5. 5বীজ শোধন করুন। প্রতি কেজি বীজে ৩ গ্রাম প্রোভেক্স-২০০ মিশিয়ে শোধন করলে বীজবাহিত রোগ কমে আর বিডাব্লিউএমআরআই-এর হিসাবে ফলন ১০–১২ ভাগ বাড়ে।
  6. 6১৫ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বুনুন। সারিতে বুনলে ২০ সেমি দূরে দূরে ৪-৫ সেমি গভীরে। দেরি হলে ফলন পড়ে যায়, আর ডিসেম্বরের ১০ তারিখের পর বুনলে আগাম জাত ছাড়া ভালো ফলন আসে না।
  7. 7শেষ চাষের আগে হেক্টরপ্রতি ১৫০–১৭৫ কেজি ইউরিয়ার দুই-তৃতীয়াংশ, ১৩৫–১৫০ কেজি টিএসপি, ১০০–১১০ কেজি এমওপি ও ১১০–১২৫ কেজি জিপসাম দিন। বাকি ইউরিয়া বপনের ১৭–২১ দিনের মধ্যে উপরি প্রয়োগ করুন।
  8. 8বপনের পর ১০–১২ দিন পাখি তাড়ানোর ব্যবস্থা রাখুন, আর ২৫–৩০ দিনের মধ্যে জো অবস্থায় নিড়ানি দিন। বিডাব্লিউএমআরআই বলছে সময়মতো আগাছা দমনে ফলন ১৫ ভাগ বাড়ে।
  9. 9চারার তিন পাতা বয়সে প্রথম সেচ দিন, তারপর মাটি ভেজা থাকতে থাকতে হেক্টরপ্রতি ৭৫–৯০ কেজি ইউরিয়া উপরি প্রয়োগ করুন। সেচ ছাড়া গম হয়, কিন্তু ফলন অনেক কম।
  10. 10শীষে দাগ রোগ দেখলে শীষ বের হওয়ার সময় ১০ লিটার পানিতে ৫ মিলি টিল্ট ২৫০ ইসি মিশিয়ে ৫ শতাংশ জমিতে স্প্রে করুন। ব্লাস্ট রোগে শীষ হঠাৎ সাদা হয়ে যায়; তখন করার কিছু থাকে না, তাই এলাকাটি ব্লাস্টপ্রবণ হলে আগেই প্রতিরোধী জাত নিতে হবে।
  11. 11দানা শক্ত হলে কাটুন, মাড়াই করে ভালো করে শুকিয়ে নিন। ভেজা গম গুদামে নেবে না, আর আড়তেও দাম কাটা যায়।
  12. 12তালিকায় নাম থাকলে উপজেলা খাদ্য গুদামে যোগাযোগ করুন। ২০২৫ সালে সংগ্রহ চলেছে ২৪ এপ্রিল থেকে ৩১ জুলাই, দর কেজি ৳৩৬, আর নিয়ম ছিল 'আগে আসলে আগে বিক্রয়'। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে গেলে গুদাম আর নেয় না, তাই দেরি করা যাবে না।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টকম
  9. সেপ্টেকম
  10. অক্টোকম
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীদিনাজপুর · উত্তরের গমের কেন্দ্র; বিডাব্লিউএমআরআই-এর আঞ্চলিক কার্যক্রম ও বীজ সরবরাহ এই এলাকায় ঘন, আর বিএডিসির বীজ বিক্রয় কেন্দ্রও কাছে।
  • খুব উপযোগীনীলফামারী · আমন কাটার পর জমি খালি হয় আর সেচের নলকূপ ঘন, তাই সেচসহ গম করা যায়।
  • খুব উপযোগীপঞ্চগড় · দেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা, শীত সবচেয়ে বেশি; আগাম বোনা গমে দানা ভালো হয়।
  • খুব উপযোগীরংপুর · বৃহত্তর রংপুরে গম বেচার দর নিয়ে মাঠপর্যায়ের হিসাব পাওয়া যায় — ২০২২ সালে মণপ্রতি ৳১,২০০–১,৩০০; তবে এখানেই ভুট্টার চাপে আবাদ দ্রুত কমেছে।
  • খুব উপযোগীঠাকুরগাঁও · ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়ের শীত লম্বা, দানা বাঁধার সময় গরম কম পড়ে, তাই ফলন তুলনামূলক ভালো।
  • সম্ভবচাঁপাইনবাবগঞ্জ · শুকনো আবহাওয়া গমের অনুকূল, তবে আম বাগান বাড়ায় আবাদি জমি কমছে।
  • সম্ভবজয়পুরহাট · আলু ও ভুট্টার সঙ্গে জমির লড়াই; গম টিকে আছে যেখানে আলুর হিমাগার দূরে।
  • সম্ভবকুড়িগ্রাম · চরের উঁচু বেলে দোআঁশ জমিতে গম হয়, কিন্তু সেচের খরচ বেশি বলে অনেকে ভুট্টায় চলে যান।
  • সম্ভবনওগাঁ · বরেন্দ্রের উঁচু জমিতে গম চলে, কিন্তু সেচের পানি সীমিত বলে ফলন জায়গাভেদে অনেক আলাদা।
  • কম উপযোগীযশোর · ২০১৬ সালে যশোরের মাঠেই গমের ব্লাস্ট রোগ প্রথম ধরা পড়ে; তারপর থেকে এখানে গম করা ঝুঁকির, প্রতিরোধী জাত ছাড়া নয়।
  • কম উপযোগীকুষ্টিয়া · একই ব্লাস্ট বলয়, আর তামাক ও ভুট্টা জমির দখল নিয়েছে।
  • কম উপযোগীমেহেরপুর · দক্ষিণ-পশ্চিমের ব্লাস্টপ্রবণ বলয়ের ভেতরে; আবাদ কমে গেছে।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • মাঝারিচলতি মূলধন: খরচের প্রায় পুরোটা যায় নভেম্বরে — বীজ, চাষ, শেষ চাষের সার — আর টাকা ফেরত আসে মার্চ-এপ্রিলে। মাঝের চার-পাঁচ মাস ধার করে চালাতে হয়, আর ধার সাধারণত আসে সেই আড়তদারের কাছ থেকে যাঁর কাছে ফসল বেচতে হবে। তখন দাম নিয়ে দরদাম করার জায়গা থাকে না।
  • বেশিচাহিদা: একই জমিতে ভুট্টা বা আলু বেশি টাকা দেয়, তাই গমের আবাদ কমছেই। ১৯৯৮-৯৯ সালে দেশে ৮ লাখ ৮০ হাজার হেক্টরে গম হতো; এখন তার এক-চতুর্থাংশের কাছাকাছি। যে চাষি গম রাখেন তিনি সাধারণত জমির একটা অংশেই রাখেন, পুরো ভরসা গমে দেন না।
  • বেশিঅন্যান্য: গমের ব্লাস্ট রোগ। ২০১৬ সালে দেশে এই রোগ দেখা দেওয়ার পর দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলাগুলোতে চাষিরা গম ছেড়েছেন। রোগ ধরলে শীষ সাদা হয়ে দানা শুকিয়ে যায় এবং কয়েক দিনের মধ্যে গোটা জমির ফসল যায়; ওষুধে ফেরানো যায় না, কেবল প্রতিরোধী জাত (বারি গম ৩৩) আর শস্য পর্যায়ই ভরসা।
  • বেশিঅন্যান্য: শীত ছোট হয়ে আসছে। গম দানা বাঁধার সময় গরম পড়লে দানা চিটা হয়ে ওজন কমে যায়। দেরিতে বোনা জমিতে এটা প্রায় প্রতি বছরই কিছু না কিছু ক্ষতি করে, আর সেই কারণেই বিডাব্লিউএমআরআই আগাম ও তাপসহনশীল জাত ছাড়ছে।
  • মাঝারিবাকিতে বিক্রি: সরকারি গুদামে বেচার সুযোগ সবার জন্য নয় এবং সবসময় নয়। তালিকায় নাম না থাকলে গুদামে ঢোকা যায় না, আর লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে গেলে কেনা বন্ধ হয়ে যায়। ২০২৫ সালে জানালা খোলা ছিল ২৪ এপ্রিল থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত। তখন আড়তে বেচতে হয়, আর আড়তদার দাম কম দেন ও টাকা দিতে দেরি করেন।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির একজন গমচাষি

৪০ শতক জমিতে গমে ৬ হাজার টাকা লাভ, এবার জমি বাড়াচ্ছেন

ফটিকছড়ির এই চাষি গত বছর ৪০ শতক জমিতে গম করে প্রায় ৬,০০০ টাকা লাভ পেয়েছেন; এবার জমি বাড়াচ্ছেন। উপজেলায় গমের আবাদ ২৫ হেক্টর থেকে বেড়ে ৪০ হেক্টর।

কারণ
চাহিদা কম, অন্যান্য

একই রকম আরও ব্যবসা

কৃষি ও খামার

সরিষা চাষ

আমন কাটার পর আর বোরো লাগানোর আগে — মাঝের ৮০-৯০ দিনের ফসল। আগস্ট ২০২৬-এ সরিষার পাইকারি জাতীয় গড় ৳৯১.২৭ কেজি (মণে প্রায় ৳৩,৬৫১), আর সরকারি প্রণোদনায় বিঘাপ্রতি উপকরণ দেওয়া হয় ৳৫৫০.৫০ মূল্যের।

পুঁজি
৳৫ হাজার – ৳৫০ হাজার
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৭৫ – ১১০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

কেঁচো সার উৎপাদন

গোয়ালঘরের পাশে গোবর আর কেঁচো দিয়ে সার তৈরি। সার ৳১০–১৩ কেজি, খরচ ৳৬–৭; কিন্তু আসল আয় কেঁচো বিক্রিতে — কেজি ৳২,০০০।

পুঁজি
৳৫ হাজার – ৳৬০ হাজার
জনবল
১ – ২ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৫০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

ছাদকৃষি ও নার্সারি

ছাদে টবে গাছ তুলে চারা বিক্রি। ছোট চারা ৳৫০, দামি ক্যাকটাস-ফার্ন ৳১,২০০–৫,০০০। গাছের চেয়ে টব-মাটি-সারেই বেশি টাকা — ৫০ টাকার গাছে ১৫০ টাকার জিনিস লাগে।

পুঁজি
৳৫ হাজার – ৳৮০ হাজার
জনবল
১ – ২ জন
প্রথম আয়
৬০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

হাইড্রোপনিক চাষ

মাটি ছাড়া পানিতে সবজি চাষ। ঢাকায় একটি ছাদের অবকাঠামোতেই খরচ হয়েছিল প্রায় ৳২,০০,০০০, আর ঢাকার বাইরে এখনো বাণিজ্যিক ক্রেতা প্রায় নেই।

পুঁজি
৳৪ হাজার – ৳২ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
৪৫ – ১২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান