মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে রাঙামাটির বাঘাইছড়ির একজন আগরবাগানের মালিক

৩৬টি আগরগাছ বিক্রি ১৩ লাখ টাকায়, একটিই ৬ লাখ

বাঘাইছড়ির এই বাগানমালিক ৩৬টি আগরগাছ বিক্রি করেছেন মোট ১৩ লাখ টাকায় — সবচেয়ে বড় গাছটিই গেছে ৬ লাখে, বাকিগুলো ২৫–৩০ হাজার টাকায়।

আগরগাছের কাঠে পোকা আর ছত্রাক আক্রমণ করলে সেখানে কালচে রজন জমে, আর সেই রজন থেকেই তৈরি হয় মধ্যপ্রাচ্যের ক্রেতাদের কাছে চড়া দামে বিক্রি হওয়া আতর। প্রাকৃতিকভাবে রজন জমতে লাগে ১৫ থেকে ২০ বছর, তাই চাষিরা গাছের গায়ে পেরেক ঠুকে কৃত্রিমভাবে ক্ষত তৈরি করেন। রাঙামাটির বাঘাইছড়ির উগলছড়ি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত এই স্কুলশিক্ষক তাঁর ৩৬টি আগরগাছ বিক্রি করেছেন ১৩ লাখ টাকায়; তাঁর ভাষায়, "আমি ৩৬টি আগরগাছ ১৩ লাখ টাকায় বিক্রি করেছি।" এর মধ্যে সবচেয়ে বড় একটি গাছই গেছে ৬ লাখ টাকায়, বাকিগুলো ২৫,০০০–৩০,০০০ টাকা করে। ঢেবাছড়ির আরেকজন তিনটি গাছ বিক্রি করেছেন ২,৯৫,০০০ টাকায়। উপজেলায় ২০১২ সালে বসানো দুটি চুল্লি বছরে অন্তত ২ কোটি টাকার আতর বিক্রি করে, সক্ষমতা ৩ কোটির বেশি হলেও কাঁচামালের অভাবে চলে বছরে ৮–৯ মাস — কারণ এখনকার বাগানগুলো পরিপক্ব হতে আরও পাঁচ-ছয় বছর লাগবে। বাঘাইছড়িতে ব্যক্তিমালিকানায় আগরগাছ আছে অন্তত ১৫ লাখ। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বেচাকেনা হয় ব্যক্তিগতভাবে ও হিসাব ছাড়াই, তাই এই বাণিজ্যের সঠিক অঙ্ক কেউ বলতে পারেন না।

যা শেখার আছে

  1. ১.আগর ১৫–২০ বছরের ফসল, মাঝের বছরগুলোতে কোনো আয় নেই — তাই এটা অন্য আয়ের পাশে রাখার জিনিস, সংসার চালানোর প্রধান ভরসা নয়
  2. ২.দাম জমে থাকে গুটিকয় গাছে — একটি গাছ ৬ লাখ টাকায় গেছে, বাকি ৩৫টি ২৫–৩০ হাজারে; বাগানের আকার নয়, ক্রেতার গাছ দেখে দেওয়া দামই আসল

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।