মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেসমকালের প্রতিবেদনে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার একজন ঠোঙা প্রস্তুতকারক

ঘরের কাজের ফাঁকে দিনে ২০ কেজি ঠোঙা, আয় অন্তত ৩০০ টাকা

আলফাডাঙ্গার বাকাইল গ্রামে পুরোনো কাগজ কিনে ঠোঙা বানানো হয়; মজুরি কেজিতে ১০–২০ টাকা। একজন দিনে ২০ কেজি পর্যন্ত বানিয়ে অন্তত ৩০০ টাকা পান, পুঁজি বা দোকান কিছুই লাগে না।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার বাকাইল গ্রাম একসময় চলত সরিষার তেল ভাঙিয়ে; অবস্থা খারাপ হতে থাকলে অনেক পরিবার কাজ বদলে ফেলে। এখন এখানকার নারীরা পুরোনো বই, খবরের কাগজ, পোস্টার আর ক্যালেন্ডার কেজি দরে কিনে কেটে, আঠা দিয়ে জুড়ে, রোদে শুকিয়ে ঠোঙা বানান, আর ওজন ধরে বিক্রি করেন ফলের দোকান, মুদিদোকান আর মিষ্টির দোকানে। দিনমজুরের স্ত্রী এই নারী সংসারের কাজের ফাঁকে দিনে ২০ কেজি পর্যন্ত ঠোঙা বানান এবং অন্তত ৩০০ টাকা পান; মজুরি কেজিতে ১০–২০ টাকা, আর ঠোঙা বিক্রি হয় কেজি ৮০–৮৫ টাকায়। ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী অবসরে দিনে ১৫–২০ কেজি বানিয়ে ২০০–২৫০ টাকা পায়, তাতেই তার পড়ার খরচ চলে; ৭৫ বছর বয়সী এক দম্পতির মাসে ৩,০০০ টাকার ওষুধের খরচও আসে এই কাজ থেকেই। গ্রামে বর্ষায় দিনে প্রায় ৫০ কেজি ঠোঙা বিক্রি হয়, মাসের হিসাবে ১ লাখ টাকার বেশি, আর শুকনো মৌসুমে ২.৫–৩ লাখ টাকা।

যা শেখার আছে

  1. ১.ঠোঙার কাজে পুঁজি লাগে না, ঘরও ছাড়তে হয় না — কেজি হিসেবে মজুরি বলে যতটা কাজ, ঠিক ততটাই আয়
  2. ২.একই কাজের আয় মৌসুমে বদলায় — গ্রামে বর্ষায় মাসে ১ লাখ টাকার ঠোঙা বিক্রি হয়, শুকনো মৌসুমে ২.৫–৩ লাখ; সংসারের খরচ খারাপ মাস ধরে সাজানোই নিরাপদ

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।