মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা কাজ করেছেদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে নাটোরের খোলাবাড়িয়া গ্রামের একজন বড় অ্যালোভেরা চাষি

সাড়ে ৮ একরে অ্যালোভেরা, দিনে ১০–১২ টন যায় এক রপ্তানিকারক কারখানায়

নাটোরের খোলাবাড়িয়ার এক কৃষক প্রায় সাড়ে ৮ একরে অ্যালোভেরা চাষ করে দিনে ১০–১২ টন পাতা ভালুকার একটি রপ্তানিমুখী প্রক্রিয়াজাত কারখানায় দেন, কেজি ৭–১৩ টাকায়।

নাটোরের খোলাবাড়িয়া গ্রামে বছরে ১৪,১৪০ টন অ্যালোভেরা উৎপাদন হয়, বলছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রামের এক কৃষক প্রায় সাড়ে ৮ একর জমিতে অ্যালোভেরা চাষ করেন এবং দিনে ১০–১২ টন পাতা পাঠান ময়মনসিংহের ভালুকার তাইওয়ান ফুড প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজে। তিনি জানান, কোম্পানিটি সারা বছর মান অনুযায়ী কেজি ৭–১৩ টাকায় পাতা কেনে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যালোভেরায় পানি ও পরিচর্যা কম লাগে, এক বিঘায় প্রায় ৩০ হাজার কেজি পাতা হয়; একবার লাগালে প্রতি মাসে পাতা কাটা যায় এবং একই গাছ থেকে বছরের পর বছর ফসল মেলে। বর্ষা মূল কাটার মৌসুম। কারখানাটি দিনে প্রায় ২০ টন পাতা কেনে, বেশির ভাগই খোলাবাড়িয়া থেকে; জেল বের করে ক্যানে ভরে তাইওয়ান, জাপান, আরব আমিরাত ও ইউরোপে রপ্তানি করে। কোম্পানির এক কর্মকর্তা বলেন, দেশে শুধু রাস্তার শরবত বিক্রেতারাই অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করেন, এ ছাড়া দেশে প্রায় কোনো চাহিদা নেই। অর্থাৎ এই চাষির বড় বাজার একটি রপ্তানিকারক কারখানার ওপর নির্ভরশীল, আর মহামারির সময় কোম্পানিটি কেবল তাইওয়ান ও চীনে পণ্য পাঠাতে পারছিল।

যা শেখার আছে

  1. ১.বড় আকারে অ্যালোভেরা চাষের আগে নিয়মিত কেনার মতো প্রক্রিয়াজাত কারখানা নিশ্চিত করুন; দেশের খোলা বাজারে চাহিদা খুব কম।
  2. ২.দাম মানভেদে কেজি ৭ থেকে ১৩ টাকা; ভালো মানের পাতা দিতে পারলে একই ওজনে প্রায় দ্বিগুণ দাম মেলে।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।