৪০ শতকে ৪৫৮টি সুপারিগাছ, এক মৌসুমে বিক্রি ৩–৪ লাখ টাকা
লক্ষ্মীপুর সদরের চররুহিতার এক বাগানমালিক ৪০ শতক জমির ৪৫৮টি গাছ থেকে এক মৌসুমে প্রায় ৩–৪ লাখ টাকার সুপারি বিক্রি করেছেন; অতিবৃষ্টিতে ফলন কম হলেও দাম ছিল বেশি।
লক্ষ্মীপুর দেশের সবচেয়ে বেশি সুপারি উৎপাদনকারী জেলা; ২০২২-২৩ অর্থবছরে সেখানে ১ লাখ ১৩ হাজার ৯৩১ টন সুপারি হয়েছে। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সদর উপজেলার চররুহিতা এলাকার এক বাগানমালিকের পাঁচ গন্ডা (৪০ শতক) জমিতে ৪৫৮টি গাছে সুপারি ধরেছে। সেই মৌসুমে অতিবৃষ্টির কারণে গাছে ফল কম ধরলেও দাম বেশি ছিল; তিনি প্রায় ৩–৪ লাখ টাকার সুপারি বিক্রি করেছেন এবং আরও বিক্রি বাকি ছিল। একই এলাকার আরেকজন জানান, আগের বছর এক কাওন (১৬ পন) সুপারি ১,৫০০–১,৬০০ টাকায় বিক্রি হলেও এবার দাম ১,৮০০–২,০০০ টাকা। দালাল বাজারের এক ব্যবসায়ীর হিসাবে প্রতি পন (৮০টি) পাইকারি বিক্রি হচ্ছিল ২০০–২৫০ টাকায়। খরচও আছে: এক কৃষক জানান, গাছ থেকে এক ছড়া সুপারি পেড়ে আনতে কিশোরদের ১০ টাকা দিতে হয়, এরপর ছাড়ানো, গোনা আর হাটে নেওয়ার খরচ। তবুও লাভ ভালো থাকে। কৃষি অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, সুপারিগাছ লাগানোর ৩–৪ বছরের মধ্যে ফলন দেয় এবং কমপক্ষে ৪০–৫০ বছর ফল দেয়। কাঁচা, পাকা ও পানিতে ভেজানো, তিনভাবেই সুপারির সারা বছর চাহিদা আছে বলে জানান স্থানীয়রা।
যা শেখার আছে
- ১.সুপারিতে ফলন কম হলে দাম বাড়তে পারে; তাই এক মৌসুমের ফলন দেখে নয়, কয়েক বছরের গড় আয় দিয়ে বাগানের হিসাব করুন।
- ২.গাছ থেকে পাড়া, ছাড়ানো, গোনা ও হাটে নেওয়ার খরচ বিক্রির দাম থেকে বাদ দিয়ে লাভ হিসাব করুন।
- ৩.কাঁচা, পাকা ও ভেজানো, তিন রকমের বাজার থাকায় দাম কম থাকলে শুকিয়ে বা ভিজিয়ে রেখে পরে বিক্রির সুযোগ আছে।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
