মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে বাগেরহাটের একজন তরুণ চিংড়িচাষি · ২০১৭ সালে শুরু

প্রথম বছরে লাভ, তারপর টানা তিন বছর লোকসান

২০১৭ সালে পড়াশোনার পাশাপাশি ৬০ শতাংশ জমিতে চিংড়ি চাষ শুরু। প্রথম বছরের লাভ দ্বিতীয় ঘেরে ঢেলে দেওয়ার পর মাছের দাম পড়ে আর খাবারের দাম বাড়ায় টানা তিন বছর লোকসান।

বাগেরহাট সদরের যাত্রাপুরের এই তরুণ ২০১৭ সালে পড়াশোনার পাশাপাশি ৬০ শতাংশ জমিতে চিংড়ি আর সাদা মাছের চাষ শুরু করেন। প্রথম বছরেই লাভ হয়, আর সেই টাকা তিনি সরাসরি বাড়ির পাশের দ্বিতীয় একটি ঘেরে মাছ ছাড়তে লাগিয়ে দেন। পরের বছর থেকে মাছের দাম কমতে থাকে, অথচ মাছের খাবারের দাম বাড়তেই থাকে — লাভের জায়গায় শুরু হয় লোকসান। তাঁর কথায়, "গত তিন বছর ধরে লোকসান গুনতে গুনতে এখন আমি নিঃস্ব।" এখন তিনি টিউশনি করে পরিবার চালান। একই প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, বাগেরহাট জেলায় ৬৬,৭১৩ হেক্টরে ৭৮,৬৮৫টি বাগদা ও গলদার ঘের থাকলেও উৎপাদন ২০০৭–০৮ অর্থবছরের ৬৪,০০০ টন থেকে নেমে ২০১৯–২০ অর্থবছরে দাঁড়িয়েছে ৩৩,৫০০ টনে, আর অনেক চাষি চিংড়ি ছেড়েই দিয়েছেন।

যা শেখার আছে

  1. ১.একটা ভালো বছর দেখেই দ্বিগুণ করা বিপজ্জনক — খারাপ দামের মৌসুম একবার না দেখা পর্যন্ত ছোট ঘেরই যথেষ্ট
  2. ২.ফলনের দিকে নয়, মাছের খাবারের দাম আর মাছের দামের ফারাকের দিকে তাকান — চাষ ঠিকঠাক হলেও এখানেই লাভ শেষ হয়ে গেছে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।