মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
মিশ্র অভিজ্ঞতাএক সাবেক ব্যাংকার, এখন জীবনবীমা এজেন্ট · ২০১৯ সালে শুরু

ছয় অঙ্কের বেতনের ব্যাংক চাকরি ছেড়ে বীমা এজেন্ট: প্রিমিয়ামের ১০% কমিশন, কিন্তু আস্থার সংকট

১৫ বছর ব্যাংকে চাকরি করে ২০১৯ সালে সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ ছেড়ে এক ব্যক্তি জীবনবীমা এজেন্ট হন, পুঁজি ছিল ব্যাংকজীবনের বড় নেটওয়ার্ক। প্রতিটি পলিসিতে মাসে মাসে কমিশন মেলে, তবে দেশে মাত্র ৪ শতাংশ মানুষ বীমার আওতায় এবং মানুষের আস্থা কম।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ব্যক্তি ১৫ বছর ব্যাংকার ছিলেন। ছয় অঙ্কের বেতন, অফিসের খরচে পারিবারিক ভ্রমণ, যাতায়াত ও গৃহঋণ সুবিধা থাকলেও দিনে ১৮ ঘণ্টা খাটতে হতো। স্বাধীনতা আর মানুষের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ থেকে ২০১৯ সালে সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ ছেড়ে তিনি সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সে যোগ দেন। তাঁর মূল পুঁজি ব্যাংকজীবনে গড়া বড় নেটওয়ার্ক; প্রতিদিন অফিসে যেতে হয় না, মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে পলিসি বা ডিপোজিট পেনশন স্কিম (ডিপিএস) কেনাতে বোঝানোই কাজ। আয় পুরোটাই কমিশননির্ভর। উদাহরণ দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১০ বছরে ১০ লাখ টাকার একটি ডিপিএসে মাসিক প্রিমিয়াম ৫,০০০ টাকা হলে এজেন্ট প্রতি মাসে ১০ শতাংশ, অর্থাৎ ৫০০ টাকা কমিশন পান। কোম্পানির মোবাইল অ্যাপ ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে প্রিমিয়াম দেওয়া যায় বলে এখন প্রতিটি গ্রাহকের কাছে যেতে হয় না। কিন্তু বড় বাধা আস্থা: দেশে মাত্র ৪ শতাংশ মানুষ বীমার আওতায়। এজেন্টদের ব্যাখ্যা, আগে এজেন্টরা প্রতি মাসে গিয়ে প্রিমিয়াম তুলতেন, গ্রাহক সময়মতো দিতেন না, আবার কোনো কোনো এজেন্ট টাকা তুলে কোম্পানিতে জমা না দিয়ে নিজেই রেখে দিতেন; তাই মানুষ আস্থা হারিয়েছে। এখন ডিজিটাল ব্যবস্থায় সেটা বদলাচ্ছে বলে খাতসংশ্লিষ্টরা মনে করেন। তাঁর লক্ষ্য যত বেশি মানুষকে বীমার আওতায় আনা, কারণ যত বেশি গ্রাহক, তত বেশি কমিশন।

যা শেখার আছে

  1. ১.বীমা এজেন্টের আয় পুরোপুরি কমিশনে; আগে থেকে পরিচিতদের বড় নেটওয়ার্ক থাকলে শুরুটা সহজ হয়।
  2. ২.গ্রাহকের আস্থাই মূল পুঁজি; প্রিমিয়াম নিজে হাতে না নিয়ে অ্যাপ বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সরাসরি কোম্পানিতে জমা দিতে বলুন।
  3. ৩.মাসিক প্রিমিয়ামের পলিসিতে কমিশন বছরজুড়ে আসে, তবে গ্রাহক কিস্তি বন্ধ করলে আয়ও থেমে যায়; পলিসি চালু রাখতে যোগাযোগ রাখুন।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।