৩ লাখ টাকার ঋণ মাথায়, জেলায় বন্ধ ১ লাখ ১২ হাজার ৫০০ তাঁত
অর্থসংকটে সিরাজগঞ্জের বেলকুচিসহ আশপাশের উপজেলায় তাঁত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এক তাঁতির মাথায় ৩ লাখ টাকার ঋণ; জেলায় বন্ধ ১,১২,৫০০ তাঁত আর কাজ হারিয়েছেন প্রায় ২,২৫,০০০ শ্রমিক।
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি আর আশপাশের উপজেলায় অর্থসংকটে একের পর এক তাঁত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। মোকিমপুর গ্রামের এক তাঁতির মাথায় ৩ লাখ টাকার ঋণ, আর তিনি বলছেন, "অবস্থার পরিবর্তন না হলে আর ব্যবসা চালু রাখা সম্ভব নয়।" তামাই গ্রামের একজন কারখানা একেবারে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আর গোপালপুরের একজন ভারতে পাঠানো শাড়ির টাকাই তুলতে পারছেন না — অর্থাৎ কাপড়ের চাহিদা নয়, পাওনা টাকা ফেরত না আসাই এখানে তাঁত থামিয়ে দিয়েছে। আট বছর ধরে এক তাঁত কারখানায় ফিডারের কাজ করা একজন শেষ মজুরিটুকু না পেয়েই ছাঁটাই হয়েছেন। প্রতিবেদনের হিসাবে জেলায় বন্ধ হয়ে গেছে ১,১২,৫০০ তাঁত আর কাজ হারিয়েছেন প্রায় ২,২৫,০০০ শ্রমিক; জেলার তাঁতশিল্পে যুক্ত প্রায় ৩ লাখ মানুষ, আর সাতটি উপজেলায় ইঞ্জিন ও হাতের তাঁত মিলিয়ে দেড় লাখেরও বেশি।
যা শেখার আছে
- ১.দূরের ক্রেতার কাছে বাকিতে মাল পাঠানোই এখানে ভাঙনের জায়গা — চাহিদা নয়, পাওনা টাকা না ফেরাই তাঁত থামিয়ে দেয়
- ২.এক পণ্যের ব্যবসায় ঋণ নিয়ে পুঁজি খাটালে বাজার বন্ধ হলে কিছুই থাকে না — তাঁত থেমে যায়, ঋণ থেকে যায়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
