মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রতিবেদনে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের জুতা কারখানার মালিকেরা

কেমিক্যাল নেই, রোজার ছয় দিন কারখানা বন্ধ, হাতের কাজও অর্ধেক

আমদানি করা কেমিক্যাল না আসায় ভৈরবের ১০–১২টি ছোট-বড় জুতার কারখানা বন্ধ। হাতে তৈরি জুতা দিনে ২০–২৪ জোড়া থেকে নেমেছে ১০–১২ জোড়ায়, অর্ডার অর্ধেক।

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ২০২৪ সালের মার্চে আমদানি করা কেমিক্যালের সংকটে জুতার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় — ঠিক রোজা আর ঈদের মৌসুমের মুখে। এখানকার একটি পিইউ ফুটওয়্যার কারখানা তখন সপ্তাহখানেকের বেশি বন্ধ; কেমিক্যাল ব্যবসায়ীরা রোজ বলছিলেন মাল আসছে, কিন্তু দিন বলছিলেন না। সাধারণত রোজার প্রথম দশ দিনেই ঈদের মাল বানিয়ে রাখা হয়, অথচ ছয় দিন চলে গেছে যন্ত্র বন্ধ রেখে আর শ্রমিকদের বসিয়ে রেখে। মালিকের কথায়, "এই ঈদে ব্যবসায় অনেক লোকসান হবে।" যাঁদের গুদামে আগের কেমিক্যাল জমানো ছিল কেবল তাঁরাই চালু রাখতে পেরেছেন; হাতে তৈরির কাজ চললেও দিনে ২০–২৪ জোড়ার জায়গায় হচ্ছে ১০–১২ জোড়া, জুতার দাম জোড়ায় ৫০–১০০ টাকা বেড়েছে আর পাইকারি-খুচরা অর্ডার নেমেছে অর্ধেকে। ভৈরবে পিইউ জুতার কারখানা প্রায় ৪২টি, ছোট-বড় ইউনিট ৩,০০০–৪,০০০, আর এই শিল্পে প্রায় ৫০,০০০ নারী ও ১,০০,০০০ পুরুষ কাজ করেন।

যা শেখার আছে

  1. ১.একটাই আমদানি করা কাঁচামালের ওপর দাঁড়ালে সরবরাহ বন্ধ হওয়ার দিনেই কারখানা থেমে যায় — যাঁদের গুদামে কেমিক্যাল জমানো ছিল, শুধু তাঁরাই চালু রাখতে পেরেছেন
  2. ২.মৌসুমি ব্যবসায় হারানো দিন আর ফিরে আসে না — ঈদের আগের দশ দিনের মাল বানানো না হলে সারা বছরে তা পোষানো যায় না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।