মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে রংপুরের তারাগঞ্জের একজন ছাগল খামারি · ২০১৬ সালে শুরু

চাকরি না পেয়ে শখের ছাগলে খামার, ৫০ ছাগলে মাসে আয় ২৫ হাজার

রংপুরের তারাগঞ্জের এক যুবক চাকরি না পেয়ে ২০১৬ সালে সঞ্চয়ের টাকায় কেনা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল দিয়ে খামার শুরু করেন। এখন ৫০টি ছাগল, আরও ২০টি বর্গা দেওয়া; মাসে গড়ে ২৫ হাজার টাকা আয়, কিনেছেন গাভি ও জমি।

রংপুরের তারাগঞ্জের ডারারপাড় গ্রামের এই যুবক ২০০৬ সালে দাখিল পাস করে চাকরির পেছনে ঘুরেছেন, চাকরি হয়নি। লেখাপড়ার সময় সঞ্চয়ের টাকায় শখ করে একটি ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল কিনেছিলেন। ২০১৬ সালে স্ত্রীর পরামর্শে পুরোদমে ছাগল পালন শুরু করেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক বছরে ছয়টি ছাগল ২৪টি বাচ্চা দেয়, তার ১২টি বিক্রি করে যে আয় হয় তাতেই তিনি পুরোদমে নেমে পড়েন।

তাঁর হিসাবে, দেশি ছাগল বছরে দুবার বাচ্চা দেয়। ছয় মাস বয়সী একটি ছাগল বিক্রি হয় ছয় থেকে সাড়ে ছয় হাজার টাকায়, আর ছয় মাসে একটি ছাগল খড়, কাঁচা ঘাস ও ভুসি মিলিয়ে দুই হাজার টাকার খাবার খায়। উঠানে কাঁঠালপাতা, খড়, ভুসি খাইয়ে পালন করেন।

২০২৫ সালে তাঁর খামারে ৫০টি ছাগল, আরও ২০টি বর্গা দেওয়া। ছাগল বিক্রি করে মাসে গড়ে ২৫ হাজার টাকা আয় হয়, সেই টাকায় গাভি ও জমি কিনেছেন। অন্তত ১০টি পরিবারকে ছাগল বর্গা দিয়েছেন; তাঁর কাছ থেকে ছাগল কিনে খামার করা এক প্রতিবেশীর ২০টি ছাগল থেকে মাসে ১৫ হাজার টাকা আয় হয়। তাঁর লক্ষ্য ২০০ ছাগলের খামার।

যা শেখার আছে

  1. ১.ছয় মাসে খাবারে দুই হাজার খরচ করে ছয় হাজারে বিক্রি—প্রতিটি ছাগলের খরচ-বিক্রির এমন সরল হিসাব রাখলে কখন বিক্রি করবেন তা বোঝা যায়।
  2. ২.ছাগল বর্গা দিলে নিজের জায়গা ও শ্রম না বাড়িয়েই পাল বাড়ানো যায়, আবার এলাকায় ক্রেতা-চাষির একটা নেটওয়ার্কও তৈরি হয়।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।