মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে বগুড়ার একটি মিঠাইপল্লির কারিগরেরা

বাতাসা-কদমা কেজি ১৪০ টাকা, একজনের ব্যবসা ছড়িয়ে গেল পুরো গ্রামে

পাইকারিতে কদমা, চিনির হাতি-ঘোড়া আর বাতাসা কেজি ১৪০ টাকা, নিমকি ১৬০, জিলাপি ১২০ আর খই ৯০ টাকা। আশির দশকের শুরুতে একজনের মেলায় মিঠাই বেচা থেকে শুরু হয়ে বগুড়ার একটি গ্রাম এখন পুরোটাই মিঠাইপল্লি।

বগুড়া সদরের হরিপুরা গ্রাম এখন পরিচিত "মিঠাইপল্লি" নামে। আশির দশকের শুরুতে গ্রামের একজন জয়পুরহাটের বাগজানাই বাজারের পাইকারদের কাছ থেকে কাজ শিখে স্থানীয় মেলায় মিঠাই বিক্রি শুরু করেন; প্রতিবেশীরা দেখে একে একে একই কাজে নামেন, আর গ্রাম ভরে যায় পারিবারিক ছোট কারখানায়। এখানে তৈরি হয় চিনির হাতি-ঘোড়া-মাছ, বাতাসা, খই-মুড়কি, নিমকি, খাগড়াই, জিলাপি আর কদমা। পাইকারি দরে কদমা, চিনির খেলনা আর বাতাসা যায় কেজি ১৪০ টাকায়, নিমকি ১৬০, জিলাপি ১২০ আর খই ৯০ টাকায় — কোন দিনের চিনি কোন পণ্যে ঢালা হবে, এই দরগুলোই তা ঠিক করে দেয়। এখানকার একজনের কথায়, "মিঠাই ব্যবসার লাভের টাকায় বসতবাড়ির জায়গা কিনেছি, বাড়িও করেছি।" কারখানা দাঁড় করাতে কত টাকা লাগে বা একেকজনের মাসিক আয় কত, প্রতিবেদনে তা নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.চিনির মিঠাইয়ে ঢোকার খরচ কম আর বিক্রি হয় মেলা-হাটে — তাই একজনের সাফল্য গোটা গ্রামে ছড়িয়ে পড়তে পেরেছে
  2. ২.প্রতিটি পণ্যের পাইকারি দর জানা থাকলে বোঝা যায় দিনের চিনিটা কোথায় ঢালতে হবে — খই ৯০ টাকা, নিমকি ১৬০

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।