৪০ শতকে ৭০ হাজার টাকার ক্যাপসিকাম, ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার বিক্রি; কিন্তু স্থানীয় বাজার নেই
জামালপুরের ইসলামপুরে যমুনার চরে এক তরুণ ইউটিউব দেখে ক্যাপসিকাম চাষ করে এক লাখ ৩০ হাজার টাকার ফসল বিক্রি করেছেন। তবে এলাকায় ক্রেতা না থাকায় ঢাকার কাওরান বাজারে নিতে হচ্ছে।
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার সাপধরী ইউনিয়নের চেঙ্গানিয়া গ্রামের এক তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন। তিনি ইউটিউবে ভিডিও দেখে ক্যাপসিকাম চাষে উদ্বুদ্ধ হন। যমুনার চরে যেখানে আগে নানা ফসল হতো, সেই ৪০ শতাংশ জমিতে তিনি বগুড়া থেকে উন্নত জাতের বীজ এনে চাষ শুরু করেন; এতে তাঁর খরচ হয় ৭০ হাজার টাকা। বাগানে পরিবারের লোকজন নিজেরাই বেশি কাজ করেন, তাই খরচ কম পড়েছে। প্রায় আড়াই মাসের মধ্যেই চারায় ক্যাপসিকাম বিক্রির উপযোগী হয়, প্রতিটির ওজন প্রায় ২৫০ গ্রাম। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইতিমধ্যে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার ক্যাপসিকাম বিক্রি হয়েছে, খেতে আরও অন্তত দেড় লাখ টাকার ফসল আছে। কিন্তু সমস্যা হলো, এ অঞ্চলের মানুষ ক্যাপসিকাম খেতে অভ্যস্ত নয়, তাই স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি হয় না। বাধ্য হয়ে ঢাকার কাওরান বাজারে নিয়ে প্রতি মণ চার থেকে আট হাজার টাকায় বিক্রি করতে হয়েছে, এতে সময় ও টাকা দুটোই খরচ হয়। উপজেলায় এটাই প্রথম বাণিজ্যিক ক্যাপসিকাম চাষ; উপজেলা কৃষি অফিস তাঁকে পরামর্শ দিচ্ছে।
যা শেখার আছে
- ১.নতুন ফসল ধরার আগে দেখে নিন স্থানীয় মানুষ সেটা খায় কি না; না খেলে দূরের বাজারে পাঠানোর খরচ ধরতে হবে।
- ২.নিজেরা বাগানে খাটলে মজুরির খরচ কমে, ৪০ শতকে ৭০ হাজার টাকায় চাষ করা গেছে।
- ৩.উচ্চমূল্যের সবজিতে বিক্রি দ্রুত আসে, কিন্তু ক্রেতা আগে ঠিক না থাকলে পরিবহনেই লাভ কমে যায়।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে আর পরিচয় গোপন রেখে আমরা এটি প্রকাশ করেছি।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। প্রথম কথাটা আপনিই লিখতে পারেন।
