জাল দলিল ও ভুয়া দাখিলার অভিযোগে চকরিয়ায় ১০ দলিল লেখকের সনদ বাতিল
কক্সবাজারের চকরিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ১০ জন দলিল লেখকের সনদ ২০২৪ সালে বাতিল করা হয়। তাঁদের অফিস চত্বরে ঢোকাও নিষিদ্ধ করা হয়, আর জনসাধারণকে তাঁদের দিয়ে দলিল না লেখানোর আহ্বান জানানো হয়।
দলিল লেখকের পেশা চলে সরকারি সনদের ওপর; সনদ গেলে পুরো আয়ের পথ বন্ধ। দৈনিক আজাদীর ২০২৪ সালের জুলাইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী কক্সবাজারের চকরিয়া সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের কয়েকজন দলিল লেখকের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতি, জাল দলিল তৈরি, ভূমি অফিসের ভুয়া খাজনার দাখিলা সরবরাহ ও নকল সিলমোহর বানানোর অভিযোগ ছিল। ২৬ জুন জেলা রেজিস্ট্রার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। এরপর সাব-রেজিস্ট্রারের অফিস আদেশে দলিল লেখক (সনদ) বিধিমালা ২০১৪-এর ১২ নম্বর বিধি অনুযায়ী গুরুতর পেশাগত অসদাচরণের দায়ে ১০ জনের সনদ বাতিল করা হয়। এঁদের কারও সনদ ২০০৪ সালের, কারও ২০১৮ সালের — অর্থাৎ কেউ কেউ প্রায় দুই দশক ধরে এই পেশায় ছিলেন। আদেশে তাঁদের অফিস আঙিনায় প্রবেশও নিষিদ্ধ করা হয়, আর সর্বসাধারণকে তাঁদের দিয়ে দলিল মুসাবিদা না করাতে আহ্বান জানানো হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, একই ধরনের আরও কয়েকজন দলিল লেখক তখনো সক্রিয় আছেন বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। দলিল লেখার আয় যত সহজই মনে হোক, এটি পুরোপুরি নিবন্ধন দপ্তরের অনুমতির ওপর নির্ভরশীল; একটি অভিযোগ প্রমাণ হলে বহু বছরের ব্যবসা একদিনে বন্ধ হয়ে যায়।
যা শেখার আছে
- ১.দলিল লেখকের সবচেয়ে বড় পুঁজি সনদ; জাল কাগজ বা ভুয়া দাখিলার মতো শর্টকাট পুরো পেশা কেড়ে নিতে পারে।
- ২.দলিল লেখক (সনদ) বিধিমালা ২০১৪ জেনে কাজ করুন — অসদাচরণ প্রমাণ হলে সনদ বাতিল ও অফিসে প্রবেশ নিষেধ দুটোই হতে পারে।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
