মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিদৈনিক চাঁদপুর খবরের প্রতিবেদনে চাঁদপুরের বরফকলের মালিক ও ব্যবস্থাপকেরা

৩৩টি বরফকলের মধ্যে চালু ২টি, শীতের পাঁচ মাস স্রেফ লোকসান

চাঁদপুরে একসময় ৩৩টি বরফকল চলত, প্রতিবেদনের সময় চালু ছিল মাত্র ২টি। ক্যানপ্রতি পাইকারি দাম ১৬০ টাকা, আর শীতের টানা পাঁচ মাস চাহিদাই থাকে না।

চাঁদপুরে একের পর এক বরফকল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে — চলতি পুঁজির অভাব, কাঁচামালের দাম, ভারী বিদ্যুৎ বিল আর মাছের সরবরাহ কমে যাওয়া মিলিয়ে। একসময়ের ৩৩টি কলের মধ্যে প্রতিবেদনের সময় উৎপাদনে ছিল মাত্র ২টি; তার কিছুদিন আগেও ৫টি চালু ছিল, উৎপাদন হতো ৩,৫০০ ক্যান বরফ। বড় স্টেশনের মাছঘাটে তাই বরফের টান পড়ে, আর বরফকল মালিক সমিতিকে জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করে দ্বিতীয় কলটি চালু করাতে হয়। নতুন বাজার এলাকার এক কল মালিক বলছেন, পদ্মা-মেঘনায় বালু তোলার কারণে মাছের ডিম নষ্ট হচ্ছে আর মাছের পথ বদলে যাচ্ছে, ফলে ভরা মৌসুমেও মাছ আসছে না — আর মাছ না এলে বরফের ক্রেতাও নেই। ৩০ বছর ধরে এই ব্যবসায় থাকা এক ব্যবস্থাপকের কথায়, "মাছ কম থাকে তখন আমাদের লোকসান গুনতে হয়" — শীতের টানা পাঁচ মাস এই লোকসান চলে, আর সেটাই কল বন্ধ হওয়ার বড় কারণ। কেউ কেউ কল সরিয়ে নিয়ে গেছেন মাছ বেশি ওঠে এমন জেলায়। ক্যানপ্রতি পাইকারি দাম ১৬০ টাকা; পুঁজি বা শুরুর বছরের কোনো হিসাব প্রতিবেদনে নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.বরফের চাহিদা পুরোপুরি মাছের ওপর — নদীতে মাছ কমে গেলে কল যত ভালোই চলুক, ক্রেতা থাকে না
  2. ২.বিদ্যুৎ বিলের মতো স্থায়ী খরচ পাঁচ মাসের মন্দায় থেমে থাকে না — ভরা মৌসুমের আয় দিয়ে অচল মাসগুলোর খরচও তুলতে হয়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।