মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাচাঁদপুর টাইমসের প্রতিবেদনে চাঁদপুরের একজন স্টুডিও মালিক · ১৯৯৮ সালে শুরু

শহরের ১৬টি স্টুডিওর ৮টিই বন্ধ, টিকে থাকাগুলোয় এখন কেবল পাসপোর্টের ছবি

ঈদ, পূজা, বিয়ে আর বৈশাখে দল বেঁধে ছবি তোলার দিন শেষ। চাঁদপুর শহরের ৮টি স্টুডিও বন্ধ হয়ে গেছে, ৮টি টিকে আছে; ৮০-৯০ হাজার টাকায় কেনা ক্যামেরা পড়ে আছে অব্যবহৃত।

চাঁদপুর শহরের এই স্টুডিও মালিক আরেক স্টুডিওতে কাজ শিখে ১৯৯৮ সালে নিজের দোকান দিয়েছিলেন, তখন ঈদ, পূজা, বিয়ে আর পয়লা বৈশাখে মানুষ দল বেঁধে ছবি তুলতে আসত। স্মার্টফোনের সেলফি আর সস্তা ডিএসএলআর সেই চাহিদা প্রায় মুছে দিয়েছে; এখন খদ্দের আসেন মূলত পাসপোর্ট, ভিসা আর অফিসিয়াল ছবির জন্য। তাঁর ভাষায়, "এখন আর ছবির রি-অর্ডার আসে না" — কারণ সবার ছবি এখন নিজের ফোনেই থেকে যায়। শহরের ৮টি স্টুডিও বন্ধ হয়ে গেছে, ৮টি টিকে আছে, আর অনেক ফটোগ্রাফার পেশা বদলে ফেলেছেন। পুরানবাজারের আরেক স্টুডিও মালিক বলেছেন, ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকায় কেনা ক্যামেরা অব্যবহৃত পড়ে নষ্ট হচ্ছে। যাঁরা তুলনামূলক ভালো আছেন, তাঁরা স্থিরচিত্রের সঙ্গে ভিডিওর কাজ যোগ করেছেন।

যা শেখার আছে

  1. ১.ফোনই যখন ক্যামেরা, স্টুডিওর আয় নেমে আসে পাসপোর্ট-ভিসা-অফিসিয়াল ছবিতে — একটি দোকান চালানোর জন্য সেটি বড় সরু ভিত্তি
  2. ২.যে স্টুডিওগুলো টিকেছে, তারা স্থিরচিত্রে আটকে না থেকে ভিডিও ধারণ আর সম্পাদনার কাজ যোগ করেছে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।