খরচ উঠছে না বলে সাড়ে ৫ বিঘার আমবাগানই কেটে ফেলা হলো
খিরসাপাত, ল্যাংড়া ও আম্রপালির সাড়ে ৫ বিঘার বাগান কেটে ফেলেছেন এই বাগানমালিক — স্প্রে, ব্যাগিং, শ্রমিক আর সেচের খরচ বেড়েছে, আমের দাম বাড়েনি। চারঘাট উপজেলায় পাঁচ বছরে প্রায় ১০০ হেক্টর আমবাগান উজাড় হয়েছে।
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বুধিরহাট গ্রামের এই বাগানমালিক তাঁর সাড়ে ৫ বিঘার খিরসাপাত, ল্যাংড়া আর আম্রপালির বাগান কেটে ফেলেছেন, কারণ আম বিক্রি করে উৎপাদনের খরচটাই উঠছিল না। তাঁর ভাষায়, "আম উৎপাদনে এখন ব্যাপক খরচ" — স্প্রে, ব্যাগিং, শ্রমিক আর সেচ মিলিয়ে ব্যয় বছর বছর বেড়েছে, কিন্তু বাজারদর সেই অনুপাতে ওঠেনি। পাশের গ্রামের আরেক চাষিও একই কারণে বাগান সাফ করছেন; তিনি বলছেন খরচ প্রতি বছর বাড়ে, দাম বাড়ে না। চারঘাট উপজেলাতেই গত পাঁচ বছরে প্রায় ১০০ হেক্টর আমবাগান উজাড় হয়েছে, বাগানমালিক আর আম ব্যবসায়ীরা সরে যাচ্ছেন অন্য ফসল ও অন্য পেশায়। গাছ ঠিকই ছিল, হিসাবটা ঠিক ছিল না — আর সেই হিসাব বিগড়ে গিয়েছিল ধীরে ধীরে, কয়েক বছর ধরে।
যা শেখার আছে
- ১.বাগান ভালো থাকলেও মণপ্রতি খরচ বাজারদর ছাড়িয়ে গেলে তা কেটে ফেলাই যুক্তিযুক্ত হয়ে যায় — প্রতি মৌসুমে শুধু ফলন নয়, খরচের দিকটাও হিসাব করুন
- ২.স্প্রে আর ব্যাগিংয়ের খরচ বছরে অল্প অল্প করে বাড়ে, তাই লাভ কমে যাওয়াটা কয়েক বছর চোখেই পড়ে না
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
