মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে নোয়াখালীর চৌমুহনীর একজন জুতা কারখানার মালিক

৩ লাখ টাকার ব্যাংকঋণে কারখানা, এখন মাসে ৩০ লাখ টাকার জুতা

২০ টাকা বেতনের দোকান-কর্মচারী থেকে শুরু; ৩,০০,০০০ টাকার ব্যাংকঋণে নিজের কারখানা। এখন ৪০ জন কর্মী, দিনে ৩০০–৩৫০ জোড়া, মাসে বিক্রি ৩০ লাখ, নিজের আয় ৩ লাখ টাকা।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একলাশপুরের এই তরুণ ২০০৬ সালে বাবাকে হারিয়ে ১৪ বছর বয়সে পড়া ছেড়ে চৌমুহনীর এক জুতার দোকানে কাজ নেন — বেতন ২০ টাকা, অথচ যাতায়াতেই লাগত দুই দিকে ১০ টাকা করে। ছয় মাস পর ধার করে ঢাকা থেকে জুতা এনে বিক্রি শুরু করেন, কিন্তু ঢাকার নকশা স্থানীয় ক্রেতার পছন্দ হয়নি; কিছু মাল পড়ে থাকে, যা বিক্রি হয় তার বড় অংশ যায় বাকিতে, আর তিনি দেনায় ডুবে যান। এরপর ভৈরব থেকে জুতা কিনে নিজের নামে বিক্রি শুরু করেন, দুজন কারিগরকে চৌমুহনীতে নিয়ে আসেন আর ৩,০০,০০০ টাকার ব্যাংকঋণে নিজের কারখানা খোলেন — কিন্তু দুই কারিগরই একদিন না বলে চলে যান, উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। তাঁর ভাষায়, "এমনও দিন গেছে খাওয়ার মতো টাকা ছিল না।" আরেকজন কারিগর নিয়ে রাতদিন কাজ করে তিনি আবার দাঁড়ান; এখন কারখানায় ৪০ জন কাজ করেন, দিনে ওঠে ৩০০–৩৫০ জোড়া, মাসে বিক্রি প্রায় ৩০ লাখ টাকা আর সব খরচ বাদে তাঁর হাতে থাকে ৩ লাখ টাকা।

যা শেখার আছে

  1. ১.পুরো উৎপাদন যদি দু-একজন কারিগরের হাতে থাকে, তাঁরা চলে গেলেই ঋণে তোলা কারখানা থেমে যায় — নিজের লোক তৈরি রাখা ছাড়া উপায় নেই
  2. ২.যে বাজারে বিক্রি করবেন সেই বাজারের পছন্দ না বুঝে মাল তুললে পুঁজি অবিক্রীত মাল আর বাকির খাতায় আটকে যায়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।