১৪ লাখ ভর্তুকিতে ২৮ লাখের হারভেস্টার, প্রথম ১৭ দিনে আয় আড়াই লাখ
ঝালকাঠি সদরের এক কৃষক সরকারি প্রকল্পে অর্ধেক ভর্তুকিতে কম্বাইন হারভেস্টার কিনে অন্যের জমিতে একরপ্রতি ৮ হাজার টাকায় ধান কেটে প্রথম ১৭ দিনে আড়াই লাখ টাকা আয় করেন।
কম্বাইন হারভেস্টার একসঙ্গে ধান কাটে, মাড়াই-ঝাড়াই করে বস্তায় ভরে দেয়। নিউজবাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাসন্ডা ইউনিয়নের আগবাড়ি গ্রামের এক কৃষক কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের সহায়তায় এমন একটি যন্ত্র কেনেন। যন্ত্রটির দাম ২৮ লাখ টাকা, নীতিমালা অনুযায়ী সরকার ৫০ শতাংশ হারে ১৪ লাখ টাকা ভর্তুকি দেয়। ২০২১ সালের ২১ এপ্রিল যন্ত্র কিনে ২৩ এপ্রিল থেকে তিনি বাণিজ্যিকভাবে ধান কাটা শুরু করেন। বিভিন্ন এলাকায় যন্ত্র নিয়ে গিয়ে ১৭ দিনে ৫০ একর জমির ধান কাটেন এবং আয় করেন আড়াই লাখ টাকা। একরপ্রতি তিনি নেন ৮ হাজার টাকা; এক একর কাটতে প্রায় ১২ লিটার জ্বালানি লাগে, যার দাম এক হাজার টাকার মতো। যন্ত্র চালানোসহ এ কাজে ছয়জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। এলাকায় এমন যন্ত্র এই প্রথম, ফলে চাহিদাও ছিল। এক কৃষক জানান, এই যন্ত্রে ধান কাটায় তাঁর খরচ অন্য সময়ের অর্ধেক লেগেছে; আরেকজন বলেন, এলাকায় ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছিল না। প্রতিবেদনটি মৌসুমের শুরুর হিসাব; বছরের বাকি সময় যন্ত্র কীভাবে কাজে লাগবে বা রক্ষণাবেক্ষণে কত খরচ হবে, সে তথ্য এতে নেই।
যা শেখার আছে
- ১.হারভেস্টারের আয় মৌসুমের কয়েক সপ্তাহেই আসে; যন্ত্র নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় যেতে পারলে বেশি জমি কাটা যায়।
- ২.একরপ্রতি ভাড়া থেকে জ্বালানি, চালক-সহকারীর মজুরি ও মেরামতের খরচ বাদ দিয়ে তবেই লাভ হিসাব করুন।
- ৩.যে এলাকায় শ্রমিকসংকট আছে আর যন্ত্র কম, সেখানে প্রথম যন্ত্রের মালিক হিসেবে চাহিদা বেশি পাওয়া যায়।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
