মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
মিশ্র অভিজ্ঞতাঢাকার টিকাটুলীতে একটি ডে-কেয়ারের মালিক, আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডে-কেয়ারের কেয়ারগিভার · ২০১৯ সালে শুরু

১০ লাখ টাকায় টিকাটুলীতে ডে-কেয়ার; মহামারির ঋণ এখনো শোধ চলছে, শিশু এখন ৬ জন

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডে-কেয়ারে এক দশক কাজ করা এক কেয়ারগিভার চাকরি হারিয়ে ২০১৯ সালে ১০ লাখ টাকা খরচ করে ঢাকার টিকাটুলীতে নিজের ডে-কেয়ার খোলেন। মহামারিতে অভিভাবকেরা শিশুদের ঘরে নিয়ে যান; তিনি এখনো সেই সময়ের ঋণ শোধ করছেন, আর চলছেন ছয়টি শিশু নিয়ে।

২০০৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডে-কেয়ার সেন্টারে কেয়ারগিভার হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। ২০১৮ সালে তাঁর নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান সেই কেন্দ্র চালানোর চুক্তি হারায়, তাতে তিনি ও আরও ২০ জন কেয়ারগিভার বেকার হয়ে পড়েন। প্রায় এক দশকের অভিজ্ঞতা আর কর্মজীবী পরিবারগুলোর সঙ্গে পরিচয় কাজে লাগিয়ে ২০১৯ সালে তিনি নিজেই 'সুবারাশি' নামে একটি ডে-কেয়ার খোলেন। তাঁর ভাষায়, শুরুতে ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করতে হয়েছিল, যার মধ্যে ছিল জায়গার অগ্রিম, খেলনা, অন্দরসজ্জা আর কেয়ারগিভার নিয়োগ। কিন্তু এরপর মহামারি এল, অভিভাবকেরা শিশুদের বাড়ি নিয়ে গেলেন; সেই সময় নেওয়া ঋণ তিনি এখনো শোধ করছেন। ২০২৩ সালের প্রতিবেদনের সময় কেন্দ্রটি চলছিল টিকাটুলীর একটি তিন শয়নকক্ষের ফ্ল্যাটে, সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত; সেখানে ৩ থেকে ১০ বছর বয়সী ছয়টি শিশু ছিল। ভর্তি ফি ১৪,০০০ টাকা, মাসিক ফি শিশুপ্রতি ৬,০০০ টাকা; গোসল, ঘুম, সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাশতা দেওয়া হয়। অভিভাবকদের বেশির ভাগ ব্যাংক খাতের। কেন্দ্রটি চালান তিনি নিজে, তাঁর বড় বোন আর একজন কেয়ারগিভার, যিনি রান্নাও করেন। তাঁর অভিযোগ, বাড়িওয়ালারা ডে-কেয়ারের জন্য ফ্ল্যাট ভাড়া দিতে চান না, দিলেও বেশি অগ্রিম চান। প্রস্তাবিত ডে-কেয়ার নীতিমালা ২০২২-এ নিবন্ধনের জন্য ব্যাংকে ১০ লাখ টাকা জমা রাখার শর্ত নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত টাকা রাখা ছোট উদ্যোক্তাদের পক্ষে সম্ভব কি না।

যা শেখার আছে

  1. ১.ডে-কেয়ারের আয় পুরোপুরি শিশু উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে; অগ্রিম ও ভাড়ার মতো স্থির খরচ কয়েক মাস চালানোর মতো সঞ্চয় রাখুন, শুধু ঋণের ওপর শুরু করবেন না।
  2. ২.বাড়িওয়ালারা ডে-কেয়ারকে ভাড়া দিতে অনিচ্ছুক হতে পারেন এবং বেশি অগ্রিম চাইতে পারেন; জায়গা খোঁজা ও চুক্তির খরচ আগেই হিসাবে ধরুন।
  3. ৩.কর্মজীবী পরিবারের সঙ্গে আগের পরিচয় ও অভিজ্ঞতা প্রথম গ্রাহক জোগাড়ে কাজে দেয়; সরকারি নিবন্ধনের নতুন শর্তের খবরও রাখুন।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।