মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা শিখেছিপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের হালিশহরের একটি ডেন্টাল ক্লিনিকের পরিচালক

বিএমডিসি নিবন্ধন ছাড়া ‘ডেন্টাল সার্জন’ — ছয় মাসের কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা

চট্টগ্রামের হালিশহরে একটি ডেন্টাল ক্লিনিক খুলে রোগী দেখতেন এক ব্যক্তি, যাঁর কোনো ডিগ্রি বা বিএমডিসি নিবন্ধন ছিল না। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেন।

ডেন্টাল ক্লিনিক চালানোর প্রথম শর্ত হলো রোগী দেখবেন একজন নিবন্ধিত দন্তচিকিৎসক। প্রথম আলোর ২০২৩ সালের এপ্রিলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর জি ব্লকে ‘সেতু ডেন্টাল’ নামের একটি বেসরকারি ক্লিনিক খুলে রোগী দেখতেন এক ব্যক্তি। তাঁর প্রেসক্রিপশন প্যাডে নামের আগে ‘ডা.’ লেখা ছিল, সঙ্গে ‘ডেন্টাল সার্জন’ পরিচয়ও। কিন্তু তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধনভুক্ত ছিলেন না, তাঁর কোনো ডিগ্রিও ছিল না। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযানে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের একজন চিকিৎসা কর্মকর্তা যাচাই–বাছাই করে তাঁকে ভুয়া চিকিৎসক হিসেবে শনাক্ত করেন। এরপর তাঁকে নগদ এক লাখ টাকা জরিমানা ও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এই ঘটনায় ব্যবসাটি একদিনেই শেষ হয়ে যায়, সঙ্গে জেল আর জরিমানা। যাঁরা ডেন্টাল ক্লিনিকে বিনিয়োগের কথা ভাবছেন, তাঁদের জন্য শিক্ষা হলো, চেয়ার, যন্ত্র আর সাইনবোর্ড থাকলেই ক্লিনিক হয় না; নিবন্ধিত দন্তচিকিৎসক আর বৈধ কাগজপত্রই ব্যবসার ভিত্তি।

যা শেখার আছে

  1. ১.ডেন্টাল ক্লিনিকে রোগী দেখবেন কেবল বিএমডিসি নিবন্ধিত দন্তচিকিৎসক; পদবি লিখলেই চলবে না, নিবন্ধন যাচাই করা হয়।
  2. ২.ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানার সঙ্গে কারাদণ্ডও হতে পারে, তাই কাগজপত্র ঠিক না করে ক্লিনিক খোলা পুরো বিনিয়োগ ঝুঁকিতে ফেলে।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।