কেজিতে ৮০০–১,০০০ টাকার খরচ, বিক্রি ১,২০০–১,৬০০ টাকায়
২০২১ সালে ঘরে শুঁটকি চিংড়ির বালাচাও বানানো শুরু; দিনে ১৫–২০ কেজি, খরচ কেজিতে ৮০০–১,০০০ টাকা, বিক্রি ১,২০০–১,৬০০ টাকা। মাসিক বিক্রি গত বছরের গড় ৩ লাখ থেকে এখন ৬–৭ লাখ টাকা।
করোনার সময় চামড়ার ব্যবসায় টাকা খুইয়ে ঢাকার বছিলার এই দম্পতি ২০২১ সালে ঘরেই শুঁটকি চিংড়ি ভেজে বালাচাও বানানো শুরু করেন। এখন দিনে তৈরি হয় ১৫–২০ কেজি; প্রতি কেজির উৎপাদন খরচ ৮০০–১,০০০ টাকা, বিক্রি হয় ১,২০০–১,৬০০ টাকায় — সস্তা কাঁচামালকে মোড়কে ভরা তৈরি পণ্যে বদলে দেওয়াই এখানে লাভের জায়গা। মাসিক বিক্রি গত বছরের গড় ৩,০০,০০০ টাকা থেকে বেড়ে এখন ৬,০০,০০০–৭,০০,০০০ টাকা। একই বছরে নারায়ণগঞ্জে আরেক উদ্যোক্তা একই কাজ শুরু করে এখন দিনে ২০–২৫ কেজি, মাসে ৬০০–৮০০ কেজি বানান। তাঁর বড় সমস্যা কাঁচামাল: শুঁটকি চিংড়ির দাম ৪৫০ থেকে ৫২০ টাকা কেজির মধ্যে ওঠানামা করে, আর সেটা আগে থেকে বেঁধে রাখার কোনো উপায় নেই।
যা শেখার আছে
- ১.সস্তা কাঁচামালকে মোড়কজাত তৈরি খাবারে বদলালেই লাভ — ৮০০–১,০০০ টাকার চিংড়ি ১,২০০–১,৬০০ টাকায় বিক্রি হয়
- ২.শুঁটকির দাম ৪৫০ থেকে ৫২০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে — এই ঝুঁকি চুক্তি করে আটকানো যায় না, খরচের হিসাবেই ধরে রাখতে হয়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
