ক্যামেরার দাম ১৫ হাজার থেকে নেমে হাজার টাকায়, বেড়েছে বাসাবাড়ির ক্রেতা
ডিভিআরসহ চার ক্যামেরার সেটআপে ক্রেতার খরচ ২০–২২ হাজার টাকা, ঢাকার কাছাকাছি স্থাপনের ফি ৩০০–৫০০ টাকা; বছরে ৬–৭ লাখ ক্যামেরা বিক্রি হয়, প্রায় পুরোটাই আমদানি করা।
বায়তুল মোকাররম মার্কেটের এই দোকানির হিসাবে ২০১৩ সালের পর থেকে সিসি ক্যামেরার চাহিদা বাড়তে শুরু করে, আর এখন বায়তুল মোকাররম ও স্টেডিয়াম মার্কেট মিলিয়েই ৫০টির বেশি সিসি ক্যামেরার দোকান আছে। বাজারটি প্রায় পুরোপুরি আমদানিনির্ভর — চীন, তাইওয়ান আর দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আসা ক্যামেরা দিয়ে বছরে ৬ থেকে ৭ লাখ ইউনিট বিক্রি হয়, দাম ১,৫০০ টাকা থেকে আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত। দোকানের আয়ের একটা অংশ আসে স্থাপন থেকে; গুলিস্তানের এক ব্যবসায়ীর কথায়, "ঢাকার কাছাকাছি হলে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় ক্যামেরা সেটআপ করে দেই," আর ঢাকার বাইরে খরচ আরও বাড়ে। ডিভিআরসহ চার ক্যামেরার একটি সেটআপে ক্রেতার খরচ পড়ে ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা, আর সাধারণত ৪, ৮ ও ১২ ক্যামেরার সেটেই কাজ হয়। এক দশক আগে ১৫ হাজার টাকার নিচে ক্যামেরা মিলত না, এখন হাজার-বারোশ টাকাতেই মেলে — দাম পড়ে যাওয়ায় অফিস ছাড়িয়ে ক্যামেরা ঢুকেছে বাসাবাড়িতে, আর মানিকদীর এক বাড়িওয়ালা দোকান ও বাসায় চারটি বসিয়ে এখন ছাদে আরেকটি বসাতে চাইছেন।
যা শেখার আছে
- ১.শুধু যন্ত্র বিক্রি নয়, স্থাপন আর পরের সেবা থেকেই এই ব্যবসার বাড়তি আয় — দক্ষ টেকনিশিয়ান থাকাটাই মূল সম্পদ
- ২.দাম পড়ে গেলে ইউনিটপ্রতি মার্জিন কমে, কিন্তু নতুন ক্রেতাশ্রেণি তৈরি হয়ে বিক্রির পরিমাণ বাড়ায়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
