মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলার প্রতিবেদনে ঢাকার একজন মোবাইল অ্যাকসেসরিজ ব্যবসায়ী · ১৯৯৬ সালে শুরু

মাসে ৫ লাখ চার্জার, বাজারের ৮০ শতাংশ — শেষ করল তারিখবিহীন গ্যারান্টি কার্ড

১৯৯৬ সালে শুরু হওয়া এই চার্জার-ব্যাটারির ব্যবসা ২০১০ সালে মাসে ৫ লাখ চার্জার আর প্রায় ২.৫ কোটি টাকার বিক্রিতে পৌঁছায়, দেশের বাজারের প্রায় ৮০ শতাংশ ছিল হাতে। ছয় মাসের রিপ্লেসমেন্ট কার্ডে তারিখ না থাকায় পুরোনো পণ্য ফেরত আসতে থাকে অনির্দিষ্টকাল।

ঢাকার মগবাজার প্লাজার তৃতীয় তলায় ১৯৯৬ সালে মোবাইলের চার্জার, ব্যাটারি আর অ্যান্টেনার এই ব্যবসা শুরু হয়। ২০১০ সালে তা মাসে প্রায় ৫ লাখ চার্জার বিক্রিতে পৌঁছায় — প্রায় ২.৫ কোটি টাকার বিক্রি, দেশের চার্জার ও ব্যাটারির বাজারের প্রায় ৮০ শতাংশ, আর সারা দেশে প্রায় ১০০ জন ডিলার। ব্যবসার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল ছয় মাসের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি কার্ড, কিন্তু সেই কার্ডে কোনো তারিখ ছাপা থাকত না। ফলে খুচরা বিক্রেতা আর ক্রেতারা বছরের পর বছর পুরোনো পণ্য নিয়ে এসে বিনা মূল্যে বদলে নিতে থাকেন, আর অন্যরা কার্ড ও লেবেল নকল করতে শুরু করে। প্রতিষ্ঠাতার ভাষায়, "তারিখবিহীন রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি কার্ড এভাবে দেওয়াটা উচিৎ হয়নি।" রিপ্লেসমেন্টের চাপ আর নকলের ধাক্কায় পরের বছরগুলোতে বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়; এখন তিনি অল্প পরিমাণে বৈদ্যুতিক পণ্য বানান আর তারিখ লেখা ওয়ারেন্টি কার্ড দিয়ে অনলাইনে চার্জার বিক্রি করেন। পুঁজি কত ছিল বা মোট ক্ষতি কত, প্রতিবেদনে সে হিসাব নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.তারিখ ছাড়া গ্যারান্টি মানে সীমাহীন দায় — যে জিনিসটা পণ্য বিক্রি করেছিল, সেটাই প্রতিষ্ঠানটা খালি করে দিয়েছে
  2. ২.বাজারের ৮০ শতাংশ হাতে থাকলে মোড়কের সুরক্ষা না থাকা নকলকারীদের ডেকে আনে — আকারই নকল করাটা লাভজনক করে তোলে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।