মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার একজন চাবিওয়ালা

দিনে ৬০০–৭০০ থেকে নেমে ২০০–২৫০, ভাড়া তিন হাজার

চাবি বানানোর কাজ আগে দিনে ৬০০–৭০০ টাকা দিত; এখন ২০০–২৫০। দোকানভাড়া মাসে ৩,০০০ টাকা।

উত্তরার এই চাবিওয়ালার কাজ আগে দিনে ৬০০–৭০০ টাকা এনে দিত। এখন দিনে আসে ২০০–২৫০ টাকা, অথচ দোকানভাড়া মাসে ৩,০০০ টাকা। ডিজিটাল তালা আর তৈরি চাবির সহজলভ্যতায় কাজ কমেছে, কিন্তু হাতের কাজ বলে একেবারে বন্ধও হয়নি। আয় কমলেও দোকান টিকে আছে, কারণ খরচ কম আর খদ্দের পুরোনো।

যা শেখার আছে

  1. ১.হাতের কাজের চাহিদা নতুন প্রযুক্তিতে কমে যেতে পারে — আয়ের হিসাব পুরোনো দিনের নয়, আজকের দিন ধরে করুন
  2. ২.কম খরচের দোকান খারাপ সময়েও টিকে থাকে, বেশি ভাড়ার দোকান টেকে না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।