এক লাখ টাকার প্রথম চেষ্টা টেকেনি, দ্বিতীয়বার ড্রয়িংরুম থেকে শুরু করে ৩ হাজার বর্গফুট
২০০৯ সালে চাচার কাছ থেকে ধার করা ১ লাখ টাকায় প্রথম চেষ্টা টেকেনি। ২০১৩ সালে উত্তরার একটি ড্রয়িংরুমে দুজন কর্মী আর পুরোনো যন্ত্রপাতি নিয়ে ফের শুরু; কেন্দ্রটি ৫০০ বর্গফুট থেকে ৩ হাজার বর্গফুটে দাঁড়িয়েছে, কর্মী ২৩ জন।
ঢাকার এই ফিজিওথেরাপিস্ট চাকরি খোঁজার বদলে কর্মসংস্থান তৈরি করতে চেয়েছিলেন; তাঁর ভাষায়, "চাকরি না করে চাকরি সৃষ্টি করার ইচ্ছা ছিল।" ২০০৯ সালে চাচার কাছ থেকে ধার করা ১ লাখ টাকা নিয়ে তিনি একটি ফিজিক্যাল থেরাপি ও পুনর্বাসন কেন্দ্র শুরু করেন, কিন্তু সেই প্রথম চেষ্টা টেকেনি। ২০১৩ সালে উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরে একটি বাসার ড্রয়িংরুমে দুজন কর্মী, ধার করা টাকা আর পুরোনো যন্ত্রপাতি নিয়ে তিনি আবার শুরু করেন — এবার কেন্দ্রটি ৫০০ বর্গফুট থেকে বেড়ে ৩ হাজার বর্গফুট হয়েছে আর কর্মী দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে। ২০১৮ সালে মিরপুরে দ্বিতীয় একটি শাখা খোলা হলেও সেটি এখন বন্ধ রাখা আছে। ফিজিওথেরাপির পাশাপাশি এখানে বয়স্কদের সেবা, হোম কেয়ার, ফিটনেস, শিশুদের স্পিচ থেরাপি, কাউন্সেলিং আর গর্ভকালীন ফিজিওথেরাপি দেওয়া হয়, আর ঢাকাজুড়ে প্রায় ১০০ জন ফিজিওথেরাপিস্টের একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে কাজ চলে। প্রথমবার ব্যর্থ হওয়ার পরও পেশাগত দক্ষতাটা রয়ে গিয়েছিল, দ্বিতীয় চেষ্টা দাঁড়িয়েছে সেটির ওপরেই।
যা শেখার আছে
- ১.প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হওয়া মানে ব্যবসার শেষ নয় — একই পেশাগত দক্ষতা নিয়ে অন্যভাবে শুরু করা দ্বিতীয় চেষ্টাটি টিকে গেছে
- ২.হোম কেয়ার, স্পিচ থেরাপি আর ফিটনেস যোগ করায় আয়ের ভিত্তি চওড়া হয়েছে, তবু দ্বিতীয় শাখা ধরে রাখা যায়নি
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
