পাঁচজনের ভাগের ফুড কর্নার মে মাসে খুলে জুনেই বন্ধ
প্রশিক্ষণের পর পাঁচ নারীকে দেওয়া ফুড কর্নারটি মে মাসে খুলে জুনেই বন্ধ হয়ে যায়; একজন ছাড়া বাকিরা সরে যান। এক জরিপে দেখা গেছে, প্রশিক্ষণের ছয় মাস পরও ৪৪ শতাংশ নারী কিছুই শুরু করতে পারেননি।
ঢাকার পূর্ব শেওড়াপাড়ায় মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় মহিলা সংস্থার প্রশিক্ষণ শেষে পাঁচজন নারীকে একটি ফুড কর্নার চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়। দোকানটি মে মাসে খোলে আর জুন মাসেই বন্ধ হয়ে যায় — পরিবারের চাপে কেউই দোকানে নিয়মিত সময় দিতে পারছিলেন না। আগস্টে যোগাযোগ করা হলে দেখা যায় তাঁদের একজন একাই দোকানটি আবার চালু করার চেষ্টা করছেন, বাকি চারজন সরে গেছেন। তাঁর ভাষায়, "তাঁদেরও পারিবারিক সমস্যা ছিল। আর সবার তো একরকম দক্ষতা থাকে না।" পাঁচজনের ভাগে চালানো দোকানে রোজ ঝাঁপ তোলার দায় আসলে কারও ওপরেই থাকে না, আর সে কারণেই এক মাসেই দোকান বন্ধ হয়েছে। আইএমইডির এক জরিপে ১৬টি কেন্দ্রের ২,০০০ প্রশিক্ষিত নারীর মধ্যে ৪৪ শতাংশ প্রশিক্ষণের ছয় মাস পরও কোনো কাজ দাঁড় করাতে পারেননি।
যা শেখার আছে
- ১.পাঁচজনের ভাগের দোকানে রোজ কে ঝাঁপ তুলবে তার দায় কারও থাকে না — এক মাসেই বন্ধ হয়ে গেছে
- ২.প্রশিক্ষণ আর একটি দোকান মিলে ব্যবসা হয় না — পুরো সময় দেওয়ার মতো একজন না থাকলে দোকান বন্ধ হবেই
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
