মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
মিশ্র অভিজ্ঞতাদ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে পিরোজপুরের নাজিরপুরের একজন চুক্তিভিত্তিক ধাপ কারিগর

মৌসুমে ২০০ ভাসমান ধাপ, প্রতিটিতে খরচ ৬ হাজার, বিক্রি ৮–৯ হাজারে

পিরোজপুরের নাজিরপুরে চাষিদের অর্ডারে কচুরিপানার ভাসমান ধাপ বানিয়ে বিক্রি করেন একদল চুক্তিভিত্তিক কারিগর। ধাপপ্রতি ২–৩ হাজার টাকা থাকে, কিন্তু যে কচুরিপানা আগে বিনা পয়সায় মিলত তার জন্য এখন বিঘাপ্রতি ৫–৬ হাজার টাকা দিতে হয়।

পিরোজপুরের নাজিরপুর ও নেছারাবাদের বিলের জমি বছরের বেশির ভাগ সময় পানিতে ডুবে থাকে। সেখানে কচুরিপানা দিয়ে বানানো ভাসমান ধাপে চারা ও সবজি হয়। কিছু মানুষ চাষ না করে এই ধাপ বানিয়ে চাষিদের কাছে বিক্রি করেন।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চুক্তিতে ধাপ বানানো এক কারিগর জানান, প্রতিটি ধাপ প্রায় ৯০ ফুট লম্বা ও সোয়া পাঁচ ফুট চওড়া, বাঁশের কাঠামোয় তিন স্তর কচুরিপানা পেঁচিয়ে বানানো হয়। একটির জন্য প্রায় সাড়ে তিন হাজার বর্গফুট জায়গার কচুরিপানা লাগে। মে মাসের মাঝামাঝি, পানি বাড়ার ঠিক আগে কাজ শুরু হয়, চলে প্রায় চার মাস। মৌসুমের আগেই চাষিরা অর্ডার দেন, তাঁরা মৌসুমে প্রায় ২০০টি ধাপ বানান।

একেকটি ধাপে খরচ প্রায় ৬ হাজার টাকা: কচুরিপানায় ১৫০০, শ্রমে ৩৫০০, অন্যান্য ১০০০। বিক্রি হয় ৮ থেকে ৯ হাজার টাকায়। তবে আগে কচুরিপানা বিনা পয়সায় তোলা যেত, এখন জমির মালিকদের বিঘাপ্রতি ৫–৬ হাজার টাকা দিতে হয়। শ্রমিকেরা দিনভর খেটে পান ৮০০–৮৫০ টাকা, রোদ-বৃষ্টিতে বিলে আশ্রয় নেই। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, ভাসমান চাষের প্রকল্প দুই বছর আগে শেষ হয়েছে, নতুন প্রকল্প না এলে সহায়তা দেওয়া যাচ্ছে না।

যা শেখার আছে

  1. ১.চাষিদের কাছ থেকে মৌসুমের আগেই অর্ডার নিলে বিক্রির অনিশ্চয়তা থাকে না, কত ধাপ বানাতে হবে তাও জানা যায়।
  2. ২.যে কাঁচামাল আজ বিনা পয়সায় মেলে, কাল তার দাম দিতে হতে পারে; হিসাবে সেই খরচ ধরে রাখুন।
  3. ৩.খরচের সবচেয়ে বড় অংশ শ্রম, তাই মজুরি বাড়লে প্রতি ধাপের লাভ দ্রুত কমে।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।