মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে খাগড়াছড়ির দীঘিনালার একজন ঘরোয়া মোমবাতি প্রস্তুতকারক · ২০১১ সালে শুরু

১০ হাজার টাকার যন্ত্রে ব্যাচে হাজার মোমবাতি, নয় বছরেও দ্বিতীয় যন্ত্র হয়নি

দীঘিনালার ঘরোয়া মোমবাতির কাজ: এক ব্যাচে ১,০০০ মোমবাতি, কাঁচামাল ২৫০ টাকার, বিক্রি ৬০০ টাকায়। সংসার চলে, কিন্তু নয় বছর পরও যন্ত্র একটাই।

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার পাবাখালী শান্তিপুরের ৩৭ বছর বয়সী এই নারী মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের তিন মাসের প্রশিক্ষণ নিয়ে ২০১১ সালে মোমবাতি বানানো শুরু করেন। ১০,০০০ টাকার একটি যন্ত্রই তাঁর পুরো কারখানা — এক ব্যাচে ওঠে ১,০০০ মোমবাতি, কাঁচামাল লাগে ২৫০ টাকার, আর ১,০০০ মোমবাতি বিক্রি হয় ৬০০ টাকায়। স্বামীর কাজ নেই, তাই সংসার চলেছে এই আয়েই; বড় মেয়ের বিয়ে হয়েছে, ছেলে বৃত্তি নিয়ে ভারতে পড়ছেন, ছোট মেয়ে অষ্টম শ্রেণিতে। কিন্তু নয় বছর পরও যন্ত্র সেই একটিই, আর একটির বেশি ব্যাচ একসঙ্গে ওঠে না। তাঁর কথায়, "কোনো সংস্থা থেকে ঋণ সুবিধা অথবা আর্থিক সহায়তা পেলে আমি একটি যন্ত্র কিনতে পারতাম।" মাসে হাতে কত থাকে, প্রতিবেদনে সেই হিসাব নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.এক যন্ত্রের কারখানায় আয়ের সীমা যন্ত্রটাই ঠিক করে দেয় — বেশি খাটলে নয়, আরেকটা যন্ত্র বসালেই কেবল উৎপাদন বাড়ে
  2. ২.২৫০ টাকার কাঁচামাল ৬০০ টাকায় বিক্রি হলে লাভ আছে, কিন্তু ব্যাচের সংখ্যা না বাড়লে সেটা সংসার-চালানো আয়ই থেকে যায়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।