মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে সিলেট সরকারি কলেজের স্নাতকের এক শিক্ষার্থী, ডিজিটাল বিপণন ফ্রিল্যান্সার · ২০১৭ সালে শুরু

ফাইভআরে এসইও দিয়ে শুরু, এখন ৩০ কর্মীর প্রতিষ্ঠানে মাসে ১০ হাজার ডলারের অর্ডার

সিলেটের এক স্নাতকের শিক্ষার্থী ইউডেমিতে এসইও কোর্স করে ২০১৭ সালের শেষে ফাইভআরে ডিজিটাল বিপণনের কাজ শুরু করেন। এখন তাঁর আয় মাসে ৩–৫ লাখ টাকা, প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন ৩০ জন।

সিলেটের এক তরুণ উচ্চমাধ্যমিকে পড়ার সময় ফ্রিল্যান্সিংয়ের কথা জানেন। ইউটিউব দেখে ধারণা নেন, ইউডেমিতে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) ও অনলাইন মার্কেটপ্লেস নিয়ে কোর্স করেন, আর ২০১৭ সালের শেষের দিকে ফাইভআরে অ্যাকাউন্ট খোলেন। সরকারি ডিজিটাল বিপণন প্রশিক্ষণের (এলইডিপি) সাক্ষাৎকারে একজন তাঁকে বলেছিলেন, তিনি ডিজিটাল বিপণনে ভালো করতে পারবেন না — সেই কোর্সে না টিকলেও পরে সেখানেই মেন্টর হিসেবে ডাক পান। ফাইভআরে অল্প দিনে তাঁর নাম প্রথম পৃষ্ঠায় আসে; লেভেল-১ এবং আরও দুই মাস পর লেভেল-২ ব্যাজ পান। ২০২৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী তাঁর নিজের গড়া প্রতিষ্ঠানে ৩০ জন কর্মী কাজ করেন, প্রতিষ্ঠানে প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন ডলারের বিদেশি কাজের অর্ডার আসে, আর ফ্রিল্যান্সিং থেকে তাঁর আয় মাসে ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা — এর বেশির ভাগ তাঁর নিজের, বাকিটা প্রতিষ্ঠানের। প্রতিষ্ঠানটি তিন বছরে দেড় হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণও দিয়েছে। পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশিই তিনি এই কাজ করছেন।

যা শেখার আছে

  1. ১.সস্তা অনলাইন কোর্স (ইউডেমি, সরকারি প্রশিক্ষণ) দিয়ে এসইও শেখা শুরু করা যায়; মূল পুঁজি সময় আর চর্চা।
  2. ২.মার্কেটপ্লেসে দ্রুত লেভেল পেতে প্রথম দিকের অর্ডারগুলো নিখুঁতভাবে ডেলিভার করুন।
  3. ৩.অর্ডার বাড়লে দল ও প্রশিক্ষণ — দুই দিকেই আয়ের উৎস তৈরি হয়।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।