মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে দিনাজপুরের খানসামার একজন কুটিরশিল্প উদ্যোক্তা · ২০১৬ সালে শুরু

ভ্যানে ফেরি করে শুরু, এখন মাসে ৩০–৩৫ লাখ টাকার পণ্য

২০১৬ সালের ৩১ অক্টোবর ভ্যানে পণ্য ফেরি করে শুরু। এখন মাসে ৩০–৩৫ লাখ টাকার হোগলা-পাট-সুতলির পণ্য তৈরি হয়, লাভ ২ লাখ টাকার বেশি, স্থায়ী কর্মী ৫৪ জন আর চুক্তিভিত্তিক ২৫০-এর বেশি।

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার পশ্চিম বাসুলী গ্রামের এই ৩৫ বছর বয়সী উদ্যোক্তা ২০১৬ সালের ৩১ অক্টোবর কুটিরশিল্পের কাজ শুরু করেন, আর প্রথম দিকে পণ্য বিক্রি করতেন ভ্যানে ফেরি করে। হোগলা পাতা, পাট আর সুতলি দিয়ে তৈরি হয় তাঁর পণ্য। প্রতিবেদন বলছে, এখন মাসে ৩০–৩৫ লাখ টাকার পণ্য তৈরি হয় আর লাভ থাকে ২ লাখ টাকার বেশি — অর্থাৎ মুনাফা উৎপাদনের ৬–৭ শতাংশের মতো, তাই এখানে দাম নয়, পরিমাণই ভরসা। কারখানার জায়গা ৩০ শতক থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে দেড় বিঘায়; স্থায়ী ৫৪ জন কর্মী মাসে পান ৮,০০০–১২,০০০ টাকা আর ২৫০-এর বেশি চুক্তিভিত্তিক কর্মী পান ৫,০০০–৬,০০০ টাকা। একজন কর্মীর কথায়, "প্রথম যখন কাজ শুরু করি, দৈনিক ১২০ থেকে ১৫০ টাকা পেতাম। এখন মাস গেলে ৮ হাজার টাকার ওপরে পাই।" পণ্য যায় রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ আর মধ্যপ্রাচ্যে; শুরুর পুঁজি কত ছিল, প্রতিবেদনে তা নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.আগে বিক্রির পথ, পরে কারখানা — ভ্যানে ফেরি করেই বোঝা গিয়েছিল পণ্যটা চলবে কি না
  2. ২.৩০–৩৫ লাখের উৎপাদনে লাভ ২ লাখ — এই কাজে আয় আসে পরিমাণ থেকে, প্রতি পিসের দাম থেকে নয়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।