১৬ হাজার টাকার চাকরি ছেড়ে এসইও, আড়াই বছরে আয় প্রায় ১ লাখ ডলার
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের এক তরুণ সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে জমানো টাকায় পুরোনো ল্যাপটপ কেনেন, ২০২৩ সালে এসইও বেছে নেন। আপওয়ার্কে টপ রেটেড প্লাস হয়ে এখন মাসে প্রায় তিন লাখ টাকা আয় করেন, গড়েছেন নিজের এসইও দল।
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের এক তরুণ ২০১৮ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন; বেতন ছিল ১৬ হাজার টাকা, আর সেটিই ছিল পরিবারের একমাত্র আয়। ২০২২ সালের শেষে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন। কম্পিউটার অন করতেও জানতেন না; চার বছরের চাকরির জমানো টাকায় একটি পুরোনো ল্যাপটপ কেনেন, ইউটিউব দেখে কপি-পেস্ট আর ওয়েব ডিজাইন শেখেন। প্রায় এক বছর নানা কাজ শেখার পর ২০২৩ সালে এসইও বেছে নেন, আর ২০২৪ সালের জুন থেকে পুরোদমে আন্তর্জাতিক বাজারে কাজ শুরু করেন। ২০২৫ সালের মধ্যে আপওয়ার্কে ‘টপ রেটেড’ ও পরে ‘টপ রেটেড প্লাস’ ব্যাজ পান এবং যুক্তরাষ্ট্রের দুটি মার্কেটিং এজেন্সিতে এসইও স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে কাজের সুযোগ পান। প্রতিবেদন অনুযায়ী আপওয়ার্ক থেকে তাঁর আয় প্রায় ৫০ হাজার ডলার, আড়াই বছরে মোট আয় প্রায় ১ লাখ ডলার (প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা), আর এখন মাসিক আয় তিন লাখ টাকা। বন্ধু ও ছোট ভাইদের নিয়ে তিনি একটি এসইও দলও গড়েছেন। ঝুঁকিটাও ছিল বড়: পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষ হয়েও কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই চাকরি ছেড়েছিলেন; তাঁর কথায়, স্ত্রী রাজি না হলে “আজকের এই গল্পটা হয়তো কোনো দিনই বলা হতো না।”
যা শেখার আছে
- ১.এসইওতে ঢোকার আগে বছরখানেক শেখার সময় ধরুন; এই সময়ের খরচ চালানোর মতো সঞ্চয় রাখুন।
- ২.একটি মার্কেটপ্লেসে রেটিং ও ব্যাজ গড়ে তুললে বিদেশি এজেন্সির দীর্ঘমেয়াদি কাজ আসে।
- ৩.একা কাজ বাড়লে বিশ্বস্ত ছোট দল গড়ুন, যাতে বেশি ক্লায়েন্ট সামলানো যায়।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
