মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাদ্য ডেইলি স্টার বাংলার প্রতিবেদনে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর একজন সুপারিবাগান মালিক

ফলন ২৫–৩০ শতাংশ বেশি, তবু আয় ৮ লাখ থেকে নেমে আসছে ৪ লাখে

৫০০ সুপারিগাছ থেকে গত বছর আয় হয়েছিল প্রায় ৮,০০,০০০ টাকা। এবার গাছপ্রতি ফলন ২৫–৩০ শতাংশ বেশি হলেও পাইকারি দাম ৬০–৬৫ শতাংশ পড়ে যাওয়ায় তিনি সর্বোচ্চ ৪,০০,০০০ টাকা পাওয়ার আশা করছেন।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার এই বাগানমালিকের ৫০০টি সুপারিগাছ, গত বছর সেখান থেকে আয় হয়েছিল প্রায় ৮,০০,০০০ টাকা। এ মৌসুমে গাছপ্রতি ফলন আগের চেয়ে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বেশি হয়েছে, কিন্তু সব মানের সুপারিতেই পাইকারি দাম পড়েছে ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ। বড় সুপারি যেখানে পনপ্রতি ৫৫০–৬০০ টাকায় যেত, এবার গেছে ১৮০–২০০ টাকায়; মাঝারি ৪০০–৪৫০ থেকে নেমে ১৩০–১৫০, আর ছোট ২৮০–৩০০ থেকে নেমে ৮০–৯০ টাকায়। ভালো ফলন সত্ত্বেও তিনি এবার সর্বোচ্চ ৪,০০,০০০ টাকা পাওয়ার আশা করছেন, অর্থাৎ গত বছরের প্রায় অর্ধেক। তাঁর কথায়, "এবছর সুপারির দাম এত কম হবে এটা ভাবতেই পারিনি।" লালমনিরহাটের ৮০ গাছের আরেক বাগানমালিক, যাঁর সাধারণত বছরে ৬০,০০০–৬৫,০০০ টাকা আয় হয়, তিনিও একই চাপের কথা বলেছেন।

যা শেখার আছে

  1. ১.বাম্পার ফলন আর ভালো বছর এক জিনিস নয় — সংরক্ষণ বা প্রক্রিয়াজাতের পথ না থাকলে গাছের ফসলে মৌসুমের দামই শেষ কথা
  2. ২.গাছের ফসলের আয় বছরে অর্ধেক পর্যন্ত ওঠানামা করে, তাই একে বাঁধা বেতনের মতো ধরে সংসারের হিসাব করা যায় না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।