তিনটি বিয়ের কাজ ধরা ছিল, তারপর সব বন্ধ — পুঁজি আটকে গেল ভাড়া করা অফিসে
বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের ব্যবসা শুরু, বাড়ির কাছেই সাজানো অফিস ভাড়া। তিনটি বিয়ের কাজ ধরা ছিল, তখনই করোনায় সব বন্ধ; জমানো আর ধার করা টাকা আটকে আছে কাজহীন ব্যবসায়।
গাজীপুরের বোর্ডবাজারের এই তরুণ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের ব্যবসা শুরু করেছিলেন এবং বাড়ির কাছেই একটি সাজানো অফিস ভাড়া নিয়েছিলেন। ফেসবুকসহ নানা মাধ্যমে প্রচার চালিয়ে মোটামুটি পরিচিতিও পেয়ে যান, হাতে এসেছিল তিনটি বিয়ের কাজ — ঠিক তখনই করোনায় সব অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। তাঁর ভাষায়, "ক্যারিয়ারের শুরুতেই এমন ধাক্কা খাব তা ভাবতে পারিনি।" জমানো টাকা আর ধার করা টাকা এখন আটকে আছে এমন এক ব্যবসায়, যেখানে কোনো কাজ নেই, অথচ অফিসভাড়া চলছে। ধাক্কাটা ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা চক্রে — গাজীপুরের কাজিরা আগে মাসে ২০-২৫টি বিয়ে নিবন্ধন করতেন, তখন করছিলেন ৭-৮টি; জেলায় কাজির সংখ্যা ১০৩। টঙ্গীর ৩০ বছরের পুরোনো এক ডেকোরেটরের দোকানভাড়া তিন মাস বকেয়া পড়েছিল, আর ছোট ব্যবসায়ীদের অনেকে ব্যবসা ছেড়ে গ্রামে ফিরে গেছেন।
যা শেখার আছে
- ১.ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের ব্যবসা পুরোপুরি বিয়ে হওয়ার ওপর দাঁড়ানো — জমায়েত বন্ধ হলে পেছনে আর কোনো আয় থাকে না
- ২.শুরুতেই অফিস ভাড়া নেওয়া মানে নতুন ব্যবসার ঘাড়ে নির্দিষ্ট খরচ, যা উদ্যোক্তার জমানো আর ধার করা টাকা আটকে ফেলে
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
